• ই-পেপার

আইইউবিতে হাম সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার

মহামারির ঝুঁকি কম, তবে সতর্ক থাকার তাগিদ

বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত : নেসলে ও বিসিএসআইআর এর যৌথ উদ্যোগ

বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত : নেসলে ও বিসিএসআইআর এর যৌথ উদ্যোগ
সংগৃহীত ছবি

নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত FICCI এফডিআই সম্মেলন ২০২৬ – এ বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)-এর সঙ্গে তাদের যৌথ উদ্যোগের উদ্ভাবন তুলে ধরে।

এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের পুষ্টি উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গঠনে দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই সহযোগিতার মাধ্যমে পুষ্টিগ্রো+ (PUSHTIGROW+) নামে একটি সিরিয়ালভিত্তিক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পুষ্টি সমাধান তৈরি করা হয়েছে, যা ৫ বছর ও তদূর্ধ্ব শিশুদের জন্য উপযোগী।

নেসলে বাংলাদেশ ও বিসিএসআইআর এর যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি এই পুষ্টি সমাধান দৈনন্দিন ঘরে রান্না করা খাবারে সহজেই মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রোবায়োটিক, আয়রন, জিংক এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন, যা শিশুদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি, এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ নেসলে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন এবং এই উদ্ভাবনী পুষ্টি সমাধানের প্রশংসা করেন।

বিসিএসআইআর এর চেয়ারম্যান ডা. সামিনা আহমেদ বলেন, ‘বিসিএসআইআর এর বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এবং নেসলের বৈশ্বিক পুষ্টি বিষয়ক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করেছি। এমন সহযোগিতা বেসরকারি ও সরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।’

এই যৌথ উদ্যোগ সম্পর্কে নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি-এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব দীপাল আবেউইক্রেমা বলেন, ‘বিসিএসআইআর এর সঙ্গে আমাদের যৌথ উদ্যোগের ফসল হলো পুষ্টিগ্রো+ যা দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পুষ্টির সাশ্রয়ী সমাধান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ঘাটতি মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’

তিনি আরো বলেন, ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বাংলাদেশ যখন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে, তখন নেসলে বাংলাদেশ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই সকল উদ্যোগ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং দেশের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক মূল্য সৃষ্টি করতে সহায়তা করবে।

ইউআইইউতে ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
ইউআইইউতে ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সহযোগিতায় ‘এক্সটেন্ডেড বিইএআর সামিট ২০২৬’ গত ২৪ জুলাই ইউআইইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সামিট ২০২৬-এর পূর্ব আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে ইউআইইউর শিক্ষার্থীরা বিশ্বের খ্যাতনামা গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ লাভ করেন।

এতে বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও), রোবটিক্স এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সামিট বাংলাদেশের একাডেমিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে পারডু ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এবং সিলিকন রিভার বিইএআর এর চীফ আর্কিটেক্ট প্রফেসর মুহাম্মদ মোস্তফা হোসেন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবন, বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্পখাতের অংশীদারিত্ব এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামিটের প্লেনারি সেশনে টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টসের চিফ টেকনোলজি অফিসার ড. আহমেদ বাহাই এবং পারডু ইউনিভার্সিটি অনলাইনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর দিমিত্রি পেরৌলিস সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উপস্থাপন করেন।

এছাড়া ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশনের (ভিএসপিএ) চেয়ারম্যান বিচ-ইয়েন থি ট্রান এবং সানডিস্কের ডিস্টিংগুইশড ইঞ্জিনিয়ার জয়াভেল পাচামুথু সেমিকন্ডাক্টর উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যতের মেমোরি প্রযুক্তি নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অ্যাপ্লাইড ম্যাটেরিয়ালস, সিআরইডিও, অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, এনএক্সপি সেমিকনডাক্টর এবং ওয়াইইএস’র আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞরা সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, উন্নত ইলেকট্রনিকস, গবেষণার বাণিজ্যিকীকরণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে লাইটনিং টক উপস্থাপন করেন। এছাড়া প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদারিত্ব, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে ইউআইইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া, ইউআইইউ আইএআর’র নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ইমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সামিট সমাপনী পূর্বে সেন্টার অব রিসার্চ এক্সিলেন্সি ইন সেমিকনডাক্টর টেকনোলজি (সিআরইএসটি) -এর ফেলোদের অংশগ্রহণে একটি গবেষণা পোস্টার প্রদর্শনী এবং নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া

