• ই-পেপার

ডব্লিউইউআরআই র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশে ৪র্থ ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশের সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’

ইউরোমানির স্বীকৃতি পেল শান্তা ইকুইটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউরোমানির স্বীকৃতি পেল শান্তা ইকুইটি
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইউরোমানি অ্যাওয়ার্ডস ফর এলিলেন্স ২০২৬-এ মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশনস ক্যাটাগরিতে ‘বাংলাদেশের সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’ হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে শান্তা হোল্ডিংসের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান শান্তা ইকুইটি। প্রিমিয়ার এলপি গ্যাস লিমিটেডের অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি।

এ লেনদেনে কম্পানিটির মূল্যায়ন, বিদেশি শেয়ারহোল্ডার  টোটাল এনার্জিস মার্কেটিং সার্ভিসেস, ফান্স-এর কাছে বিক্রয়মূল্য পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সার্বিক আর্থিক পরামর্শে কাজ করেছে শান্তা ইকুইটি। এই লেনদেনের মাধ্যমে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও ওমেরা সিলিন্ডারস লিমিটেড যৌথভাবে প্রিমিয়ার এলপি গ্যাস লিমিটেডে এর শতভাগ শেয়ার টোটাল এনার্জিস মার্কেটিং সার্ভিসেস, ফান্স এবং অন্যান্য স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে অধিগ্রহণ করে।

এ অর্জন প্রসঙ্গে শান্তা ইকুইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুবায়েত রুবায়েত-ই-ফেরদৌস বলেন, ‘ইউরোমানির কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এই স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই অর্জন মার্জার ও অ্যাকুইজিশন লেনদেনে আমাদের সক্ষমতার পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।’

বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে Euromoney Awards for Excellence পরিচিত। কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবন এবং গ্রাহকসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালেও 'বাংলাদেশের সেরা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ফর ইকুইটিজ' ক্যাটাগরিতে ইউরোমানির স্বীকৃতি অর্জন করেছিল শান্তা ইকুইটি। এটি প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় ইউরোমানি অ্যাওয়ার্ড।

বর্তমানে শান্তা ইকুইটি আইপিও, বন্ড ইস্যু, রাইটস ইস্যু এবং মার্জার ও অ্যাকুইজিশন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে কাজ করছে। তৈরি পোশাক, এফএমসিজি, ওষুধ, সিমেন্ট, প্রকৌশল ও শিক্ষা খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে প্রতিষ্ঠানটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে।

এক ছাদের নিচে খাবার ও বিনোদনের নতুন ঠিকানা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এক ছাদের নিচে খাবার ও বিনোদনের নতুন ঠিকানা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের জীবনধারা ও বিনোদন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে আকিজ ইনসাফ গ্রুপ উদ্বোধন করল দ্য গ্র্যান্ডিয়র (দ্য গ্র্যান্ডিয়র) এবং প্লেফিনিটি (প্লেফিনিটি)—একই ছাদের নিচে প্রিমিয়াম ডাইনিং ও আধুনিক বিনোদনের এক অনন্য গন্তব্য। প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু গল্প থাকে, আর সেই গল্পগুলো জন্ম নেয় বিশেষ কিছু সময় ও স্মরণীয় মুহূর্তকে ঘিরে। সেই মুহূর্তগুলোকে আরো অর্থবহ, আনন্দময় ও অবিস্মরণীয় করে তুলতেই যাত্রা শুরু করেছে দ্য গ্র্যান্ডিয়র ও প্লেফিনিটি।

আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই দুটি ভিন্নধর্মী উদ্যোগ পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী এবং সব বয়সী দর্শনার্থীদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করবে। প্রতিষ্ঠান দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আকিজ ইনসাফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শেখ জামিল উদ্দিন। তাঁর হাত ধরেই ‘দ্য গ্র্যান্ডিয়র’ ও ‘প্লেফিনিটি’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

দ্য গ্র্যান্ডিয়র এমন একটি প্রিমিয়াম ফুড ডেস্টিনেশন, যেখানে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাদের খাবার, আধুনিক স্থাপত্য, নান্দনিক পরিবেশ এবং উৎকৃষ্ট সেবার সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ব্যতিক্রমী ডাইনিং অভিজ্ঞতা। এটি শুধুমাত্র খাবার উপভোগের স্থান নয়; বরং একসঙ্গে সময় কাটানো, উদযাপন করা এবং স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করার একটি কেন্দ্রবিন্দু।

