• ই-পেপার

শাহ আমানতে বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক

শিক্ষামন্ত্রীকে ১৮ জুলাই নওগাঁয় ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি

নওগাঁ প্রতিনিধি
শিক্ষামন্ত্রীকে ১৮ জুলাই নওগাঁয় ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি
ছবি: কালের কণ্ঠ

আগামী ১৮ জুলাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা শিক্ষাভবনের সামনে ঘণ্টাব্যাপী করা মানববন্ধনে এই হুঁশিয়ারি দেয় তারা।  

মানববন্ধনে দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখা এবং বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষাগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতসহ সকল দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। দাবি না মানলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেয় তারা।

লালপুর শ্রী সুন্দরী বিদ্যালয়

বয়স ১৫৯ বছর, এখনো হয়নি জাতীয়করণ

আব্দুল জব্বার সুজন, লালপুর (নাটোর)
বয়স ১৫৯ বছর, এখনো হয়নি জাতীয়করণ
নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

১৫৯ বছর ধরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। আজও জাতীয়করণের বাইরে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

ঐতিহ্য, ধারাবাহিক সাফল্য এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ না হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যে, ‘এটি এখন লালপুরবাসীর প্রাণের দাবি’।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ১৮৬৭ সালে পুঠিয়ার মহারাণী শরৎ সুন্দরী দেবী ‘শরৎ সুন্দরী মধ্য ইংরেজি স্কুল’ নামে লালপুরে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৩৫ সালে ‘চন্দ্রনাথ মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়’ এবং সর্বশেষ ১৯৪১ সালে ‘শ্রী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করে।

১৯৩১ সালের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিন বছরের মাথায় ১৯৩৪ সালে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়। তবে স্থানীয় জমিদার ও শিক্ষানুরাগীদের চেষ্টায় ১৯৩৬ সালে পুনরায় পাঠদান শুরু হয় প্রতিষ্ঠানটিতে। ১৯৪৮ সালে মূল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা আরো শক্তিশালী হয়।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে পাইলট স্কিমভুক্ত এবং ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতির অনুদান লাভ করে বিদ্যালয়টি। পরে ১৯৯৬ সালে এসএসসি (ভোকেশনাল), ২০০১ সালে এইচএসসি (বিএম) এবং ২০১২ সালে মডেল প্রকল্পভুক্ত হলে এর  অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়।

শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া ক্ষেত্রেও বিদ্যালয়টির রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিক ভালো ফল ছাড়াও ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, স্কাউট ও বিএনসিসি কার্যক্রমে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। 

মহান মুক্তিযুদ্ধেও এ প্রতিষ্ঠানের ৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, যাদের মধ্যে অনেকে শহীদ হন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, সরকারি নীতিমালার সব মানদণ্ড পূরণ করায় ২০১৭ সালে জাতীয়করণের জন্য তখনকার প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া যায়। তবে পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং নাম পরিবর্তন করে তুলনামূলক কম যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান বলেন, ‘বিদ্যালয়টি সবদিক থেকে জাতীয়করণ হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে।’

সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার জুথি বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও সাফল্যের যথাযথ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয়করণ হওয়া উচিত। এতে শিক্ষার মান আরো উন্নত হবে।’

সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. অমল কুমার চৌধুরী বলেন, ‘এত পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বাইরে থাকা সত্যিই দুঃখজনক।’

সাবেক শিক্ষার্থী ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো.  জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এই স্কুলের ছাত্র ছিলাম। এখন আমার সন্তানও এখানে পড়ে। এত পুরনো একটি প্রতিষ্ঠান এখনো জাতীয়করণ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।’

প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম মো. ইলিয়াস হোসেন জানান, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা এক  হাজার ২৯৩। শিক্ষক ও কর্মচারী ৪৫ জন। প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান প্রধান শিক্ষক।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হারুনার রশিদ পাপ্পু বলেন, ‘জাতীয়করণের জন্য তালিকায় নাম আসার পরও রাজনৈতিক কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। তবে জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার চাইলে জাতীয়করণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।’

৫৮ নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, ‘লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এর গৌরবময় ইতিহাস ও অবদান বিবেচনায় জাতীয়করণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।’

দেবীদ্বারে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় অবরুদ্ধ ৪০ পরিবার

মসজিদে যেতে হয় বহুদূর ঘুরে

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দেবীদ্বারে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় অবরুদ্ধ ৪০ পরিবার
দেবীদ্বারে রাস্তা বন্ধ করে টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে সরকারি খাল ভরাট করে তৈরি করা ২৫-৩০ ফুট প্রশস্ত একটি সড়ক বন্ধ করে দেওয়ায় ৪০ টি পরিবার বন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলার ইউছুফপুর ইউনিয়নের পৈরাংকুল গ্রামের দক্ষিণপাড়া ফকির বাড়ি ও শেখ বাড়ির পারিবারিক বিরোধের জেরে ধরে  এ ঘটনা ঘটেছে।  

স্থানীয়রা জানান, পৈরাংকুল গ্রামের দক্ষিণপাড়া ফকির বাড়ি থেকে শেখবাড়ি হয়ে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পর্যন্ত খাল ভরাট করে প্রায় ২৫/৩০ ফুট প্রশস্ত ও দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫ শত ফুট রাস্তার এক পাশে বাঁশ, ঝাটা, কাঁটা, ইটের বেড়া দিয়ে এবং অপর পাশে আবাসন নির্মাণ করে জোরপূর্বক চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখ বাড়িরলোকজনের বিরুদ্ধে।ফলে শেখ বাড়ির লোকজন পার্শ্ববর্তী ফকির বাড়ির প্রায় ৪০ পরিবারের লোকজন চলাচল ও মসজিদে যাতায়তের একমাত্র সড়কটি বন্ধ করে দেওয়ায় ফকির বাড়ির লোকজন অবরুদ্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করার অভিযোগ করেছেন। 

