• ই-পেপার

যাত্রীর ফেলে যাওয়া ২০ লাখ টাকা ফেরত দিল দোয়েল পরিবহন

নেত্রকোনা

আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে তরুণের মৃত্যু

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে তরুণের মৃত্যু
নিহত দীপ্ত চৌধুরী

নেত্রকোনা পৌর শহরে আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দীপ্ত চৌধুরী (২৩) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে শহরের শহীদ মিনার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত দীপ্ত চৌধুরী পৌর শহরের মালনী এলাকার বাসিন্দা বাদল চৌধুরী ও শিউলী রানী রায়ের একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পরপরই এলাকাবাসী বিজয় মিছিল বের করে। মিছিলের ছবি ও ভিডিও করার উদ্দেশ্যে দীপ্ত শহীদ মিনার মোড়ে অবস্থিত একটি সিঙ্গার শোরুমের দ্বিতীয় তলায় ওঠেন। ভিডিও করার একপর্যায়ে পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মামা সুব্রত রায় টিটু জানান, বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে দীপ্ত একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠেছিলেন। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। পরে তার বন্ধুরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

বাসস
সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

রাঙ্গামাটি জেলায় অব্যাহত টানা ভারি বর্ষণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে বন্ধ থাকা রাঙামাটির সাজেক ভ্যালিসহ সব পর্যটনকেন্দ্র আবারও উন্মুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, বর্তমান বর্ষা মৌসুমে চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং সকলকে সময়ে সময়ে জেলা প্রশাসনের জারিকৃত নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই আবহাওয়া পরিস্থিতির পূর্বাভাসের পরিপ্রেক্ষিতে এবং রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় অব্যাহত ভারি বর্ষণের কারণে বিভিন্নস্থানে ভূমিধস ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাঙামাটি পার্বত্য জেলাধীন বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রায় ৯ দিন পর আবারও জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় সকলের জন্য উন্মুক্ত হলো সাজেক ভ্যালিসহ উপজেলার সব পর্যটন স্পট।

লক্ষ্মীপুর

পিটিয়ে জখমের পর প্রবাসীকে ঘরে আটকে রাখেন স্ত্রী-সন্তানরা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
পিটিয়ে জখমের পর প্রবাসীকে ঘরে আটকে রাখেন স্ত্রী-সন্তানরা
সংগৃহীত ছবি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আব্দুল মান্নান নামে এক প্রবাসীকে পিটিয়ে আহত করার পর ৫ দিন ধরে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।  এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে রায়পুর থানায় মান্নানের ভাই সেলিম বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

অভিযুক্তরা হলেন– ভিকটিম মান্নানের ছেলে পারভেজ, মাহাজ, শ্যালক ফয়েজ ও স্ত্রী পারভীন বেগম। ভিকটিম ও অভিযুক্তরা উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের উত্তর কেরোয়া গ্রামের বাসিন্দা। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের সঙ্গে ভিকটিম মান্নানের পারিবারিক ও অর্থ সম্পদ নিয়ে দন্দ্বে তারা প্রায় তাকে ভয়ভীতি দেখাতো। ১০ জুলাই রাতে অর্থসম্পদের লোভে জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এতে তার মাথার বাম পাশে ও নাক ফেটে যায়। তাকে চিকিৎসা না দিয়ে ঘরে আটকে রাখা হয়। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর ভাই সেলিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করলে ঢাকায় আছে বলে জানায় অভিযুক্তরা। তবে ওই বাড়িতেই আছে বলে জানায় স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মান্নানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার মাথার বাম পাশে ৪ টি সেলাই ও নাকে ৩ টি সেলায় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মো. সেলিম বলেন, ‘মান্নান আমার বড় ভাই। তিনি প্রায় ৩০ বছর প্রবাসে ছিলেন। তার অর্থসম্পদ রয়েছে। এই অর্থসম্পদের লোভেই স্ত্রী, শ্যালক ও সন্তানরা তাকে পিটিয়ে আহত করেছে। চিকিৎসা না দিয়ে তাকে ঘরে আটকে রেখেছে। আমি না আসলে তারা আমার ভাইকে মেরে ফেলতো। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
 

পাবনা

একটি নয়, বাড়িতে এলো তিনটি মরদেহ

পাবনা প্রতিনিধি
একটি নয়, বাড়িতে এলো তিনটি মরদেহ

নাতনির মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে ফিরছিলেন নানি। কিন্তু বাসায় আসলেন নিজেও লাশ হয়ে। ফেরার পথে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী এলাকায় বাসের ধাক্কায় নানিসহ দুইজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চারজন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ) সকাল ৮ টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন নানি বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুলেন্স চালক রাজ মিয়া (২৬)। মৃত নাতনি কেয়া খাতুন পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিকের স্ত্রী। নিহত চালক রাজের কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া নামের মেয়ে মারা যায়। তার স্বজনেরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে মৃতদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনায় নিজ বাড়িতে নিয়ে আসছিল। পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের চাকা ফেটে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে আঘাত করে। ধাক্কায় অ্যাম্বুলেন্সের চালক রাজ ও মৃত কেয়ার নানি বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি জানান, পুলিশ ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছে এবং নিহতদের লাশ পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

যাত্রীর ফেলে যাওয়া ২০ লাখ টাকা ফেরত দিল দোয়েল পরিবহন | কালের কণ্ঠ