• ই-পেপার

খুলনায় ‘কয়েক মিনিট’ মিছিল দিলেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা

শ্রীমঙ্গলে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গলে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ
সংগৃহীত ছবি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ২০৪ বোতল দেশীয় তৈরি মদসহ অমিত সতনামী (২৫) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার রাধানগর এলাকার চামুং রেস্টুরেন্টের সামনে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ জানায়, নিয়মিত টহলের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি অটোরিকশায় করে মাদক পাচার করা হচ্ছে। খবর পেয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় অটোরিকশাটির গতিরোধ করে।

পরে তল্লাশি চালিয়ে অটোরিকশার পেছনের অংশে থাকা ১৭টি কার্টন থেকে মোট ২০৪ বোতল দেশীয় তৈরি ‘কান্ট্রি লিকার কেরুস’ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মদের মধ্যে ১ লিটারের ১৬৮টি এবং ৫০০ মিলিলিটারের ৩৬টি বোতল রয়েছে। মোট মদের পরিমাণ ১৮৬ লিটার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০ টাকা। এ ঘটনায় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি চালিত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার অমিত সতনামী শ্রীমঙ্গলের জেরিন চা বাগান এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বিক্রির উদ্দেশে মাদক পরিবহনের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শ্রীমঙ্গল থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুনুর রশিদ জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আসামির ১০ বছর কারাদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আসামির ১০ বছর কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। 

সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে ওয়াজ উদ্দিন (৪৮)।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌসুঁলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২১ সালের ২৭ জুন সকালে আসামি ওয়াজ উদ্দিন একটি দোকানে গিয়ে চারটি স্পিড (কোমলপানীয়) কিনে দোকানদারকে এক হাজার টাকার নোট দেন। নোটটি দেখে জাল মনে হলে দোকানদার উপস্থিত লোকজনকে দেখান। তারাও নোটটি জাল বলে সন্দেহ করেন। সঙ্গে সঙ্গে দেলদুয়ার থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ওয়াজ উদ্দিনকে আটক করে। সে সময় তার দেহ তল্লাশি করে আরো চারটি এক হাজার টাকার জাল নোট পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার পশ্চিমপাড়া গ্রামের দোকানদার জয়েন উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ২০২২ সালের ২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। বিচার শেষে আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। 

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই
সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ সরকারের সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে কাঞ্চনাবাদে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

নজরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

পটিয়া পৌর এলাকা

বৃষ্টি কমলেও নামছে না পানি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বৃষ্টি কমলেও নামছে না পানি
ছবি : সংগৃহীত

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকা এখন পানির নিচে। এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। 

এদিকে বৃষ্টি কমে এলেও আক্রান্ত এলাকার পানি নামছে না। এ জন্য পর্যাপ্ত ও কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার অভাবকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শেয়ানপাড়া, গাজীর বাড়ি, মাঝের ঘাটা, চৌধুরী বাড়ি, ছমদ হাজীর বাড়ি, সোনা মিয়া সওদাগরের বাড়ি, সিদ্দিকীয়া আবাসিক এলাকা, বাহুলী, উত্তর গোবিন্দারখীল, গুয়াদণ্ডী ও দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার বাসিন্দারা। 

এসব এলাকায় কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। এতে বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবন্দি। এসব পরিবারের  শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ; কর্মজীবীরা কাজে যেতে পারছেন না। পানিবন্দি মানুষ বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যাও ভুগছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বৃষ্টি হলেও উল্লেখিত এলাকার জলাবদ্ধতা কোনো নতুন সমস্যা নয়। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই অবস্থা সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর ধরে ড্রেনেজব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন এবং পানি প্রবাহের পথ সচল রাখার দাবি জানানো হলেও বাস্তবে কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ড্রেন-খাল দখল এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

গাজী বাড়ির বাসিন্দা গাজী আমির হোসেন বলেন, বৃষ্টি শুরু হলেই আমাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়। ঘরে পানি উঠে যায়, আসবাবপত্র নষ্ট হয়। শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে চরম কষ্টে থাকতে হয়। প্রতিবছর একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।

পৌর বাসিন্দা আবদুস সবুর বলেন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। কিন্তু স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক ড্রেন ও খাল ভরাট, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। 

এ ব্যাপারে পটিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অল্প সময়ে অতিরিক্ত পানি নেমে এসেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে পানি নিষ্কাশনে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া  হচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ রয়েছে।

খুলনায় ‘কয়েক মিনিট’ মিছিল দিলেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা | কালের কণ্ঠ