• ই-পেপার

প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ফেলে খুলনায় জার্মান নারী

পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, অপমানে শ্বশুরের আত্মহত্যা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, অপমানে শ্বশুরের আত্মহত্যা
প্রতীকী ছবি

পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠে শ্বশুরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ ছাড়াও স্থানীয় সালিসে অপমানের জের ধরে সোহরাব উদ্দিন (৬০) নামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে নিজ বাড়ির পেছনের একটি আমগাছের ডাল থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এমন ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মেরাকোনা গ্রামে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের সোহরাব উদ্দিনের পুত্রবধূ গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে যান। সে সময় শ্বশুর সোহরাব উদ্দিন তাকে ঝাপটে ধরে ধর্ষণচেষ্টা চালান বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনার পরদিনই ক্ষোভে ও অপমানে পুত্রবধূ তার স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। সেখান থেকেই তিনি শ্বশুর সোহরাবের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য পর্যায়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সোহরাবের বাড়ির সামনেই গত শুক্রবার একটি সালিস বৈঠক বসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সালিসে সোহরাব উদ্দিনকে চরমভাবে অপমান ও হেনস্থা ছাড়াও জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় সকল জমিজমা চার ছেলের নামে লিখে দিয়ে বাড়ি ছাড়তে। এর মধ্যে বলে দেওয়া হয় আগামী বুধবার ফের সালিস হবে। ওই দিনই সব ফয়সালা করা হবে। এর মধ্যে গত সোমবার হঠাৎ নিখোঁজ হন সোহরাব। পরিবারের লোকজন অনেক স্থানে সন্ধান করেও তার হদিস মিলেনি। পরে জানা যায়, নিজ বাড়ির পেছনে একটি আমগাছের ডালে ঝুলে আত্মহত্যা করেন সোহরাব।

স্থানীয়রা জানায়, লোকলজ্জা ও সালিসে অপমানের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে সোহরাব আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিহতের ছেলে উজ্জল মিয়া জানান, তাকে জানিয়েই স্ত্রী তার বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছিল। এর মধ্যে দরবারে বাবাকে ডেকে নিয়ে শাসন করে দরবারিরা। এর মধ্যে আরেকটি দরবারের কথা শুনে আগেই বাড়ি ছাড়েন। পরে আমগাছের ডালে লাশ পাওয়া যায়।

সালিসে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া মিল্টন ও স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ছাড়াও অনেকেই। চেয়ারম্যানের মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে মেম্বার বাবুল সালিসে থাকার কথা স্বীকার জানান, নারীর অভিযোগ ছিল রাতে দাড়িওয়ালা এক লোক থাকে মুখ চেপে ধরে মারধর করে। এ ঘটনাটি নিয়ে যেহেতু গ্রামে নানা গুঞ্জন ছিল তাই দরবারে সোহরাবকে শাসন করে বলা হয়েছিল হয় তিনি বাড়িতে থাকবেন না হয় ছেলেরা। এই জন্য আরেকটি সালিসের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পুত্রবধূর দেওয়া লিখিত অভিযোগ তদন্ত করেছিলেন নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক পলাশ। তিনি জানান, তদন্ত করতে গিয়ে বাদীকে খোঁজে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রেললাইনে মুঠোফোনে ব্যস্ত স্কুলছাত্র, ট্রেনের ধাক্কায় গেল প্রাণ

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
রেললাইনে মুঠোফোনে ব্যস্ত স্কুলছাত্র, ট্রেনের ধাক্কায় গেল প্রাণ
স্কুলছাত্র শাহরিয়ার নাঈম জয়। সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার লাকসামে রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় শাহরিয়ার নাঈম জয় (১৬) নামের এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খোন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত জয় লাকসাম পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরকূল গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। তিনি লাকসাম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লাকসাম পৌরশহরের সাতবাড়িয়া লেভেল ক্রসিংয়ের প্রায় ১৫০ গজ দক্ষিণে দুটি রেললাইনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলছিল জয়। এ সময় চট্টগ্রামগামী নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেন ডাউন লাইন দিয়ে অতিক্রম করার সময় সে পাশের আপ লাইনের দিকে সরে যায়। ঠিক তখনই ঢাকাগামী আন্তঃনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেন এসে তাকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এক দোকানদার জানান, ট্রেন আসতে দেখে তিনি জোরে চিৎকার করে জয়কে সতর্ক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কানে মুঠোফোন থাকায় তিনি সেই ডাক শুনতে পাননি।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহটি রেললাইনের পাশে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান।

