• ই-পেপার

কারাগারে আসামির ছবি ফেসবুকে, কারারক্ষী বরখাস্ত

ঝিনাইদহে রাতের আঁধারে প্রতিবন্ধী কৃষকের শতাধিক লাউ গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে রাতের আঁধারে প্রতিবন্ধী কৃষকের শতাধিক লাউ গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় দুর্বৃত্তদের কাটা লাউ গাছের মাচার নিচে গালে হাত দিয়ে বসে আছেন প্রতিবন্ধী কৃষক আলমগীর হোসেন।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় প্রতিবন্ধী কৃষক আলমগীর হোসেনের এক বিঘা জমির ১০০ ধরন্ত লাউ গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার গোকুলনগর উত্তর পাড়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ৩৩ শতক জমিতে লাউ চাষ করা কৃষক আলমগীর এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কৃষক আলমগীর হোসেন ৩৩ শতক লাউ ক্ষেতের ১০০ গাছের প্রতিটির ডগায় ডগায় কচি লাউ ঝুলছে। কিছুদিন পর এসব লাউ বাজারে বিক্রি হতো কয়েক লাখ টাকায়।

প্রতিবন্ধী কৃষক আলমগীর হোসেন জানান, দুই মাস আগে এক বিঘা জমিতে শতাধিক লাউ গাছ লাগান তিনি। গত ২৪ দিনে প্রায় ৫০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছেন। শত্রুতা করে কে বা কারা আমার ধরন্ত লাউ গাছ কেটে দিয়েছে। আমার একটি হাত অচল সংসার চালাবো কি দিয়ে। আমি সঠিক বিচার চাই।’ 

স্থানীয় হারুন আর রশিদ বলেন, ‘মানুষ কিভাবে একজন প্রতিবন্ধী কৃষকের ফসলের ক্ষতি করতে পারে। এ ঘটনায় দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। 

শৈল কুপা উপজেলার তমালতলা পুলিশ ক্যাম্পের এস আই শামিনুর রহমান বলেন, ‘লাউ গাছ কেটে দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

কবর থেকে একসঙ্গে ৯ কঙ্কাল উধাও, এলাকায় চাঞ্চল্য

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
কবর থেকে একসঙ্গে ৯ কঙ্কাল উধাও, এলাকায় চাঞ্চল্য
ছবি: কালের কণ্ঠ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর কবরস্থান থেকে ৯টি কঙ্কাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

বুধবার (১৬ জুলাই) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের টেকিবাড়ি-চানপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে কঙ্কালগুলো চুরি হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের টেকিবাড়ি-চানপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে বুধবার রাতের কোনো এক সময় কবরস্থানের মাটি খুঁড়ে ৯টি কঙ্কাল চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

সূত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলাইমান মিন্টু বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্স-বাস সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্স-বাস সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪
সংগৃহীত ছবি

পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ জনে।

মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গুরুতর আহত শিশু নাফিস (৭)-কে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।

এর আগে রাজশাহী নেওয়ার পথে নাটোরে পৌঁছার পর সকাল ১১টার দিকে ছলিম প্রামাণিক (৬৫) নামের একজন মারা যান। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামাণিকের ছেলে। এর আগে সকালে দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুল্যান্স চালক পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (২৮)।

এ ঘটনায় আহত দুজন ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের লাশ নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুল্যান্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গীর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অ্যাম্বুল্যান্সটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুল্যান্সচালক রাজ শেখ এবং লাশের সঙ্গে থাকা শিশু কেয়ার নানি বুলু খাতুন নিহত হন। এ সময় আরো চারজন গুরুতর আহত হয়।

খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা নিহতদের লাশ উদ্ধার করে এবং আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অ্যাম্বুল্যান্স জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

নিখোঁজের এক দিন পর ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের এক দিন পর ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিখোঁজের এক দিন পর পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মোহাম্মদ সাঈদ (৬) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১০টার দিকে উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশটি উদ্ধার করেন।

নিহত সাঈদ ওই এলাকার মো. আবদুর রহিমের ছেলে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বাবা-মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে থাকা অবস্থায় সাঈদ নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে মাইকে নিখোঁজের ঘোষণা দেন।

পরে বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী দল স্থানীয় আবদুল গফুরের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

পরে লাশটি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আবদুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে আসামির ছবি ফেসবুকে, কারারক্ষী বরখাস্ত | কালের কণ্ঠ