অনলাইন ডেস্ক
ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো লিবিয়া
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বজুড়ে একশটি দেশের বাজারে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া।

এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে লিবিয়ার ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্টিজ পিএলসি’র মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় লিবিয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে আসর আল টেকনিয়া। প্রতিষ্ঠানটি লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় ও বিপণন করবে।

ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ) এবং আসর আল টেকনিয়া’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল সাদিক আল তাহির আল সগীর কারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান আব্দুর রউফ বলেন, পণ্যের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আধুনিক ডিজাইন, টেকসই ও উচ্চ গুণগতমান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। ফলে বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড অতি অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রতিনিয়ত যুক্ত নতুন নতুন দেশের বাজার। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৫৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে উত্তর আফিকার দেশ লিবিয়া।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে চলতি বছরে লিবিয়ার বাজারে দুই শিপমেন্টে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি, টিভি এবং ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করা হয়েছে। লিবিয়ায় গ্লোবাল বিজনেস সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ পথ আরো সুগম হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ডেপুটি হেড সাইয়েদ আল ইমরান, লিবিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রামাণিক প্রমুখ।

দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য দক্ষ, কর্মসংস্থান-উপযোগী এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিএমইএর পরিচালক ও ম্যাগপাই কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএর পরিচালক ও রুমানা ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুমানা রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়কারী মুনির চৌধুরী।

কর্মশালায় দেশের শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ (এইচআর) প্রধানেরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল ফুলি সান চায়না লিমিটেড (পিজিএস পেপকো গ্লোবাল সোর্সিং), ইউটাহ গ্রুপ, সেন্ট্রো টেক্স, স্নোটেক্স গ্রুপ, মন্ডল গ্রুপ, যমুনা ডেনিমস লিমিটেড, অ্যাপেক্স হোল্ডিংস লিমিটেড, নর্দার্ন তোসরিফা গ্রুপ, ওয়ালটন গ্রুপ, ডিজাইনটেক্স লিমিটেড, গুড আর্থ অ্যাপারেলস লিমিটেড, পাকিজা নিট গ্রুপ, প্রিটি গ্রুপ, আগামী অ্যাপারেলস লিমিটেড (ডেকো লেগেসি গ্রুপ), আকিজ রিসোর্সেস, সিমকো স্পিনিং অ্যান্ড টেক্সটাইলস লিমিটেড, মোহাম্মদী গ্রুপ, টেক্সটাইল হাবস, টেক্সটাউন গ্রুপ এবং এস.এফ. ডেনিম অ্যাপারেলস লিমিটেড।

কর্মশালায় শিল্পের বাস্তব দক্ষতা-চাহিদা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা, নিয়োগের বর্তমান প্রবণতা এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের দ্রুত কর্মসংস্থানে যুক্ত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারী এইচআর প্রধানেরা তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ–অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় দক্ষতার পরিবর্তন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশে জনবল উন্নয়ন এবং শিল্পের প্রত্যাশা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করা গেলে দক্ষ জনবল তৈরির প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। এ লক্ষ্যেই কর্মশালাটি অভিজ্ঞতা বিনিময়, অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ কর্মসূচির কো-অর্ডিনেটর (জব প্লেসমেন্ট অ্যান্ড ডাটাবেস) মো. আশফাকুর রহমান ও সাইদা আফরিন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শেখ মোহাম্মদ নাজমুল আলম পলাশ এবং মো. সাইয়েদুল কবির।

মহামারির ঝুঁকি কম, তবে সতর্ক থাকার তাগিদ | কালের কণ্ঠ