• ই-পেপার

বিদ্যুৎকেন্দ্রের কালিতে বিপর্যস্ত জনজীবন, প্রতিবাদে বিক্ষোভ

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসাচাপা পড়ে বহু সংখ্যক রোহিঙ্গা শিশু আটকা পড়েছে। বুধবার বিকেল পৌনে ৩টা পর্যন্ত সময়ে ৭ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী মাটির নিচে চাপা পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা।

বিস্তারিত আসছে..।

অটোরিকশায় গাছের ডাল পড়ে চালকের মৃত্যু

অল্পের জন্য রক্ষা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
অটোরিকশায় গাছের ডাল পড়ে চালকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের পীরগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে গাছের ডাল পড়ে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে পীরগঞ্জ-নবাবগঞ্জ সড়কের টিউমারী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল গফুর মিয়া (৫৫) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ভোটারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইয়াকুর আলীর ছেলে।

স্থানীয় জানায়, সকালে কয়েকজন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে অটোরিকশায় করে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল গফুর মিয়া। পথে টিউমারী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি গাছের ডাল ভেঙে অটোরিকশার ওপর পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তবে অটোরিকশায় থাকা পরীক্ষার্থীরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেন।

পীরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) তাজুল ইসলাম বলেন, গাছের ডাল ভেঙে পড়ে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশা চালকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

৭ দিন ধরে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সন্দ্বীপ

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
৭ দিন ধরে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সন্দ্বীপ
ছবি : কালের কণ্ঠ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও নিম্নচাপের প্রভাবে টানা সাত দিন ধরে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ। বৈরী আবহাওয়ায় সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর থেকে সন্দ্বীপের সঙ্গে সব ধরনের নৌযোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

সপ্তাহ ধরে সব ধরনের নৌযান বন্ধ থাকায় আটকে আছেন সন্দ্বীপ চ্যানেলের চট্টগ্রাম টু সন্দ্বীপ রুটের কয়েক হাজার যাত্রী এবং ফেরিঘাটে অসংখ্য পণ্যবাহী গাড়ি। ফলে জরুরি রোগী, প্রবাসী যাত্রী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ সাধারণ যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ফেরি বন্ধ থাকায় পন্য সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো দ্বীপের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্দ্বীপ চ্যানেলের কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে সীমিত পরিসরে স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল করলেও আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ায় পরবর্তীতে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। রবিবার (৫ জুলাই) সাপ্তাহিক কর্মদিবসের প্রথম দিন থাকলেও নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় ছুটিতে বাড়ি আসা বহু চাকরিজীবী এখনো কর্মস্থলে যোগ দিতে পারেননি। নৌযোগাযোগ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন জরুরি চিকিৎসার জন্য শহরে যেতে চাওয়া রোগীরা। এ ছাড়া প্রবাসগামীদের যাত্রীদের ছুটি ও ভিসার মেয়াদ নিয়ে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে সন্দ্বীপ চ্যানেলের বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছড়া রুটে ফেরি ‘কপোতাক্ষ’ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে কুমিরা ও গুপ্তছড়া—উভয় ঘাটে আটকা পড়েছে শতাধিক পণ্যবাহী গাড়ী। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে ঘাটে আটকে থাকায় অনেক গাড়ির কাঁচামাল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এদিকে ফেরিঘাটে ভালো কোনো রেস্তোরাঁ, ওয়াশরুম কিংবা গোসলের ব্যবস্থা না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন আটকে পড়া দূর-দূরান্তের গাড়িচালক ও শ্রমিকরা। তারা জানান, এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে দিন কাটাতে গিয়ে তারা হাঁপিয়ে উঠেছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর এখনো উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি কখন স্বাভাবিক হবে এবং কখন নৌযান চলাচল শুরু করা যাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত পূর্বাভাস দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দ্বীপে যাতায়াতের এই অনিশ্চয়তা কাটছে না।

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার আহ্বান চসিক মেয়রের

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার আহ্বান চসিক মেয়রের
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে নিহতের ঘটনায় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আবারও নগরবাসীকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নগরীর চশমাহিল এলাকায় পাহাড়ধসে নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চসিক মেয়র। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বারবার মাইকিং, প্রচার-প্রচারণা ও সরাসরি অনুরোধ করে আসছে। এর পরও অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে অবস্থান করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাময়িক কষ্ট হলেও সবাইকে নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পাহাড়ধসের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করা উচিত নয়। আবহাওয়া অনুকূলে না আসা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সব সময় তাদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’

বিদ্যুৎকেন্দ্রের কালিতে বিপর্যস্ত জনজীবন, প্রতিবাদে বিক্ষোভ | কালের কণ্ঠ