• ই-পেপার

সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে
সংগৃহীত ছবি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে। রাতের আঁধারে রাস্তা নির্মাণের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
 
নুরুজ্জামান কাফি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রজপাড়া মৌজার জেএল নম্বর-৯-এর বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানে খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমি রয়েছে। এসব জমি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভোগদখল করে আসছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল করা হয়।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহে ওই জমির মধ্যে ৬ লেন সড়কের উত্তর পাশে প্রায় ৬ শতাংশ জমি দখল করে কাফি রাস্তা নির্মাণ করেন। ওই জমির পাশেই কাফির মালিকানাধীন জমি রয়েছে। সেখানে যাতায়াতের পথ না থাকায় তিনি রাস্তা নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ কর্তৃপক্ষের।

কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম বলেন, ‘রাতের আধারে নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ শতাংশ অংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। তার দাবি, বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান ছিল সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানদের সঙ্গে। তারা উচ্চ আদালতের রায় পেয়েছে। তবে ওই দায়ের বিরুদ্ধে আমরা রিভিউ করেছি যা এখনো চলমান। তার মধ্যেই নুরুজ্জামান কাফি ছয় শতাংশ জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি। তিনি দাবি করেছেন, স্থানীয় সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না করেছেন। ওই জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হলে সেখানে তিনি রাস্তা নির্মাণ করেন।

এ বিষয়ে নুরুজ্জামান কাফি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পেছনে আমি একটি জমি ক্রয় করেছিলাম। সেখানে আমার যাতায়াতের কোন পথ ছিল না। প্রধান শিক্ষককে বলেছিলাম আমাকে যাতায়াতের পথ দেয়ার জন্য তবে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। জমিটি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানদের মামলা চলছিল। ওই মামলায় তারা উচ্চ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি মৌখিক বায়না করি। তারা আমাকে ৬ শতক জমি বুঝিয়ে দিলে আমি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করি। এখানে দখলের কোন বিষয় নেই।

এ বিষয়ে সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান বলেন, তার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলছিল। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মালিকানা দাবি করলেও আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে পটুয়াখালী আদালত এবং ২০২৫ সালের জুনে সুপ্রিম কোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দেন। তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে নুরুজ্জামান কাফির যাতায়াতের জন্য ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তিনি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেন। 

কলাপাড়া থানার উপ পরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, ‘নুরুজ্জামান কাফিকে জমিটিতে রাস্তা নির্মাণের জন্য আমরা নিষেধ করেছি। কিন্তু তা উপেক্ষা করে রাতের আঁধারের রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছে।’

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের দখলে দীর্ঘদিন জমিটি ছিল। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ দিয়েছে। উচ্চ আদালতের রায়ের উপর ভিত্তি করে নুরুজুজ্জামান কাফি রাস্তা নির্মাণ করছেন। তবে ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ রিভিউ করেছেন। রিভিউ চলাকালীন সময়ে কোন জমি দখল করা যায় না। আমরা এ বিষয়ে নুরুজ্জামান কাফিকে নোটিশ প্রদান করব।’

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, ওসিসহ আহত ২

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, ওসিসহ আহত ২
ভাঙচুর করা পুলিশের ক্ষতিগ্রস্থ গাড়ি। ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার সুজানগরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুজানগর থানার ওসি ও এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মথুরাপুরের দোপপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। আহতরা হলেন- সুজানগর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন ও কনস্টেবল সবুজ। আহতরা স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনার খেলা ছিল। ফলে ভোররাত অবধি অন্যান্য এলাকার মতো সুজানগরের মথুরাপুরেও বিশ্বকাপ উন্মাদনা ও আমেজ ছিল। একে ব্যবহার করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা শাখাসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিল বা নাশকতার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে গোপন সংবাদ পায় পুলিশ।

পরে দুটি গাড়িতে পুলিশের টহল টিম মথুরাপুরের দোপপাড়া এলাকায় গেলে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ওই দলের কয়েক শ কর্মী সমর্থক পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং দুজন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল ওহাব উপস্থিতিতে এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি পুলিশের। 

