kalerkantho

বুধবার  । ১৮ চৈত্র ১৪২৬। ১ এপ্রিল ২০২০। ৬ শাবান ১৪৪১

কৃষকদের প্রতি সম্মান

লুঙ্গি পরে ক্লাস করল নোবিপ্রবি'র শিক্ষার্থীরা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি    

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ১৬:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লুঙ্গি পরে ক্লাস করল নোবিপ্রবি'র শিক্ষার্থীরা

নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ফসল উৎপাদন করে আবহমানকাল থেকে এদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে কৃষকরা। অর্থনীতির চাকা সচল রাখলেও ফসলের নায্য দাম এবং সামাজিক সম্মান জোটছে না তাঁদের কপালে। বরাবর-ই তাঁরা এদেশের শিক্ষিত ও ধনী সম্প্রদায়ের অবহেলা, অবজ্ঞার শিকার।

কৃষকদের প্রতি এমন অবজ্ঞা, অবহেলা মানতে নারাজ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি বিভাগের চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। আর তাই এদেশের সকল কৃষকের প্রতি সম্মান জানিয়ে রবিবার (১৯ জানুয়ারি) তারা স্নাতক জীবনের শেষ ক্লাস কৃষকের বেশে-ই করেছে।

কৃষি বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাঙালির ঐতিহ্য এবং কৃষক ও কিষাণীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে মেয়েরা শাড়ি এবং ছেলেরা লুঙ্গি পরে গামছা মাথায় বেঁধে স্নাতক জীবনের শেষ ক্লাস করে। ক্লাস শেষে সবাই একই সাজে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত করে পুরো ক্যাম্পাস। 

এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাকিব হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, কৃষিই কৃষ্টি। বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে কৃষি। কৃষি, কৃষিবিদ ও কৃষক সবকিছুই একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে কৃষির বিকল্প নেই। কৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোদে পোড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফসল ফলান। অথচ তারাই এখন সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। আমরা চাই কৃষকরা তাঁদের প্রাপ্য সম্মানটুকু পাক। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা  জানিয়ে অনার্স লাইফের শেষ ক্লাসটি স্মরণীয় করে রাখতে আমরা কৃষাণের বেশে ছেলেরা লুঙ্গি ও গামছা এবং কিষাণীর বেশে  মেয়েরা শাড়ি পরে ক্লাস করেছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা