• ই-পেপার

প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর খুলল তালা, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত

সিনিয়র স্টাফ নার্সের পরীক্ষা ৩ আগস্ট, মানতে হবে যেসব নিয়ম

অনলাইন ডেস্ক
সিনিয়র স্টাফ নার্সের পরীক্ষা ৩ আগস্ট, মানতে হবে যেসব নিয়ম
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ‘সিনিয়র স্টাফ নার্স’ (দশম গ্রেড) পদে অনলাইনে আবেদনকারী প্রার্থীদের বাছাই (এমসিকিউ টাইপ) পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩ আগস্ট ২০২৬ (সোমবার)। ওই দিন বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা। রাজধানীর ২৬টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা।

নম্বরবন্টন

পরীক্ষায় মোট ১০০ (একশত)টি প্রশ্ন থাকবে। বাংলা-২০, ইংরেজি-২০, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি)-২০, প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়-৪০–সহ পূর্ণমান হবে ১০০ নম্বর। পরীক্ষার্থী প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ (এক) নম্বর পাবেন। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা হবে। পরীক্ষার পূর্ণ সময় ০১ (এক) ঘণ্টা।

পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষাসংক্রান্ত নানা নির্দেশনাও দিয়েছে পিএসসি। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—

১. পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৬ (ছয়) ডিজিট–সংবলিত। কোনো পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৬ (ছয়) ডিজিটের কম হলে বাঁদিকের ঘর/ঘরগুলো ০ (শূন্য) দিয়ে পূরণপূর্বক রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ডিজিটসমূহ উত্তরপত্রের প্রযোজ্য ঘরে কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দিয়ে লিখে নিচের প্রযোজ্য বৃত্ত ভরাট করতে হবে।

২. প্রবেশপত্রের নিচে প্রদত্ত নির্দেশাবলি অতি মনোযোগের সঙ্গে পড়তে ও অনুসরণ করতে হবে।

৩. পরীক্ষার্থীদের বিকেল ২টার মধ্যে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। ২টা ৩০মিনিটের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। প্রশ্নপত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না।

৪. প্রবেশপত্র ব্যতীত কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। হাজিরা তালিকায় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং নামের পাশে তার ছবি ও প্রবেশপত্রের অনুরূপ স্বাক্ষর মুদ্রিত থাকবে। প্রবেশপত্রের ছবি ও স্বাক্ষরের সঙ্গে হাজিরা তালিকার ছবি ও স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখা হবে; মিল না থাকলে উক্ত পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৫. পরীক্ষাকেন্দ্রে বই-পুস্তক, ব্যাগ/ভ্যানিটি ব্যাগ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি বা ঘড়িসদৃশ কোনো কিছু, মানিব্যাগ, মুঠোফোন, গয়না, ব্যাংক কার্ড বা কার্ডসদৃশ কোনো কিছু, ক্যালকুলেটর বা কোনোরূপ ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখতে পারবেন না; কান খোলা রাখতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষাকক্ষে কোনো প্রার্থীর নিকট নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্ত করে তার প্রার্থিতা বাতিল করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রবেশপত্রে উল্লেখিত ক্যালকুলেটর ব্যবহারের বিষয়টি লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রযোজ্য; বাছাই পরীক্ষার জন্য প্রযোজ্য নয়।

৬. ভুয়া পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

৭. পরীক্ষার্থীদের বিশেষভাবে সতর্ক করা যাচ্ছে যে উত্তরপত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে না লিখলে এবং সঠিকভাবে বৃত্ত পূরণ না করলে, কোনোরূপ কাটাকাটি করলে, উত্তরপত্রে ফ্লুইড লাগালে প্রার্থিতা বাতিল হবে।

৮. প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের শ্রুতলেখক প্রয়োজন, তাদের ২৭-০৭-২০২৬ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালে শ্রুতলেখকের জন্য কমিশন সচিবালয়ের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক, ইউনিট-১০ বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। প্রাপ্ত আবেদনপত্র বিবেচনায় কর্ম কমিশন থেকে শ্রুতলেখক প্রদান করা হবে। প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর কমিশনে দাখিল করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেবল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন অনুমোদিত শ্রুতলেখককে ছবিসংবলিত অনুমতিপত্র প্রদান করা হবে। কমিশন থেকে ইস্যু করা ছবিযুক্ত অনুমতিপত্রসহ শ্রুতলেখককে সংশ্লিষ্ট প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর সঙ্গে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে।