ওই ঘটনায় ফকির বাড়ির লোকজন সড়ক অবমুক্ত করে দিতে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবরে লিখিত আবেদন করেন। এর আগে ইউনিয়ন তহশীল অফিসে এবং ইউপি চেয়ারম্যান বরাবরে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাননি তারা। 

এলাকার একজন সালিসদার নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানান, ‘তাদের রাস্তার বিরোধ নিষ্পত্তিতে একাধিকবার সামাজিক সালিস ডাকা হলেও শেখ বাড়ির লোকজন সালিসের উপস্থিত হননি। তাই আমরা রাস্তার সমাধান করতে পারিনি। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সরেজমিনে ওই গ্রামে যেয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এসব তথ‍্য জানা যায়।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, প্রায় ২০০ বছর  এ এলাকার লোকজন এখানে বসতি স্থাপন করে বসবাস করে আসছেন । বিতর্কী সড়কের জায়গাটিতে একটি খাল ছিল, প্রায় শত বছর আগ থেকেই ওই খালে নৌকা দিয়ে যাতায়ত করত। খালের দু’পার দিয়ে মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করত। প্রায় ২০/২২ বছর পূর্বে এ খালটি ভরাট করে স্থানীয় কেন্দ্রীয় মসজিদ ও কুমিল্লা-সিলেট অঞ্চলিক মহাসড়কের সংযোগ সড়ক কালিকাপুর-বড়শালঘর সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। এ সড়কে ফকির বাড়ি ও শেখ বাড়িসহ অন‍্যান‍্য এলাকার লোকজন এ সড়কে মসজিদ ও সংযোগ সড়কে যাতায়ত করত। 

শেখ বাড়ির সায়েদ আলী শেখ, বাদশা মিয়া, শেখ মো.সাইফুল ইসলাম এবং কয়েকজন নারী অভিযোগ করে বলেন, আমরা এ জমি সরকার থেকে লিজ এনে, প্রচুর অর্থ ব‍্যয় করে খাল ভরাটে মালিক হয়েছি। বাড়ির উপর দিয়ে যাতায়ত নিরাপত্তা বিঘ্ন এবং রিক্সা, ভ‍্যান, গাড়ি চলাচলে রাস্তা নষ্ট, নারীদের পর্দার সমস‍্যা হয়। শুধু তাই নয়, আমাদের লিজের জায়গায় ঘর উঠাতে গেলে ওরা ঘরের পালা উপড়ে ফেলে দেয়। ওদের নানাভাবে অত‍্যাচারে আমরা অতিষ্ট। তাই তাদের ভিন্ন সড়কে যাতায়াত করতে অনুরোধ করেছি।

ফকির বাড়ির ইমাম উদ্দিন ফকির ও প্রবাসী মো. জহিরুল ইসলাম জানান, গত তিন বছর পূর্বে ধর্ম মন্ত্রনালয়ে কর্মরত মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী নামে এক কর্মকর্তার সহযোগীতায় ‘মসজিদ থেকে ফকির বাড়ি পর্যন্ত’ প্রায় ৫ শত ফুট রাস্তা ইটের সলিং তৈরির বরাদ্ধ আনেন। শেখ বাড়ির লোকজন সরকারি জায়গা ইজারা আনার দাবি করে তাদের মালিকানাধীন জায়গা দিয়ে সড়ক সংস্কার এবং ওই রাস্তা দিয়ে মসজিদসহ অন্যান্য জায়গায় যাতায়াতের সুযোগ করে দেন। প্রায় দু’বছর আগে ২ পরিবারের ঝগড়ার কারণে ব‍্যক্তি মালিকানা জায়গায় তৈরি রাস্তাটিও নিজেদের জায়গা দাবি করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে আমরা অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি এবং জরুরি প্রয়োজনে লাশ আনা নেওয়াসহ অনেক দূরের রাস্তা ব‍্যবহার করতে হচ্ছে।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সহকারী (অবসরপ্রাপ্ত) শেখ মোহাম্মদ সেলিম জানান, ‘প্রায় দুইশত বছর আগে আমার বাপ-দারারা এখানে বাড়ি করেছেন। প্রত‍্যেকটা বাড়ির পাশেই খাসজমি বিদ্যমান। আমাদের বাড়ির মাঝখান দিয়ে একটি খাল ভরাট করে বাড়ির সাথে যুক্ত করেছি। আইনসিদ্ধ করতে লীজের জন‍্য আবেদন করেছি। প্রতিবেশীরা বাড়ির উপর দিয়ে যাতায়ত করলে নারীদের পর্দার নিরাপত্তা থাকেনা। তাই রাস্তা বন্ধ করেছি। এ ছাড়া মসজিদে যাতায়তের জন‍্য বাড়ির পশ্চিম পাশে তাদের নিজস্ব জায়গা দিয়ে রাস্তা বানিয়ে চলাচল করতে পারে।

এ ব‍্যবারে দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সল উদ্দিন জানান, অভিযোগের তদন্ত হবে। তদেন্তর পর আইনানুগ ব‍্যবস্থায় নেওয়া হবে।

বরিশালে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশালে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি : কালের কণ্ঠ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কাকলী আক্তার (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কাকলী আক্তার কালাম মোল্লার মেয়ে। সে বাশাইল বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় কাকলী বাড়ির একটি কক্ষে একা ছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান।

পরে তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুবল কৃষ্ণ কুণ্ডু তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আগৈলঝাড়া থানার তদন্ত ওসি সুশংকর মল্লিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

শাহ আমানতে বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক | কালের কণ্ঠ