• ই-পেপার

ছাত্রদল সভাপতি থেকে প্রতিমন্ত্রী রাজীব

আমতলীতে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
আমতলীতে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

বরগুনার আমতলীতে একটি ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চিলা (ছোনাউঠা) গ্রামের হিন্দুপাড়ার মুকুন্দ বাইনের ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারী (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।

সুরতহাল রিপোর্ট শেষে বিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ বলেন, নিহত নারীকে এলাকার কেউ চিনতে পারেনি। তিনি কিভাবে এখানে এসেছেন, তা-ও জানা যায়নি।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাৎ মোহাম্মদ হাচনাইন পারভেজ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। নারীর পরিচয় শনাক্তে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

সিএএফের সংবাদ সম্মেলন

উপকূলের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দাবি

খুলনা অফিস
উপকূলের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দাবি
খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ূন কবির বালু মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (সিএএফ) জেলা কমিটি। ছবি: কালের কণ্ঠ

উপকূলের পরিবেশগত সংকট নিরসন ও সেখানকার অধিবাসীদের রক্ষা জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা দাবি জানিয়েছে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (সিএএফ)। একই সঙ্গে  জলবায়ু খাতে গত ১০ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ও বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ূন কবির বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের খুলনার জেলা কমিটির নেতারা এসব দাবি জানান। এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক কৌশিক দে।

সংবাদ সম্মেলনে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন; দক্ষিণ-পশ্চিম, মধ্য উপকূল ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের জন্য পৃথক দপ্তর সৃষ্টি;  সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা; জাতীয় বাজেটে আলাদা পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করা; পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন; ব্লু-কার্বন সংরক্ষণ ও কার্বন-ক্রেডিট বিপণনের উদ্যোগ গ্রহণ; টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ; সুপেয় পানি নিশ্চিত করা; ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করে গড়ে তোলাসহ ২১ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জলবায়ু ও পরিবেশ খাতে বরাদ্দ ছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৮.২১ শতাংশ এবং  ২০১৭-১৮ সালে ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৭.৫০ শতাংশ। এভাবে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল ৪১ হাজার ২০০ কোটি ও সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪১ হাজার ২০৯ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের যথাক্রমে ৫.১৭ ও ৫.২১ শতাংশ। অর্থাৎ বাজেটের আকার বাড়লেও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ ও জলবায়ূ খাতে বরাদ্দের হার কমছে। তাই দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার মানুষকে রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগগ্রহণ ও বাজেট বরাদ্দ করতে হবে। অন্যথায় দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জলবায়ুঝুঁকি, দারিদ্র্য ও বিপদাপন্নতার মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলাসহ অন্যান্য উপকূল-সংলগ্ন উপজেলাগুলোতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা ও পরিধি বৃদ্ধি, ক্লাস্টারভিত্তিক বসবাস পরিকল্পনা প্রণয়ন, নদী ও খালগুলো অবিলম্বে ড্রেজিং, কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যকরভাবে সচল, সমুদ্রগামী জেলের বীমাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। 

এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোরামের উপদেষ্টা ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তুহিন রায়, সদস্যসচিব সাংবাদিক উত্তম মণ্ডল, কোস্টাল ভয়েস অব বাংলাদেশ (কব) সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু, সদস্য কাজী শামীম আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, আনিসুর রহমান কবির, আয়শা আক্তার জ্যোতি, বেসরকারি সংস্থা লিডার্সের টিম লিডার শারমিন আরা লিনা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিপ্লব কুণ্ডু, অ্যাডভোকেসি অফিসার বিপাশা অধিকারী, প্রকল্প কর্মকর্তা ইভানা পারভীন প্রমুখ।