৯. কমিশনের ওয়েবসাইট www.bpsc.gov.bd অথবা টেলিটকের ওয়েবসাইট http://bpsc.teletalk.com.bd থেকে ডাউনলোড করা প্রবেশপত্রসহ প্রার্থীদের ‘সিনিয়র স্টাফ নার্স’ (১০ম গ্রেড) পদের বাছাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রার্থীদের অনুকূলে নতুন করে কোনো প্রবেশপত্র প্রেরণ করা হবে না। কোনো পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কমিশনের ওয়েবসাইট www.bpsc.gov.bd ও টেলিটকের ওয়েবসাইট http://bpsc.teletalk.com.bd থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। প্রবেশপত্র ব্যতীত কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না।

৬২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
৬২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি বন্ধের নির্দেশ
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের ৬২১টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এসংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে। এতে এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ৪৪৩টি এবং দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ১৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত এবং পাঠদানের অনুমোদন বাতিল বা প্রত্যাহার কেন করা হবে না—এ বিষয়ে গত ২২ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে ওয়েবসাইটে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিছু প্রতিষ্ঠান ব্যাখ্যা দিলেও তালিকাভুক্ত বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পর্যন্ত কোনো জবাব দেয়নি।

এ অবস্থায় যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ব্যাখ্যা দেয়নি, তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ভর্তি, ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, গ্রন্থাগার এবং পাঠদানের অনুমতির শর্তসহ অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারবে বোর্ড।

অফিস আদেশের সঙ্গে এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ৪৪৩টি এবং দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ১৭৮টি প্রতিষ্ঠানের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

কুমিল্লায় ৭ শিক্ষককে বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

কুমিল্লা (উত্তর) প্রতিনিধি
কুমিল্লায় ৭ শিক্ষককে বদলির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সাত শিক্ষককে একযোগে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি কলেজে বদলির আদেশের প্রতিবাদে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

বিক্ষোভ চলাকালে বদলিকৃত ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীন শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তা স্থগিত করার অনুরোধ জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, বদলির আদেশ মেনে নিয়েছি। তবে আমার একটি প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে। সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করবে বলে আমার বিশ্বাস। তোমরা আন্দোলন করে আমার চাকরির কোনো ক্ষতি করো না।

এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। উপস্থিত শিক্ষার্থীরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই একই সঙ্গে সাত শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কলেজে জলাবদ্ধতার ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় সাত শিক্ষককে বদলি করেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। একসঙ্গে এত শিক্ষককে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বদলি করা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে দাবি করেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কলেজের নতুন অধ্যক্ষ মোসাম্মৎ আমেনা বেগম বলেন, কিছু ছাত্রী ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে ক্যাম্পাসে এসে সাত শিক্ষকের বদলির আদেশ বাতিলের দাবি জানায়। তারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করেছে। আমরা শিক্ষকরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি যেহেতু সরকারি সিদ্ধান্ত, তাই তাদের বিষয়টি বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। পরে ছাত্রীরা চলে গেছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপসচিব মো. আ. কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সাত শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ওই তারিখের অপরাহ্ন থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

বদলি হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন—কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এ কে এম জহিরুল আলমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চিওড়া সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল মালেককে কক্সবাজার সরকারি কলেজে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কনক বড়ুয়াকে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ সরকারি কলেজে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উল্লাহ মজুমদারকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ নূর উল্লাহকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজে, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আল-আমিনকে সিলেটের বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহসীনকে বরগুনা সরকারি কলেজে।

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শিক্ষা অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শিক্ষা অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরিসংখ্যান (এপিএসএস-২০২৬) তথ্য আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে আইপিইএমআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও অনুমোদনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২৬ জুলাই থেকে এই ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সেকশন-২ থেকে উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের পাঠানো চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রতিবছর বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান (এপিএসএস) প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়। ২০২৬ শিক্ষাবছরের এপিএসএস প্রতিবেদন প্রণয়নের জন্য আইএমডি বিভাগ কর্তৃক আইপিইএমআইএস সফটওয়্যারের এপিএসএস মডিউল আগামী ২৬ জুলাই থেকে ১০ আগস্টের মধ্যে এপিএসএস ডাটা সার্ভারে এন্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে।

এতে বলা হয়, এ বস্থায় তার আওতাধীন সকল ক্যাটাগরির বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি প্রধান শিক্ষকগণকে এপিএসএস মডিউলে যথাসময়ে এন্ট্রিক্রমে দাখিল ও উপজেলা বা থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণকে যাচাই-বাছাইক্রমে অগ্রায়নের নির্দেশনা প্রদান এবং অগ্রায়নকৃত এপিএসএসের তথ্য অনুমোদনক্রমে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে আইপিইএমআইএস সফটওয়্যারের এপিএসএস মডিউলে দাখিল করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

২