অন্যদিকে প্লেফিনিটি ভবিষ্যতমুখী মহাকাশ-অনুপ্রাণিত নকশায় নির্মিত একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে রয়েছে অত্যাধুনিক গেমিং, ইন্টারঅ্যাকটিভ আকর্ষণ এবং নানা ধরনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সের দর্শনার্থীদের জন্য এটি হবে আনন্দ, কল্পনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদনের এক নতুন জগৎ।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে আকিজ ইনসাফ গ্রুপ গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের আতিথেয়তা, আধুনিক বিনোদন এবং উন্নত সেবার সমন্বয়ে নতুন এক লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
দ্য গ্র্যান্ডিয়র ও প্লেফিনিটি শুধু দুটি নতুন প্রতিষ্ঠান নয়; বরং বাংলাদেশের প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল, খাবার এবং বিনোদনের জগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

ইউল্যাবে শুরু হলো ৩ দিনব্যাপী ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউল্যাবে শুরু হলো ৩ দিনব্যাপী ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’
সংগৃহীত ছবি

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ সামার ২০২৬ কারিকুলাম ইন্টিগ্রেশন প্রোগ্রামের আওতায় তিন দিনব্যাপী ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’ শুরু হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) শুরু হওয়া এই ইভেন্ট চলবে ২২ জুলাই পর্যন্ত। 

আয়োজন উদ্বোধন করেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা। উদ্বোধন শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রকল্পের স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এই প্রদর্শনীতে বর্ষা-অনুপ্রাণিত সৃজনশীল প্রকল্পের মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে কীভাবে ব্যবসায় শিক্ষা শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষায় রূপ নিতে পারে।

এই প্রদর্শনীতে বিবিএ প্রোগ্রামের বিভিন্ন কোর্সের শিক্ষার্থীরা ব্যবসায়িক তত্ত্ব ও ধারণাকে বাজারের চলমান চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সংযুক্ত করে প্রকল্প উপস্থাপন করে। ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রজেক্ট স্টলের পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ ‘মনসুন ক্যাফে’, যা পুরো পরিবেশকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলেছে। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ এবং পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। 

তিনি বলেন, পাঠ্যক্রম-সমন্বিত হাতে-কলমে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের দক্ষ ও দায়িত্বশীল ব্যাবসায়িক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে রয়েছে প্রকল্প প্রদর্শনী, বিভিন্ন আকর্ষণীয় কার্যক্রম এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা প্রকল্প ও অংশগ্রহণকারীদের স্বীকৃতি প্রদান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য উন্মুক্ত এই ‘বিবিএ মনসুন ইভেন্ট’ ইউল্যাবের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা, শিল্প-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস পেল ইলেকট্রো মার্ট লিমিটেড

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস পেল ইলেকট্রো  মার্ট লিমিটেড
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে কনকা, গ্রি এবং হাইকো ইলেকট্রনিকস পণ্য প্রস্তুতকারী ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ (এসডিজি) ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ অর্জন করেছে। সম্প্রতি ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’-এ বাংলাদেশে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদানের জন্য ৫৯টি টেকসই ব্র্যান্ড উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কারটি দেওয়া হয়ছে। বাংলাদেশে ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে জাতিসংঘের এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা নং- ৭, ৮, ৯, ১২ ও ১৩ বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ বাংলাদেশে দারিদ্র্য, অসমতা, জলবায়ু ও পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রতিটি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। এ ছাড়া দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ বাংলাদেশে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ ছাড়া পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও নকশা, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং পরিবেশের জন্য নিরাপদ কাঁচামাল ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ও পণ্যের জীবনচক্রের প্রতিটি ধাপে টেকসই চর্চা নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি; এর ফলে তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়া জাতিসংঘের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা-বিশেষ করে এসডিজি-৭, ৮, ৯, ১২ এবং ১৩-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

