• ই-পেপার

স্মরণকালের বন্যা, চকরিয়ায় পানিবন্দি পাঁচ লাখ মানুষ

সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ নৌ রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ নৌ রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ
সংগৃহীত ছবি

কারিগরি ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ নৌ রুটে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। এর ফলে নৌপথে চলাচলকারী হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

সাগরে সতর্ক সংকেতের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকার পর গত ১০ জুন নৌ রুটে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হয়। তবে জাহাজের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও চলাচল বন্ধ 
ঘোষণা করা হয়।

আজ সকালে নির্ধারিত সময়েও সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাট থেকে যাত্রীবাহী জাহাজ এমভি মালঞ্চ ছেড়ে যায়নি। যাত্রা বাতিল করে জাহাজটি ঘাটে রেখে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এমভি মালঞ্চের মাস্টার আমির হোসেন বলেন, ‘জাহাজের গিয়ারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আজকের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে। তবে কবে নাগাদ জাহাজটি পুনরায় চলাচল শুরু করতে পারবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।’

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছড়া নৌরুটে জাহাজের পাশাপাশি ফেরির মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পরিবহন করা হয়। এছাড়া কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে স্পিডবোট ও ট্রলারের মাধ্যমেও যাত্রী পারাপার হয়ে থাকে। তবে বর্ষা মৌসুমে উত্তাল সাগর ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্পিডবোট ও ট্রলারে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে অধিকাংশ যাত্রী নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াতের জন্য জাহাজ এবং ফেরির ওপর নির্ভরশীল।

যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরিতে যানবাহন পরিবহনের কারণে যাত্রী ওঠানামায় বিলম্ব ঘটে এবং অনেক সময় নির্ধারিত সময়সূচিও ঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় না। এ কারণে জাহাজে যাতায়াতকেই তারা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধাজনক ও নিরাপদ বলে মনে করেন।

এদিকে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্ষার এই বৈরী মৌসুমে সন্দ্বীপ-সীতাকুণ্ড নৌপথে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জাহাজটির মেরামত সম্পন্ন করে নৌপথে স্বাভাবিক যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

শূন্যরেখায় আটকা পড়া সেই বৃদ্ধকে উদ্ধার, মিলেছে পরিচয়

জামালপুর প্রতিনিধি
শূন্যরেখায় আটকা পড়া সেই বৃদ্ধকে উদ্ধার, মিলেছে পরিচয়
সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করা সেই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে। ওই বৃদ্ধ বাংলাদেশি এবং মিলেছে পরিচয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের সামনে শূন্যরেখা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া বৃদ্ধের নাম ষষ্টি চন্দ্র বর্মণ। তিনি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই গ্রামের বাসিন্দা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে তিনি সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিলেন। শূন্যরেখায় অবস্থান করার সময়ে ওই বৃদ্ধ বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিজিবি তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।

এর আগে বুধবার ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে কামালপুর সীমান্তে স্থানীয় বাসিন্দা, বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মধ্যে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিল উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ‘বিজিবি সীমান্ত থেকে এক বৃদ্ধকে থানায় নিয়ে এসেছে। তার স্বজনরা রাজশাহী থেকে ইতোমধ্যে রওনা দিয়েছেন। তার স্বজনরা এলে যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জামালপুর

শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে সেই বৃদ্ধ, মিলল পরিচয়

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে সেই বৃদ্ধ, মিলল পরিচয়
সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের কথিত পুশইনের ঘটনায় আলোচিত বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারের সামনে শূন্যরেখা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাকে বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া বৃদ্ধের নাম ষষ্টি চন্দ্র বর্মন। তিনি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চাঁন্দলাই গ্রামের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশের নাগরিক। গত প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে তিনি সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

এর আগে কামালপুর সীমান্তে ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা, বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সীমান্তজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম নেয়।

বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. মকবুল হোসেন বলেন, ‘বৃদ্ধকে থানায় আনা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে মারল মাদক কারবারিরা

অনলাইন ডেস্ক
নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে মারল মাদক কারবারিরা

নোয়াখালীর সেনবাগে মাদক কারবারিদের হামলায় আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৫) নামের দশম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৪ জন। গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবীসিংহপুর গ্রামে আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাহিম পাশ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। সে স্থানীয় পৌর হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। ফাহিম সেনবাগে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত ফাহিমের নানার বাড়ি আঞ্জু মিয়াজী বাড়ির উঠান ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মাদক ব্যবসা করে আসছে পার্শ্ববর্তী হারুনসহ তার লোকজন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হারুন ও তার লোকজন ওই বাড়ির পাশে মাদক সেবন করছিল। এ সময় তাদের ধাওয়া দিলে তারা প্রথমে পালিয়ে যান। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী হারুন, মমিন ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান। একপর্যায়ে বাড়ির লোকজনও মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় অন্ধকারে মাদক কারবারিদের ছুরিকাঘাতে ফাহিম, শাকিব, রিফাত এবং মাদক ব্যবসায়ী হারুনসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়। এর মধ্যে ফাহিম,  শাকিব ও রিফাতকে উদ্ধার করে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে হারুনকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সেনবাগ থানার ডিউটি অফিসার শিমুল স্কুল ছাত্র ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক কারবারিদের হামলায় ওই ছাত্র নিহত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। খবর পেয়ে সেনবাগ থাকার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হারুন নামে একজনকে আটক করে।

স্মরণকালের বন্যা, চকরিয়ায় পানিবন্দি পাঁচ লাখ মানুষ | কালের কণ্ঠ