• ই-পেপার

২০০ বছরেও নাটোরের এই গ্রামে ঢোকেনি পুলিশ

তাহিরপুর

শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই অভিযুক্তকে পুলিশে দিল জনতা

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই অভিযুক্তকে পুলিশে দিল জনতা
প্রতীকী ছবি।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের আট বছরের একটি শিশু সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলের এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে গ্রামবাসী।

আটকরা ঘটনার শিকার শিশুটির প্রতিবেশী। 

পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা নেই, মা ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সে তার নানার বাড়িতে থেকে পাশে এনজিও পরিচালিত একটি বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শাখায় পড়ে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে প্রতিবেশী অভিযুক্ত দুই কিশোর শিশুটিকে জোর করে পাশের একটি শৌচাগারে নিয়ে যায়। সেখানে দুইজন  পালাক্রমে ধর্ষণ করে তাকে। একপর্যায়ে শিশুটি রক্তাক্ত হয়ে পড়লে তাকে ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। 

এদিকে, শিশুটি বাড়িতে ফিরে এ ঘটনা জানালে অভিযুক্তদের পরিবার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শিশুটির নানার পরিবার হতদরিদ্র হওয়ায় এলাকার গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু গত দুই দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিষয়টি জানাজানি হয়। শনিবার (৬ জুন) গ্রামের বাসিন্দারা অভিযুক্তদের আটক করে স্থানীয় বাজারে আটকে রাখে। পরে পুলিশের কাছে তাদেরকে তুলে দেওয়া হয়। 

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, দুই দিন আগে এই জঘন্য ঘটনাটি ঘটলেও ধর্ষকদের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় তারা বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করে। কিন্তু শিশুটির রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় ও বিষয়টি  সাংবাদিকদের নজরে আসায় ধর্ষকদের পরিবারের সব অপচেষ্টা ভেস্তে যায়। শনিবার বিকেলে গ্রামের লোকজন দুইজনকে স্থানীয় বাজারে আটকে  রাখে। পরে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয় তাদের।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বয়সও কম। তিনি জানান, শিশুটির নানি থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর  আটক দুই কিশোরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

দামুড়হুদা সীমান্তে মাদকের বড় চালান জব্দ

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
দামুড়হুদা সীমান্তে মাদকের বড় চালান জব্দ
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার সীমাস্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)। শনি ও রবিবার (৬ ও ৭ জুন) উপজেলার সীমাস্তবর্তী এলাকায় অভিযানে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ব্যাটালিয়নের অধীনস্ত দামুড়হুদা উপজেলার বড়বলদিয়া, সুলতানপুর ও বারাদী বিওপির টহল দল পৃথক অভিযানে ৯ কেজি ৯ গ্রাম ভারতীয় গাঁজা, ১৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৪০৫ পিস ভারতীয় সিলডেনাফিল ট্যাবলেট, ১ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক এবং ১৪ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়। জব্দ মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৯ লাখ ২ হাজার ৬৫০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান আরো জোরদার করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্তকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ফলে মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে।’

কোটালীপাড়া

ভ্যানে বস্তায় নিয়ে যাচ্ছিলেন গাঁজা, পুলিশের তল্লাশিতে আটক চালক

গোপালগঞ্জ ও কোটালীপাড়া প্রতিনিধি
ভ্যানে বস্তায় নিয়ে যাচ্ছিলেন গাঁজা, পুলিশের তল্লাশিতে আটক চালক
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ১০ কেজি গাঁজাসহ লাভলু মুন্সী (৪২) নামে এক ভ্যান চালককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রাম থেকে গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

কোটালীপাড়া থানার এসআই সুব্রত দাস জানান, এক ভ্যানচালক ভ্যানে করে গাঁজা নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে ফুলবাড়ী নামক স্থানে গিয়ে তাকে আটক করি। আটকের পরে তার ভ্যানের ওপরে থাকা বস্তা তল্লাশি করে বস্তাভর্তি ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, আটক লাভলু মুন্সী টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সরইডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল মজিদ মুন্সীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পপাঠানো হয়েছে। আটকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই মামলায় ইয়াদুল সিকদার (৩২) নামে অপর একজনকে আসামি করা হয়েছে।

ফেনীতে মারধরের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনীতে মারধরের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ফেনীতে মারধরের শিকার মো. জসিম উদ্দিন (৩০) মারা গেছেন। রবিবার (৭ জুন) ভোর পৌনে ৪টার দিকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার রনকেলী গ্রামের মৃত তমছির আলীর ছেলে। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বড় মসজিদ এলাকায় তাকে মারধর করা হয় বলে জানানো হয়। শনিবার (৬ জুন) রাত ১১টার দিকে শহরের বড় মসজিদ এলাকা থেকে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি জসিম উদ্দিনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। রবিবার ভোররাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. রোকন উদ দৌলা বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা লোকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

ফেনী মডেল থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ‘পিবিআই ইতিমধ্যে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে। শনিবার রাতে শহরের বড় মসজিদ এলাকায় তার সঙ্গে হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। সেখানে তাকে মারধর করা হয়, তবে সেটি গণপিটুনি নয়। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে জানতে পেরেছি।’