• ই-পেপার

পাকুন্দিয়ার 'ভার্মি গ্রাম খামা'

জিঞ্জিরাম নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

জামালপুর প্রতিনিধি
জিঞ্জিরাম নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের উত্তর মকিচর এলাকার জিঞ্জিরাম নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। স্থানীয়দের ধারণা, সাম্প্রতিক সময়ে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উজান থেকে মরদেহটি ভেসে এসেছে।

দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তোফাজ্জল রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

সুন্দরবনে হরিণের মাংসসহ আটক ১

মোংলা প্রতিনিধি
সুন্দরবনে হরিণের মাংসসহ আটক ১
সংগৃহীত ছবি

সুন্দরবনের নলিয়ানে অবৈধ হরিণের মাংসসহ একজন মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সুন্দরবনের ক্লোজার পাড়া এলাকায় সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ২টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকা থেকে প্রায় ৬৬ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ কেজি অবৈধ হরিণের মাংসসহ একজন মাংস ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, জব্দ হরিণের মাংস এবং আটক ব্যক্তির পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নলিয়ান ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির নিকট হস্তান্তর করা হয়। বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

নড়াইলে শিশু ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

নড়াইলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও ও মহাসড়ক অবরোধ শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামিকে নেওয়ার পথে পুলিশকে ধাওয়া

নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে শিশু ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশু জান্নাতুলকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত রবিউল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাত ১২টায় নিহত শিশুর বাবা বাদি হয়ে নড়াইল সদর থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আট ঘণ্টা পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্ত রবিউল দত্তপাড়া এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। এসময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করে সদর থানায় নিয়ে আসেন। সেখান থেকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেওয়ার সময় টার্মিনাল এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ গাড়ির গতিরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

এসময় পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও এবং নড়াইল-মাগুরা মহাসড়ক অবরোধ করে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একপর্যায়ে তারা নড়াইল-মাগুরা মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ পাহারায় অভিযুক্ত রবিউল শিকদারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এসময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ আদালত চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিশু জান্নাতুলের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিলম্ব বা গড়িমসি তারা মেনে নেবেন না। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার সম্পন্ন করে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান তারা।

এর পর দুপুর ১২টায় নড়াইল পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং হয়। প্রেস ব্রিফিং উপস্থিত ছিলেন, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান। শিশু ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিআইজি বলেন, অভিযুক্ত রবিউলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জামায়াতের সেই এমপির আরেকটি ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াতের সেই এমপির আরেকটি ভিডিও ভাইরাল

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। তবে এটি কবে কোথায় ধারণ করা হয়েছে সেটি জানা যায়নি।

২০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষে গাজী নজরুল ইসলাম ও এক তরুণী দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সেখানে টেবিলে রাখা আইডি কার্ডে ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট। ঠিক এর নিচে লেখা ১৩তম পার্লামেন্ট। এরপর গাজী নজরুল ইসলামের ছবি দেওয়া। ছবির নিচে লেখা জি এম নজরুল ইসলাম। পদবি হিসেবে লেখা সংসদ সদস্য। এ সময় হট্টগোলের মধ্যে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘দেখেন সাতক্ষীরা জামায়াতের লোক মেয়েসহ এখানে ধরা খাইছে। এই যে এই মুরুব্বি।’

এর আগে সোমবার রাতে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে কড়া সমালোচনা চলছে। সাতক্ষীরা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভাইরাল ভিডিওর ওই তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। পরে নজরুল ইসলামও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই দাবি করেছেন। 

ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, রাজধানীর মগবাজারে তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র বাবার অফিসে তাকে ‘জিম্মি’ করে এক লাখ টাকা  আদায় করা হয়। পরে উদ্দেশ্যপ্রাণোদিতভাবে তাদের (তরুণী ও গাজী নজরুল ইসলাম) ‘ব্যক্তিগত’ ও ‘ঘনিষ্ঠ’ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে দ্বিতীয়বারের মতো সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য।
 

পাকুন্দিয়ার 'ভার্মি গ্রাম খামা' | কালের কণ্ঠ