457

ইলেকট্রো মার্ট লিমিটেড জাতিসংঘের পাঁচটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। কম্পানির প্রধান কর্মসূচিগুলো সরাসরি এই লক্ষ্য গুলোর সাথে সম্পৃক্ত। SDG ৭: সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি: জ্বালানি-সাশ্রয়ী পণ্য এবং বিদ্যুৎ খরচ কমানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর এবং গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি উৎপাদন করছে। SDG 8: শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (সরকারি রাজস্ব ও অর্থনীতিতে অবদান) প্রতিষ্ঠানটি শুল্ক, ভ্যাট, কর এবং অন্যান্য ফি প্রদানের মাধ্যমে সরকারি রাজস্বে বিশেষ অবদান রাখছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রত্যক্ষভাবে ৭ হাজারেরও বেশি এবং পরোক্ষভাবে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছি, যা স্থানীয় অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। SDG 9: শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো (স্থানীয় উৎপাদন)-আমদানি-নির্ভর ব্যবসা থেকে সরে এসে প্রতিষ্ঠানটি নারায়ণগঞ্জে আধুনিক ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ কারখানায় পণ্য উৎপাদন শুরু করেছে। SDG 12: দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন- প্রতিষ্ঠানটি তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতিটি স্তরে পরিবেশ-বান্ধব ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যা বর্জ্য হ্রাস করে এবং একই সাথে জ্বালানি ও অর্থ সাশ্রয় করে। SDG 13: জলবায়ু সংরক্ষণ।

বিশ্বের ১৮০টির'ও অধিক দেশে সমাদৃত ইলেকট্রনিক্স ব্যান্ড কনকা ও গ্রী ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপের হাত ধরে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে। গ্রাহকদের আস্থা, বিশ্বমানের পণ্য এবং নিরবিছিন্ন চাহিদার কারণে কনকা ও গ্রী ব্র্যান্ড ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রতিষ্ঠানটিকে ট্রেডিং ব্যবসা থেকে উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে সহায়তা করে। গ্রুপটি ২০১৮ সাল সাথে বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় দু'টি ব্র্যান্ড কনকা ও গ্রী এবং নিজস্ব ব্র্যান্ড হাইকো ইলেক্ট্রনিক্স ও হোম এ্যাপল্যায়েন্স পণ্য সামগ্রী নারায়ণগঞ্জে স্থাপিত কারখানায় উৎপাদন করছে। ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ চায়নার সাথে যৌথ প্রযুক্তির শেয়ারের মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে পরিবেশবান্ধব ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ নিত্য নতুন কনকা, গ্রী ও হাইকো ব্র্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ও হোম এ্যাপল্যায়েন্স পণ্য সামগ্রী গ্রাহকদেরকে সরবরাহ করে যাচ্ছে। গ্রী, কনকা ও হাইকো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপলায়েন্স পণ্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, গুণগতমান, গ্রহণযোগ্যতা, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের প্রথম পছন্দ। বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় ব্র্যান্ড কনকার রয়েছে রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এলইডি টিভি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, মিক্সার গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক ক্যাটল, গ্যাস স্টোভ, ইনফ্রেইড কুকার, প্রেসার কুকার, রাইস কুকার, ইলেক্ট্রিক আয়রনসহ বেশ কিছু হোম অ্যাপ্লায়েন্সের পণ্য। বিশ্বের নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ড গ্রী'র রয়েছে সিলিং, ওয়াল, ক্যাসেট, ভিআরএফ, ডাকটেড ও চিলার এয়ারকন্ডিশনার, পোর্টেবল এসি, এয়ারফিউরিফায়ার, ডিহিউমিডিফায়ার, এয়ারকুলার, এয়ার সার্কুলেটর ফ্যান এবং এয়ারকার্টেন।

ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বাজারে কনকা, গ্রী ও হাইকো ইলেকট্রনিকস ও হোম এ্যাপল্যায়েন্স পণ্য বিশ্বস্ততা, সুনাম ও আস্থার সাথে উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাত করছে। বিগত সময়ে গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ভোক্তাদের অফুরন্ত ভালোবাসা, আস্থা এবং নির্ভরতার ফলস্বরুপ ইলেকট্রো মার্ট গ্রুপ এখন বহি বিশ্বেও স্বীকৃতি অর্জন করছে। গ্রুপের ডিএমডি নুরুল আফছার বলেন প্রতিটি স্বীকৃতিই নতুন দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করে যা আগামীর পথ চলার প্রতিটি মুহূর্তে আমাদেরকে আরো দায়িত্বশীল ও কর্ম অনুপ্রেরণা প্রদান করবে। গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী, ক্রেতা ও ভোক্তাদের অবিচল আস্থা, অফুরন্ত ভালোবাসা এবং নির্ভরতার প্রতি জানাই গভীর কৃতজ্ঞতা।

ডব্লিউইউআরআই র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশে ৪র্থ ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ | কালের কণ্ঠ