পাবনায় টাকা ছাড়াই খাওয়া যাচ্ছে লিচু

প্রবীর সাহা, পাবনা
পাবনায় টাকা ছাড়াই খাওয়া যাচ্ছে লিচু
ছবি : কালের কণ্ঠ

৮ বিঘার জমির ওপর ২০০ লিচু গাছের বাগান। জ্যৈষ্ঠ মাসের রসালো ফল লিচু। গাছে নানা জাতের থোকায় থোকায় ঝুলছে লিচুর। এটি এমন একটি বাগান, যে বাগানের লিচু খেতে লাগে না একটি টাকাও। ইচ্ছামতো লিচু খাওয়া যাবে। এটি পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আলোকদিয়ার গ্রামের কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীমের লিচু বাগানের গল্প। যে গল্প রূপকথার গল্পের মতো।

এলাকাবাসী, হতদরিদ্র, দর্শণার্থী ও বন্ধু-স্বজনদের কথা চিন্তা করেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বাগান মালিক পাবনা শহরের ব্যবসায়ী ও কিমিয়া সেন্টারের স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম। চিকিৎসাসেবা, শিক্ষাবৃত্তি, মেধাবৃত্তি, বৃক্ষরোপণ, কিডনি ও হার্টের চিকিৎসাসেবা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে তিনি এক নামে খ্যাতি কুড়িয়েছেন। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি শহরের প্রাণকেন্দ্র আব্দুল হামিদ সড়কে পাবনা কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃষি বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন।

বাগান পরিচর্যাকারীরা বলছেন, প্রায় দেড় যুগ আগে তিনি পৈত্রিক ও নিজস্ব অর্থে কেনা জমিতে এই লিচুর বাগান করেন। লিচু বাগানের ২০০ এর অধিক গাছে থোকায় থোকায় নানা জাতের লিচুতে পরিপূর্ণতা পায় লিচু বাগান। খাবার উপযোগী হলেই স্থানীয় গ্রামবাসী, আশপাশের লোকজন, দরিদ্র, হতদরিদ্র, বন্ধু-বান্ধব স্বজনরা এসে ইচ্ছামতো বিনা পয়সায় এই লিচু খেতে পারেন। নিজ হাতে লিচু ভেঙে খাওয়া এ যেন এক বিনোদনের আয়োজন। এই বাগানের লিচু কোনো দিন বিক্রি করা হয়নি। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি যেন এই লিচু খেতে পারে এ জন্য বাগান করা হয়েছে উন্মুক্ত। নেই কোনো বাউন্ডারি ওয়াল, সীমানাপ্রাচীর বা কাঁটাতারের বেড়া। খাচা বা নেট ব্যবহার একেবারেই নেই।

00

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই কৃষি উদ্যোক্তা। গ্রামের একপাশে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী। নদীর পাড়ের বিপরীতের খোলা মাঠ। নানা ফসলের সমারোহের মাঝেই গড়ে তুলেছেন এই লিচুর বাগান। সারিবদ্ধ গাছগুলো টসটসে লিচুতে ছেয়ে গেছে। নানা শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ ও শিশুরা আসছেন বিনা পয়সার বাগানে লিচু খেতে। ইচ্ছামতো লিচু খেয়ে পরিবারের জন্য নিয়েও যাচ্ছে অনেকে।

বাগান দর্শনে আসা গণমাধ্যমকর্মী ইয়াদ আলী মৃধা পাভেল বলেন, ‘খবর পেয়ে ছুটে এসেছি স্বচক্ষে এমন উদ্যোগ দেখার জন্য। এসে খুব ভালো লাগছে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায়। মানুষ ইচ্ছা করলেই অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জামাল শামীম।’

আরেক দর্শণার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘সম্মান আর সম্পদ দেওয়ার মালিক আল্লাহ। আর এই বান্দা ইচ্ছে করলেই মানবিক, উদার আর জনবান্ধব হতে পারেন। বর্তমানে কেউ কাউকে ছাড় দেন না। সেখানে কমার্শিয়াল যুগে নিজ খরচে ২০০ গাছের লিচু বিনা পয়সায় খাওয়ার জন্য উন্মুক্ত করা এটা কী ভাষায় প্রকাশ করব ভেবে পাচ্ছি না।’

