• ই-পেপার

মেসির কান্নার কারণ জানা গেল

প্রথম ম্যাচে থেকে ছিটকে গেলেন পর্তুগালের তারকা ডিফেন্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম ম্যাচে থেকে ছিটকে গেলেন পর্তুগালের তারকা ডিফেন্ডার
ছবি : ইয়াহু স্পোর্টস

বিশ্বকাপ মিশন শুরু হচ্ছে শিরোপার অন্যতম দাবিদার পর্তুগালের। গ্রুপ ‘কে’তে রাত ১১ টায় টেক্সাসের হিউস্টন স্টেডিয়ামে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামবে রোনালদোরা। মাঠে নামার আগে পেল বড় দু:সংবাদ। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে পাওয়া চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে উঠেননি ডিপেন্সের প্রধান তারকা রুবেন দিয়াস। 

বুধবার (১৭জুন) ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কোচ বার্তো মার্তিনেস।

বিস্তারিত আসছে...

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের কাছেও হারল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের কাছেও হারল বাংলাদেশ
লিডসে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের কাছেও হার দেখল বাংলাদেশ। ছবি : ক্রিকইনফো

ভুলে যাওয়ার মতোই এক দিন কাটল বাংলাদেশের। ওয়ানডে সিরিজ জিতলেও ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছেন তাওহিদ হৃদয়-তানজিদ হাসান তামিমরা।

চট্টগ্রামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ছেলেদের পর এবার পরাজয় দেখল মেয়েরাও। প্রতিপক্ষ একই অস্ট্রেলিয়া। চট্টগ্রাম থেকে আকাশ পথে ৫ হাজার ১২৬ মাইল দূরের শহর লিডসে হারটি দেখেছেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা।
 
হারটিও বিশাল ব্যবধানের। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৯ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। তাতে মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখল লাল-সবুজের দেশটি। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলেন জ্যোতি-মারুফা আক্তাররা।

ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। একটা সময় ২৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়ায় তারা। তখন মনে হচ্ছিল ৫০ রানই অনেক দূর। ষষ্ঠ উইকেটে রিতু মণির সঙ্গে ৩২ রানের জুটি গড়ে কিছুটা সম্মানজনক স্কোর এনে দেন জ্যোতি। শেষ পর্যন্ত অলআউট না হয়ে ৭৭ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন অধিনায়ক। দলের আর একজনই দুই অংকের ঘর স্পর্শ করেছেন, তিনি ১৬ রান করা রিতু মনি।

বিপরীতে রান তাড়ায় নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩১ রান যোগ করেন জর্জিয়া ভল ও বেথ মুনি। ১০ রান করা মুনিকে আউট করে বাংলাদেশকে একমাত্র সাফল্য এনে দেন পেসার মারুফা। পরে আর কোনো উইকেট হারাতে না দিয়ে ৬৩ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অজিরা। সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন অপরাজিত ওপেনার জর্জিয়া। বিপরীতে অপরাজিত ১৯ রান করা এলিসা পেরি বোলিংয়ে ২ উইকেট নেওয়ায় ম্যাচসেরা হন।

মেসির সাফল্যের রহস্যে উঠে এলো যার নাম

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির সাফল্যের রহস্যে উঠে এলো যার নাম
ছবি : এপি

স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে আবারও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন লিওনেল মেসি। এই কীর্তির সুবাদে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন তিনি। তবে ম্যাচ শেষে নিজের রেকর্ড বা ব্যক্তিগত সাফল্য নিয়ে নয় বরং খেলার প্রতি ভালোবাসা, দলের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং নিজের অনুপ্রেরণার উৎস নিয়েই বেশি কথা বলেন এলএম টেন। আর সেই প্রসঙ্গেই উঠে এলো টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের নাম।

আগামী সপ্তাহেই ৩৯ বছরে পা দেবেন মেসি। কিন্তু তাঁর খেলায় বয়সের কোনো ছাপই দেখা যাচ্ছে না। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের টেনিশ তারকা নাদালের মানসিকতাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন উল্লেখ করে মেসি বলেন, ‘এখনো ফুটবলকে ঠিক ছোটবেলার মতোই ভালোবাসি। আমি এই সময়টা ভীষণ উপভোগ করছি। মাঠে নামলে খুব ভালো লাগে, খুব আনন্দ পাই। ছোটবেলা থেকেই ফুটবল আমার সবচেয়ে বড় ভালোবাসা। তাই আজও আমি নিজের সবটুকু দেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা এখন রাফায়েল নাদালকে নিয়ে একটি ধারাবাহিক দেখছি। ওর একটা বিষয় আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করে— ও সব সময় নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেয় এবং যা করে, তা মন থেকে উপভোগ করে। আমিও ঠিক সেই ভাবনাতেই খেলতে চাই।’

দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে নাম লেখালেন মেসি। রেকর্ড নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ মেসি আরো বলেন, ‘আমি গোল বা রেকর্ড নিয়ে খুব একটা ভাবি না। ক্লোজ়ের পাশে নিজের নাম দেখতে পারা অবশ্যই সম্মানের। রোনালদোও রয়েছেন, কিলিয়ান এমবাপ্পে  আজ দু’টি গোল করেছে।’

কিন্তু এগুলো শেষ পর্যন্ত পরিসংখ্যানই। রোনালদো আমার দেখা অন্যতম সেরা ফুটবলার, অথচ ও কিন্তু সবার উপরে নেই। তাই এসব নিয়ে না ভেবে আমি শুধু নিজের কাজটা করে যেতে চাই। ম্যাচের গোলগুলো এখনো দেখিনি। পরিবারের সদস্য এবং সতীর্থদের সঙ্গে সেই মুহূর্তগুলো উপভোগ করছিলাম। পরে সময় নিয়ে দেখব।’ বলে যোগ করেন তিনি।

