• ই-পেপার

উত্তেজনা নিরসনে শান্তি প্রস্তাব পাঠালেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের অবিশ্বাস চরমে

আইভিএফ বিভ্রাট: জৈবিকভাবে নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করবেন মার্কিন দম্পতি

অনলাইন ডেস্ক
আইভিএফ বিভ্রাট: জৈবিকভাবে নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করবেন মার্কিন দম্পতি
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে আইভিএফ পদ্ধতির ভুলের কারণে জন্ম নেওয়া একটি শিশুকে ঘিরে অস্বাভাবিক ও জটিল এক আইনি পরিস্থিতির অবসান ঘটেছে। শুরুতে মামলা হলেও শেষ পর্যন্ত এক দম্পতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জৈবিকভাবে তাদের না হলেও তারা শিশুটিকে নিজেদের কাছেই রেখে বড় করবেন।

ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন স্টিভেন মিলস এবং টিফানি স্কোর। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তারা একটি কন্যাশিশুর বাবা-মা হন। তবে জন্মের কিছুদিন পরই তাদের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। কারণ দম্পতি দুজনই শ্বেতাঙ্গ হলেও শিশুটির শারীরিক বৈশিষ্ট্য তাদের সঙ্গে মিলছিল না।

পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটির সঙ্গে তাদের কোনো জৈবিক সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় বড় ধরনের একটি ভুল হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এই ঘটনার পর তারা ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরের একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিক এবং এর প্রধান চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দম্পতির অভিযোগ, ২০২০ সালে তাদের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভ্রূণ ভুলভাবে অন্য এক নারীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। সেই নারী এখন সেই শিশুটিকে জন্ম দিয়ে বড় করছেন, যে শিশুটি জৈবিকভাবে মিলস ও স্কোর দম্পতির সন্তান।

শুক্রবার আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে জানানো হয়, দুই পক্ষের মধ্যে একটি যৌথ অভিভাবকত্ব চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, স্টিভেন মিলস ও টিফানি স্কোরকেই শিশুটির স্থায়ী অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অন্য পক্ষের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শিশুটির জৈবিক বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা শিশুটির জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা স্বীকার করেছেন, এই ঘটনায় কোনো পক্ষেরই সরাসরি দোষ নেই এবং এটি দুই পরিবারের জন্যই অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সোমবার আদালত শুনানিতে বিচারক মার্গারেট শ্রাইবার এই সমঝোতাকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, শিশুটি এখনো খুব ছোট, এই পর্যায়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।

 মামলা শুরুর পর থেকেই দম্পতি বলে আসছিলেন, তারা শিশুটিকে বড় করতে প্রস্তুত। তবে তাদের মতে, শিশুটিকে তার জৈবিক বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলিত করা এবং তারা চাইলে শিশুটিকে তাদের কাছে তুলে দেওয়া নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।

সে সময় তাদের আইনজীবী বলেছিলেন, তারা এই শিশুটিকে খুব ভালোবেসে ফেলেছেন। তারা খুব খুশি হতেন যদি এই শিশুটিকে নিজেরাই বড় করতে পারতেন। কিন্তু তাদের চিন্তা ছিল যে সে অন্য কারো সন্তান। যে কোনো সময় কেউ এসে শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করতে পারে এবং তাকে তাদের কাছ থেকে নিয়েও যেতে পারে।
 

পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার লড়াই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার লড়াই
সংগৃহীত ছবি

রক্ষণশীল পাকিস্তানে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, পিরিয়ড যেন নিষিদ্ধ বিষয়। এ নিয়ে জনপরিসরে আলোচনাটাই লজ্জার বিষয়, যেন অপরাধ। অধিকারকর্মীরা সামাজিক এই ট্যাবু ভাঙার চেষ্টা করছেন বছরের পর বছর ধরে। কিন্তু সামাজিক ট্যাবুর বিশাল এই অচলায়তন ভাঙা এক দিনের কাজ নয়। দিনের পর দিন আঘাত হানলে পাহাড়েরও ঘুম ভাঙে।

