• ই-পেপার

হাওর রক্ষায় কীটনাশক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মির্জাপুরে বংশাই নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
মির্জাপুরে বংশাই নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বংশাই নদীতে ভেসে আসা অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে মির্জাপুর থানা পুলিশ বংশাই নদীর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন। মৃত ওই যুবকের গলায় রশি বাঁধা ছিলো বলে জানা গেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে বংশাই নদীর উপজেলা সদরের পুষ্টকামুরী পূর্ব পাড়া এলাকায় নির্মিত ‘একাব্বর হোসেন সেতু’র নিচ দেয়ে মরদেহটি ভাটির দিকে যেতে দেখে স্থানীয় লোকজন। পরে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ নদীর ভাটি এলাকায় উদ্ধার কাজ চালান। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত মরদেহটি উদ্ধার করতে না পেরে কাজ সমাপ্ত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে ওই সেতুর নিচে ভাসমান বস্তুর ওপর কাকের আনাগোনা নজরে আসে। পরে তারা সেখান দাঁড়ান। ভাসমান ওই বস্তুটি সেতুর কাছে আসলে মরদেহ নিশ্চিত হন। মরদেহটি মধ্যবয়সী কোনো পুরুষ ব্যক্তির। উজান থেকে স্রোতে ভেসে আসা মরদেহটি হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করেন। মরদেহটি দেখতে পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেন। নদীতে স্রোত থাকায় মরদেহটি দ্রুত ভাটিতে ভেসে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটির অবস্থান নিশ্চিত এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।

মির্জাপুর থানার এসআই হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্যে বংশাই নদীর বেলতৈল এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার গলায় রশি বাঁধা ছিল। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার পরিচয় নিশ্চিত হতে পুলিশ কাজ করছে।

সাভারে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
সাভারে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রিজভী
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার সাভারে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ এবং ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে অ্যাগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) উদ্যোগে প্রথমে দেশব্যাপী ৫ লাখ বৃক্ষরোপণ, এরপর ডেইরি ফার্ম উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি কর্মসূচি-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ্যাবের আহ্বায়ক কৃষিবিদ ড. কামরুজ্জামান কায়সারের সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বিএমডিএ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বাবুল। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন এ্যাবের সদস্যসচিব কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লব।

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এই কর্মসূচি দেশব্যাপী সবুজায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয়। সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে অ্যাগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ্যাবের উদ্যোগে শুরু হলো পাঁচ বছরমেয়াদি বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
 

কুমিল্লায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

তিতাস-হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
কুমিল্লায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার তিতাসে ১৯ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. এলেমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার উত্তর আকালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. এলেম দীর্ঘদিন ধরে বড় মেয়ের প্রতি অশালীন আচরণ ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। গত ১০ মে গর্ভে থাকা সন্তান প্রসবের জন্য ভুক্তভোগীর মা তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। এই সুযোগে বাড়িতে একা থাকা ১৯ বছর বয়সী মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে হাসপাতাল থেকে ফিরে মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার পর পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত তার আচরণ পরিবর্তন করেননি। গত ১ জুলাই রাতে তিনি আবারও মেয়ের কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান। পরে স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে ভুক্তভোগীর মা তিতাস থানায় মামলা করেন।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, সোমবার রাতে বাতাকান্দি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

ওসি জানান, ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

সিসিটিভিতে দেখে চোর সনাক্ত

মেহেরপুর প্রতিনিধি
মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা মাঝের গ্রামে প্রায় ২৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় চুরি হওয়া অধিকাংশ স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,  প্রবাসী শাহীনের নির্মাণাধীন বাড়িতে টাইলসের কাজ চলছিল। বাড়িতে বাইরের শ্রমিক থাকায় নিজের ও দুই মেয়ের ব্যবহৃত প্রায় ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার (যার আনুমানিক মূল্য ২৯ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা) একটি প্লাস্টিকের পাত্রে রেখে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় বাড়ির উঠানে দরজার সিঁড়ির পাশে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখেন তারা বাবা। গত ৫ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টাইলস মিস্ত্রিরা চলে যাওয়ার পর মাটি খোঁড়া দেখতে পেয়ে সেখানে রাখা স্বর্ণালংকার আর খুঁজে পাননি। পরে বিষয়টি কুয়েতপ্রবাসী ছেলে শাহীনকে জানালে তিনি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখেন, টাইলসের কাজ করা দুই মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে নিজেদের মধ্যে কথা বলে সেগুলো নিয়ে বাড়ির পেছনের দিকে চলে যায়।

সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্থানীয়রা অভিযুক্ত দুই মিস্ত্রি মোমিন খান (৩৬), কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের বাসিন্দা এবং একই এলাকার মো. আলালকে (২২) শনাক্ত করেন। পরে গাংনী থানা ও বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে মো. আলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার কলেজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি মোমিন খানের শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি যাওয়া ২টি নেকলেস, ৩ জোড়া কানের দুল, ১টি বেসলেট, ৩টি চেইন, ১টি লকেট, ৭টি বালা ও ১টি বেঙ্গল বালা উদ্ধার করা হয়।

গাংনী থানার ওসি মুহাম্মদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, চুরির ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত চোরচক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।