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, দুটি গাড়িতে ১০-১৫ জন পুলিশ সদস্যের একটি টহল টিম ঘটনাস্থেল যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা শতাধিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ করেন। পুলিশকে দেখামাত্রই স্থানীয় মসজিদে ঘোষণা দেওয়া হয়। তখন আরো কয়েক শ কর্মী সমর্থক এতে যুক্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। 

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল ওহাব বলেন, ‘আমি জেলার বাইরে থাকি। পুলিশের তাণ্ডবে এলাকাতে যেতে পারি না। সেখানে আমি থাকলাম কিভাবে! যতটুকু জেনেছি, রাতে খেলা দেখার পর ওই এলাকায় ছেলে-পেলেরা খিচুরি খাওয়া-দাওয়া করছিল। এ সময় পুলিশ গিয়ে ১০/১৫ জনকে আটক করে। তখন ওই এলাকার মানুষ, এমনকি মহিলারাও নাকি বেরিয়ে এসে আটকদের ছাড়িয়ে নেন। এ সময় নাকি পুলিশের গাড়িতে বারি-টারি দিছে, দুজন আহত হইছে বলে শুনলাম।’

পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, ‘হামলা চালিয়ে ওসিসহ দুজনকে আহত করা হয়েছে। তারা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

নেত্রকোনা

আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু
নিহত দীপ্ত চৌধুরী

নেত্রকোনা পৌর শহরে আর্জেন্টিনার বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দীপ্ত চৌধুরী (২৩) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে শহরের শহীদ মিনার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত দীপ্ত চৌধুরী পৌর শহরের মালনী এলাকার বাসিন্দা বাদল চৌধুরী ও শিউলী রানী রায়ের একমাত্র ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পরপরই এলাকাবাসী বিজয় মিছিল বের করে। মিছিলের ছবি ও ভিডিও করার উদ্দেশ্যে দীপ্ত শহীদ মিনার মোড়ে অবস্থিত একটি সিঙ্গার শোরুমের দ্বিতীয় তলায় ওঠেন। ভিডিও করার একপর্যায়ে পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মামা সুব্রত রায় টিটু জানান, বিজয় মিছিলের ভিডিও করতে দীপ্ত একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠেছিলেন। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। পরে তার বন্ধুরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোনা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

লক্ষ্মীপুর

পিটিয়ে জখমের পর প্রবাসীকে ঘরে আটকে রাখেন স্ত্রী-সন্তানরা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
পিটিয়ে জখমের পর প্রবাসীকে ঘরে আটকে রাখেন স্ত্রী-সন্তানরা
সংগৃহীত ছবি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আব্দুল মান্নান নামে এক প্রবাসীকে পিটিয়ে আহত করার পর ৫ দিন ধরে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।  এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে রায়পুর থানায় মান্নানের ভাই সেলিম বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

অভিযুক্তরা হলেন– ভিকটিম মান্নানের ছেলে পারভেজ, মাহাজ, শ্যালক ফয়েজ ও স্ত্রী পারভীন বেগম। ভিকটিম ও অভিযুক্তরা উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের উত্তর কেরোয়া গ্রামের বাসিন্দা। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের সঙ্গে ভিকটিম মান্নানের পারিবারিক ও অর্থ সম্পদ নিয়ে দন্দ্বে তারা প্রায় তাকে ভয়ভীতি দেখাতো। ১০ জুলাই রাতে অর্থসম্পদের লোভে জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এতে তার মাথার বাম পাশে ও নাক ফেটে যায়। তাকে চিকিৎসা না দিয়ে ঘরে আটকে রাখা হয়। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর ভাই সেলিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করলে ঢাকায় আছে বলে জানায় অভিযুক্তরা। তবে ওই বাড়িতেই আছে বলে জানায় স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মান্নানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার মাথার বাম পাশে ৪ টি সেলাই ও নাকে ৩ টি সেলায় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মো. সেলিম বলেন, ‘মান্নান আমার বড় ভাই। তিনি প্রায় ৩০ বছর প্রবাসে ছিলেন। তার অর্থসম্পদ রয়েছে। এই অর্থসম্পদের লোভেই স্ত্রী, শ্যালক ও সন্তানরা তাকে পিটিয়ে আহত করেছে। চিকিৎসা না দিয়ে তাকে ঘরে আটকে রেখেছে। আমি না আসলে তারা আমার ভাইকে মেরে ফেলতো। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’