দুই তরুণ আইনজীবীর আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে সরকারের টনক কিছুটা হলেও নড়েছে। ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ নামে পরিচিত স্যানিটারি পণ্যের ওপর আরোপিত ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

নারীদের পিরিয়ড একটি নিয়মিত ও স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। তবে সঠিক নিয়ম মানলে ও স্বাস্থ্যকর স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করলে নারীরা পিরিয়ডকালীনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র বা সংসারে স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। 

ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, পাকিস্তানের মাত্র ১২ শতাংশ নারী বাণিজ্যিক স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করেন। বাকি অধিকাংশ নারী কাপড়ের টুকরা বা অস্বাস্থ্যকর ঘরোয়া সামগ্রী ব্যবহার করেন। যা তাদের জন্য নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে এবং অনেক সময় নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। স্যানিটারি পণ্য ব্যবহারের এই অতিনিম্নহারের মূল কারণ এর অতি উচ্চমূল্য। এত দিন স্যানিটারি পণ্যকে রাখা হয়েছিল বিলাস পণ্যের তালিকায়।

দুই তরুণ আইনজীবীর সরকারের বিরুদ্ধে করা এক মামলার সূত্র ধরে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক পরিসরে আলোচনা শুরু হয়। গত বছরের অক্টোবরে ২৯ বছর বয়সী আহসান জাহাঙ্গীর খান এবং ২৫ বছর বয়সী মাহনুর ওমর নামের দুই আইনজীবী তথাকথিত ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ প্রত্যাহার করতে এবং স্যানিটারি পণ্যকে বিলাসপণ্যের বদলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। 

মামলার আবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে স্থানীয়ভাবে তৈরি স্যানিটারি পণ্যের ওপর ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর এবং আমদানি করা স্যানিটারি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ রয়েছে। ইউনিসেফের মতে, অন্যান্য স্থানীয় করের সঙ্গে যোগ হয়ে পাকিস্তানের নারীদের পিরিয়ড পণ্যের ওপর মোট ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়, যা সুবিধাবঞ্চিত নারীদের সামর্থ্যের বাইরে চলে যায়। দুই আইনজীবীর লড়াইটা ছিল এখানেই। তাদের দাবি, সরকার যেন স্যানিটারি পণ্যের দাম কমিয়ে তা নারীদের জন্য সহজলভ্য করেন।

তাদের মতে, এই কর আরোপের মাধ্যমে পাকিস্তান সরকার নারীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকারকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবহেলা করেছে, যা জনজীবনে তাদের পূর্ণ অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। এটি সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদেরও লঙ্ঘন, যা লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।

দুই আইনজীবীর মামলার পর আদালত সরকারের কাছে এর জবাব চায়। আদালতের কাছে দেওয়া জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্যানিটারি পণ্যের ওপর করহার অতিরিক্ত বা বৈষম্যমূলক নয়। কারণ এই কর কাঠামো রাষ্ট্রের রাজস্ব চাহিদা মেটানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে, যা দিয়ে নারীদের সুবিধাসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজে অর্থায়ন করা হয়।
বছরের শুরুতে আদালতের কাছে দেওয়া জবাবে স্যানিটারি পণ্যের ওপর আরোপিত করকে অতিরিক্ত ও বৈষম্যমূলক মনে না করলেও দৃশ্যত সরকারের অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে। গত সপ্তাহে দেশের জাতীয় বাজেট প্রস্তাবনায় স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

গত শুক্রবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, এ ধরনের পণ্যগুলো নারীদের স্বাস্থ্য, মর্যাদা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে পূর্ণ অংশগ্রহণের জন্য অপরিহার্য।
বিক্রয় কর প্রত্যাহারের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও, মামলার আবেদনকারী দুই আইনজীবী স্যানিটারি প্যাড তৈরির কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্কসহ স্যানিটারি পণ্যের ওপর থাকা করব্যবস্থাটি পুরোপুরি বিলোপের দাবি জানিয়েছেন।