স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও একই স্থানে রায়হান নামের এক তরুণ ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন। তারা রেললাইনের ওপর বা আশপাশে মুঠোফোন ব্যবহার এবং অসতর্কভাবে চলাচল থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন খোন্দকার বলেন, ‘ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে নিহতের বাড়িতে যায় পুলিশ। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই নিহতের মরদেহ দাফন সম্পন্ন করে ফেলে পরিবারের সদস্যরা।’

শিবচরে ‘পদ্মা পাড়ের জীবন যুদ্ধ’ মাঠ মহড়া

মাদারীপুর প্রতিনিধি
শিবচরে ‘পদ্মা পাড়ের জীবন যুদ্ধ’ মাঠ মহড়া
ছবি: কালের কণ্ঠ

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা অববাহিকায় বন্যার পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচির আওতায় বন্যা প্রস্তুতির জনসচেতনতামূলক ‘পদ্মা পাড়ের জীবন যুদ্ধ’ শিরোনামে মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কাঠালবাড়ি ইউনিয়নের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, মহড়ায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতা ও শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (এসডিএস) বাস্তবায়নে বন্যা প্রস্তুতি ও সাড়াদান মহড়ার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বন্যায় করণীয় বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, নিরাপদ পানি ও পয়োনিষ্কাশন কেন্দ্র, প্রাণীসম্পদ আশ্রয়, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, অভিযোগ ও পরামর্শ কেন্দ্রসহ জনসচেতনতায় বিভিন্ন স্টল, জরুরি স্বাস্থ্য সেবাসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বন্যার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। তাই দুর্যোগের আগে সচেতনতা বৃদ্ধি, আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের নিয়মিত মহড়া স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্যোগকালীন জানমাল ও জীবিকার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রকিবুল ইসলাম, শিবচর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ তপন কুমার ঘোষ, ডব্লিউএফপি-এর খুলনা অঞ্চল হেড অব প্রোগ্রাম তাসনীম তাবাসসুম, প্রকল্প পরিচালক (এসআরএসপি) মাহফুজুল হক এবং কাঠালবাড়ী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদ আহমেদ সৈয়দ বেপারী।

মাহফুজ আলমের গল্প অবলম্বনে মো. সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়। মহড়াটি পরিবেশনা করেন অদিতি শিল্পী-গোষ্ঠী। পাণ্ডুলিপি ও নির্দেশনায় ছিলেন মনোজ মণ্ডল। এ ছাড়াও এসডিএসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

টানা বৃষ্টিতে মিরসরাইয়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি শতশত পরিবার

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
টানা বৃষ্টিতে মিরসরাইয়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি শতশত পরিবার
ছবি: কালের কণ্ঠ

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল আবারও প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত পাঁচ শতাধিক পরিবার। দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ, ব্যাহত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে উপজেলার ওয়াহেদপুর, পোলমোগরা, সৈদালী, ইছাখালীসহ বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ে। অনেক বাড়িঘর, আঙিনা ও গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি হলেও স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে। ফলে সামান্য অতিবৃষ্টিতেই উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষক, রিকশা-ভ্যানচালক, সিএনজিচালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ। কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির কারণে কাজ না থাকায় অনেক পরিবার আয়-রোজগারহীন হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তিতে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সড়কে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের কষ্ট করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে।

ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ওয়াহেদপুর এলাকার বাসিন্দা মো. বোরহান উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, প্যারাগন ফিডমিলের কারণে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারছে না। ফলে পুরো এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে শত শত মানুষ এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

একই ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর এলাকার বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘আগেই রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ ছিল। টানা বৃষ্টির পর পাহাড়ি ঢলে সড়কটি এখন প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে।’

রিকশাচালক ফকির আহম্মদ বলেন, ‘তিন দিন ধরে ঠিকমতো আয় নেই, যাত্রীও কম। সংসার চালাতে বাধ্য হয়েই বৃষ্টির মধ্যে রিকশা নিয়ে বের হয়েছি।

মিঠাছরা বাজারের ভ্যানচালক আলী মিয়া বলেন, ‘তিন দিন ঘরে ছিলাম। ঘরে চাল শেষ হয়ে যাওয়ায় আজ বের হয়েছি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কোনো ভাড়া পাচ্ছি না।

মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে আউশ ধানের কিছু জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। আমাদের কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।’

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার খবর পেয়ে উপজেলার কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছি। বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেসব এলাকায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন, সেসব এলাকার তালিকা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দেওয়া হবে।’

প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ফেলে খুলনায় জার্মান নারী | কালের কণ্ঠ