স্থানীয় স্কুলশিক্ষক রাজু আহমেদ জানান, ‘ভালো কাজে গ্রামকে আলোচিত করতে একজনই যথেষ্ঠ। যার প্রমাণ আমাদের গ্রামের কৃতি সন্তান শামীম। তার এই মহতি উদ্যোগের কারণে গ্রামের অনেক মানুষকে বাজার থেকে লিচু কিনে খেতে হয় না। যাদের লিচু খাওয়ার ইচ্ছে হয় তারা যে কোন সময়ে লিচু খেতে বাগানে চলে আসেন। বাগানে আসতে কোন দরজা পেরোতে হয় না। কারো অনুমতি লাগে না।’

লিচু বাগানের মালিক, কিমিয়া সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোস্তফা জামাল শামীম বলেন, ‘রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না এই লিচু বাগানে। বাগানে দেওয়া হয় না কোনো নেট বা বন্ধনি। মানুষের পাশাপাশি পশুপাখির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এই লিচু বাগান। গ্রামের মানুষের পাশাপাশি ছোট্ট বাচ্চাদের খুশি করতেই এই উদ্যোগ। যেন বাচ্চারা আনন্দের সাথে নিজে হাতে লিচু পেড়ে খেতে পারে। আমি সব সময় বাগানে বা গ্রামে থাকি না। কিন্তু যখন শুনি বাগানে নানা শ্রেণির মানুষ দল বেঁধে এসে লিচু ভেঙে খাচ্ছে শুনেই তৃপ্তি পাই, ভালো লাগে।’ 

11

পাবনা খামার বাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরে আলম উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘দেশের আরো যারা লিচু বাগান মালিক আছেন, তারা যদি এমন উদারতা দেখান তাহলে সাধারণ মানুষ বিনা পয়সায় লিচু খেতে পারবেন। অনেকের ইচ্ছে থাকলেও কেনার সামর্থ্য না থাকায় লিচু খাওয়া থেকে বঞ্চিত হন।’

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মানুষের জন্য মানবিক, মানবতা আর মমত্ববোধের জায়গায় এক অনন্য উদাহরণ কৃষিবিদ তথা কৃষি উদ্যোক্তা মোস্তফা জামাল শামীম। কৃষি উদ্যোক্তা শামীমের মতোই সমাজের আনাচে-কানাচে এমন উদ্যোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তারা।

তহশিলদারদের পজিটিভ ধারণা তৈরি করতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
তহশিলদারদের পজিটিভ ধারণা তৈরি করতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন শেষে স্টল পরিদর্শন করছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের (তহশিলদার) পজিটিভ ইমেজ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আজ মঙ্গলবার সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন শেষে স্টল পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।  

তিনি বলেন, ‘উনাদের বিষয়ে আমার পজিটিভ ধারণা নেই। আমি আশা করব এখান থেকে আপনারা বের হয়ে আসবেন এবং পজিটিভ ধারণা তৈরি করবেন। জীবন একটাই। বেশি সম্পদের মালিক হবেন, সালমান এফ রহমানকে দেখুন কী পরিণতি।’ 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা দেখেছি জমির কাগজ তুলতে গিয়ে মানুষকে কতটা হয়রানি হতে হয়েছে। বাংলাদেশের ৪১ শতাংশ মানুষ ভূমির ওপর নির্ভরশীল। আমাদের সরকার ভূমির সেবাটাকে জনবান্ধব করতে চায়। আর যেন কেউ একজনের জমি আরেকজন দখল করতে না পারে। আগামী দিনে একটা বিষয় আসবে কাগজ যার, দলিল যার জমি তার। আমাদের সন্তানদের যদি এখনি জমিসংক্রান্ত ধারণা দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে জীবন-জীবিকা চলার ক্ষেত্রে তা সহায়ক হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সিফাত ই রাব্বান, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, পঞ্চগড় জজ কোর্টের পিপি মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইনসহ প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ছাত্রদল সভাপতি থেকে প্রতিমন্ত্রী রাজীব | কালের কণ্ঠ