জাহাঙ্গীর খান বলেন, এই মামলাটি স্যানিটারি পণ্যের ওপর থাকা করব্যবস্থার অযৌক্তিকতাকে সবার সামনে তুলে ধরেছে। তিনি আরো বলেন, ‘যদি এই সাংবিধানিক পিটিশনটি না করা হতো, তবে সরকার হয়তো কখনোই অনুধাবন করতে পারত না যে বিক্রয় কর নেওয়াটাও ভুল ছিল।’

অধিকার কর্মীরা বলছেন, ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহার করলেও তা হয়তো সাধারণ নারীদের নাগালে আসবে না। পাকিস্তানের প্রায় ৪৫ ভাগ মানুষ বৈশ্বিক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন, যাদের দৈনিক আয় ১ হাজার ১৭৫ পাকিস্তানি রুপি। এক প্যাকেট স্যানিটারি প্যাড কিনতে এক দিনের আয়ের তিন ভাগের এক ভাগ খরচ হয়ে যাবে।

তারপরও দুই আইনজীবীর মামলা, সরকারের বোধোদয়ের সূত্রে নারীদের পিরিয়ড ও পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে জনপরিসরে যে আলোচনা হচ্ছে, তার গুরুত্ব অনেক। পিরিয়ড নিয়ে সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে, কুসংস্কার দূর করতে এবং এই লড়াইকে এগিয়ে নিতে এই আলোচনা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকার স্যানিটারি পণ্যের ওপর ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহার করলেও মামলাটি নিষ্পত্তি হয়নি। সরকারের জবাবের পর মামলাটি এখন চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের জন্য প্রস্তুত। ওমর ও খানের মামলাটি সফল হলে, আদালত স্যানিটারি পণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত সব কর—কাঁচামালের ওপর আমদানি শুল্কসহ—অথবা আমদানি করা স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে সব কর প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারে।

আবেদনকারী দুই আইনজীবী বলছেন, চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে যাবেন।

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন হামলায় নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন হামলায় নিহত ১
ছবি : মার্কিন সাউথকম।

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে একটি নৌযান লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই হামলার পর সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে কথিত ‘নারকো-সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ-অভিযানে নিহতের সংখ্যা অন্তত ২০৮ জনে পৌঁছেছে।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরের পরিচিত চোরাচালান রুটে সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারীদের লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়েছে। হামলার পর জীবিতদের উদ্ধারে মার্কিন কোস্ট গার্ডকে অবহিত করা হয়।

তবে সেনাবাহিনী কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি, নৌযানটি মাদক বহন করছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পানিতে চলার সময় একটি নৌকায় হামলা হলে সেটিতে আগুন ধরে যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, লাতিন আমেরিকার মাদক চক্রগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ‘সশস্ত্র সংঘাতে’ রয়েছে এবং এসব হামলা যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের প্রবাহ ও অতিরিক্ত মাদক সেবনে মৃত্যুর সংখ্যা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয়।

অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এসব হামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সমালোচকদের মতে, বহু প্রাণঘাতী ওভারডোজের জন্য দায়ী ফেন্টানাইল মূলত স্থলপথে মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে। তবে সমুদ্রে পরিচালিত এ ধরনের হামলার বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতাকে চড় মারার ঘটনায় আটকরা মুক্তির পর পেলেন ফুলেল অভ্যর্থনা

অনলাইন ডেস্ক
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতাকে চড় মারার ঘটনায় আটকরা মুক্তির পর পেলেন ফুলেল অভ্যর্থনা
সংগৃহীত ছবি

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের ওপর হামলার ঘটনায় আটক দুই ব্যক্তিকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ।  

মুক্তির পর তাদেরকে নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, দুইজনকে স্থানীয় কিছু মানুষ উৎসবমুখরভাবে স্বাগত জানাচ্ছেন। পরে তাদের সমর্থকেরা তাদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন এবং অভিনন্দন জানান।

এর আগে ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা দিপকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় তাকে চড় মারা হয়। এই ঘটনার পরই পুলিশ দুইজনকে আটক করে। ঘটনার ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন থেকে ফিরে আসা অভিজিৎ দিপককে বিক্ষোভস্থলে চড় মারা হচ্ছে- এমন দৃশ্যই অনলাইনে ভাইরাল হয়।