৩-০ ব্যবধানের জয়ে ম্যাচটি সহজ ছিল জানিয়ে অষ্টমবার ব্যালন ডি'অর জয়ী এই তারকা বলেন, ‘বাস্তবে লড়াইটা অনেক কঠিন ছিল। আলজেরিয়ার দলে বেশ কিছু ভালো ফুটবলার রয়েছে। ওরা খুব দ্রুত খেলছিল এবং আমাদের চাপে রাখার চেষ্টা করছিল। আমরা খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বিশেষ করে প্রথমার্ধে বলের দখল ধরে রাখতে বেশ সমস্যা হয়েছে। এই বিশ্বকাপে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, সব দলই দারুণ প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। এখানে কোনো দল কাউকে বিনা লড়াইয়ে কিছু ছেড়ে দেয় না।’

জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ পথচলার স্মৃতি মনে করতে গিয়ে পুরনো কষ্টের কথাও বলেছেন মেসি। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি, আবার অনেক কঠিন সময়ও দেখেছি। সত্যি বলতে, খারাপ সময়ের সংখ্যাও কম ছিল না। তবে পরে সব কিছু বদলে যায়। এখন জাতীয় দলের সঙ্গে সময়টা অন্যভাবে উপভোগ করতে পারি। আমরা এমন একটি দেশ, যেখানে ফলাফলই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। টানা তিনটি ফাইনাল হারার কারণে সেই দলটাকে অনেকেই শুধুই ব্যর্থতার চোখে দেখত। কিন্তু বিশ্বকাপ এবং দু’টি কোপা আমেরিকা জেতার পর মানুষ আমাদের সাফল্যগুলোকেও যথাযথ মর্যাদা দিতে শুরু করেছে।’

পাশাপাশি সমর্থকদের উদ্দেশে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বলেন, ‘আর্জেন্টিনার মানুষকে ধন্যবাদ। তারা এখানে এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, ঠিক যেমন কাতারে দাঁড়িয়েছিল। তাদের সমর্থন সব সময় আমাদের শক্তি জোগায়।’

এটা মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এত বছর পরও তাঁর জয়ের খিদে, লড়াই করার মানসিকতা এবং সেরাটা দেওয়ার ইচ্ছা একটুও কমেনি। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে হাসি-মজা করলেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এখনো নিজেকে প্রতিদিন নতুন করে চ্যালেঞ্জ জানাতে চান। 

মেসি বলেন, ‘আমি শারীরিকভাবে নিজেকে যতটা সম্ভব প্রস্তুত করেছি, যাতে সতীর্থদের সঙ্গে সমান তালে খেলতে পারি। এখন সামনে যা আসবে, তা উপভোগ করতে চাই। আমি এখনো প্রতিযোগিতা করতে ভালোবাসি। নিজেকে আরো উন্নত করার চেষ্টা কখনো বন্ধ করিনি। সব সময় আরো ভালো হওয়ার লক্ষ্য ছিল। মানসিক এবং শারীরিকভাবে ভালো থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জানি টানা দু’বার বিশ্বকাপ জেতা কতটা কঠিন। কিন্তু আমাদের এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে, দলের জন্য সব কিছু উজাড় করে দিতে হবে। তার পর দেখা যাবে ভবিষ্যৎ আমাদের কোথায় নিয়ে যায়।’

প্রথম টি-টুয়েন্টিতে অজিদের কাছে হারল টাইগাররা

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম টি-টুয়েন্টিতে অজিদের কাছে হারল টাইগাররা
ছবি : মীর ফরিদ

তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ১৩১ রানের লক্ষ্য দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। কুপার কনলির ৪৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে জয় তুলে নেন সফরকারীরা।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিং নেন অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ১৯ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৩১ রানের মামুলি সংগ্রহ করেন স্বাগতিকরা।

জবাবে ১৮.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় অজিরা। চার মেরে দলকে জয় এনে দেয় জেভিয়ার বার্টলেট।

ম্যাচের শুরুতে বোলিং করতে নেমে জস ইংলিসকে বোল্ড করে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম। দলীয় ৩৮ রানে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে মিচেল মার্শকে তালুবন্দি করেন শরীফুল। ১৪ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন অজি অধিনায়ক।

আবারও ত্রাতা কুপার কনোলি। টিম ডেভিডকে সঙ্গে নিয়ে দারুণ জুটি গড়েন তিনি। এতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ২৭ বলে ৪৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান দলকে। 

তবে ফিফটি মিসের হতাশা নিয়ে ফিরতে হয় কনোলিকে। আর ডেভিডের ব্যাট থেকে এসেছে ১৬ বলে ২০ রান।

শেষের দিকে অবশ্য একটু বিপাকে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে ম্যাট রেনশ ও নিখিল চৌধুরীর ব্যাটে জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ২৮ বলে ১৮ রান করেন রেনশ, আর নিখিল করেছেন ১৩ বলে ১৮ রান। 

শরীফ, মুস্তাফিজ, মেহেদী ও রিসাদ নেন একটি করে উইকেট। দুই ইউকেট নেন আব্দুল গাফফার।

এদিকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন শেখ মেহেদী হাসান। এ ছাড়া সাইফ হাসান করেছেন ২০ রান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন জোয়েল ডেভিস এবং অ্যাডাম জাম্পা।