• ই-পেপার

জাতীয় স্কুল বিজ্ঞান শিক্ষক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

বিকাশের পৃষ্ঠপোষকতায় শাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘সিএসই কার্নিভাল-২০২৬’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিকাশের পৃষ্ঠপোষকতায় শাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘সিএসই কার্নিভাল-২০২৬’
সংগৃহীত ছবি

দেশের প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘সিএসই কার্নিভাল-২০২৬’।

তরুণ প্রোগ্রামার, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কার্নিভালে আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় দেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২০টি দল অংশ নেয়। 

পাশাপাশি এই আয়োজনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০টি দল হ্যাকাথনে অংশ নিয়ে বাস্তবসম্মত প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করে। দুদিনের এ আয়োজনে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ফিনটেক, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল ফাইন্যান্স এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান নিয়ে একাধিক সেশনের আয়োজন করা হয়।

এসব সেশনগুলোতে দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং বিকাশের প্রোডাক্ট অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রকৌশলীরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ও বাস্তব কর্মজীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।  আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় সেরা ২০টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়।

এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় বুয়েটের ‘সিলভার হকস’ টিম এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয় বুয়েটের ‘সুপারনোভা’ এবং রুয়েটের ‘জ্যোতি চাষী’ টিম। একইভাবে হ্যাকাথন প্রতিযোগিতায় সেরা হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘জিএনজি’ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয় বুয়েটের ‘নেক্সাস’ ও তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘আরেকটা টিম’।

সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. খায়রুল ইসলাম, বিকাশের চিফ প্রোডাক্ট অ্যান্ড টেকনোলজি অফিসার আজমল হুদা, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, শাবিপ্রবি কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. ফরহাদ রাব্বীসহ অনেকে।

দেশের শীর্ষ ফিনটেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সবসময়ই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রযুক্তি উদ্যোগ, উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নমূলক কাজে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ করে দিতে বছরজুড়ে ‘বিটেকউইজ’, ‘বি নেক্সট’, ‘বি হাইভ’ এর মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে বিকাশ।

এআইইউবি ও বিআইজিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এআইইউবি ও বিআইজিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সংগৃহীত ছবি

ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অন্যান্য উদীয়মান ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা, নীতিগত সংলাপ, প্রশিক্ষণ ও জনসম্পৃক্ততা জোরদার করতে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম (বিআইজিএফ) এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) এর সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার এআইইউবি ক্যাম্পাসে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এআইইউবির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে এবং বিআইজিএফের পক্ষে মোহাম্মদ আবদুল হক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এই অংশীদারির আওতায় গবেষণা, নীতিগত অ্যাডভোকেসি, জ্ঞান বিনিময়, প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইন্টারনেট ও এআই গভর্ন্যান্স-সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করবে প্রতিষ্ঠান দুটি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই সমঝোতা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল নীতি বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্পৃক্ত হওয়ার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে বিআইজিএফের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্তিমূলক, অধিকারভিত্তিক ও টেকসই ডিজিটাল শাসন নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার, বেসরকারি খাত, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজের সম্প্রতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে এআইইউবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ. জে. এম. শফিউল আলম ভূঁইয়া, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম, সহযোগী ডিন ড. ফারিয়া সুলতানা, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিআইজিএফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আবারও এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল ওয়ালটন

অনলাইন ডেস্ক
আবারও এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল ওয়ালটন
সংগৃহীত ছবি

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডসের চতুর্থ সংস্করণেও (২০২৬) তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ও সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ দেওয়া হয়। 

টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ এবং এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন অর্জন করেছে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’। পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জলবায়ু সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জলবায়ু ও পরিবেশ ক্যাটাগরিতেও ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বর্ষসেরা সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতেও এই পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন। গত বছর একই অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসরেও তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিল ওয়ালটন।

পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ।   

পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিন ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত। ওয়ালটনকে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

তিনি জানান, বাংলাদেশের শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়নে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি এবং সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতির আলোকে ওয়ালটন কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ উন্নয়ন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। জিরো কার্বন নিঃসরণ, সাশ্রয়ী জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে নবায়নযোগ্য বিভিন্ন ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে নিজস্ব অর্থায়নে ওয়ালটন মোট ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। ইতিমধ্যে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপন করা হয়েছে ১৯.২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট। যার মধ্যে রয়েছে রুফটফ সোলার প্ল্যান্ট, গ্রাউন্ড মাউন্টেড সোলার প্ল্যান্ট এবং দেশের সর্ববৃহৎ ফ্লোটিং বা ভাসমান সোলার প্ল্যান্ট। এসব সোলার প্ল্যান্ট থেকে বছরে প্রায় ২২ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা ওয়ালটনের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১৭ শতাংশ পূরণ করছে। 

তিনি আরো জানান, শিল্প প্রক্রিয়ায় পানি সাশ্রয় ও পুনঃব্যবহারে ইটিপির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাতকৃত পানির প্রায় ৭৫ শতাংশ নিরাপদভাবে পুনঃব্যবহার করা হচ্ছে। ই-বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্লাস্টিক পুনঃর্ব্যবহার ও আপসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে বর্জ্য কমিয়ে সম্পদের পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে, ওয়ালটন কেবল পরিবেশবান্ধব নীতি গ্রহণই করেনি, বরং তা বাস্তবে প্রয়োগ করে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শিল্প ও সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি মডেল তৈরি করেছে।

সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া। এ বছর ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৫৭টি মনোনয়ন জমা পড়ে। যেখান থেকে কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’সহ ৫৯টি টেকসই উদ্যোগকে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।

এসইউবি-ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এসইউবি-ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সংগৃহীত ছবি

জনস্বাস্থ্য শিক্ষা, গবেষণা ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা টাওয়ারের বোর্ডরুমে এ আয়োজন করা হয়।

সমঝোতা স্মারকে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক গাউস পিয়ারী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ হোসেন স্বাক্ষর করেন। এ সময় ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের কমিউনিকেশন অফিসার সানজিদা আক্তার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ফারহানা শারমিন উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় জনস্বাস্থ্য শিক্ষা, গবেষণা, স্বাস্থ্য উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, নীতিনির্ধারণে সহায়তা, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটিভিত্তিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে। এ জন্য সেমিনার, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন একাডেমিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। সমঝোতা স্মারকটি প্রাথমিকভাবে ৩ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ড. কোয়াজী আহমেদ জাকী। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

উপাচার্য বলেন, জনস্বাস্থ্যের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থার কার্যকর সহযোগিতা সময়ের দাবি। তিনি আশা প্রকাশ করে জানান, স্টেট ইউনিভার্সিটি ও ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের এই অংশীদারি জনস্বাস্থ্য গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং সমাজভিত্তিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গোলটেবিল বৈঠকে হাম ও ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতি, প্রতিরোধ কৌশল, টিকাদান, রোগ নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, জনস্বাস্থ্য সংকট মোকাবেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু জামিল ফয়সল ও অধ্যাপক ড. শামসুন নাহার, স্টেট কলেজ অব হেলথ সায়েন্সেসের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. আফজালুর রহমান, উপাধ্যক্ষ ড. আনিসুর রহমান, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, খণ্ডকালীন শিক্ষক, গবেষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সমন্বয় করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর কর্মসূচির সমন্বয়ক মো. আল্লামা ফয়সাল।

দিনব্যাপী এ আয়োজনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য শিক্ষা, গবেষণা, নীতিগত সহায়তা এবং সমাজকল্যাণে কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরো শক্তিশালী হয়েছে।