• ই-পেপার

সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

উল্লাসে মুখর জাবি ক্যাম্পাস : ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছেন শিক্ষার্থীরা

রিফাত বিন নুর, জাবি
উল্লাসে মুখর জাবি ক্যাম্পাস : ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছেন শিক্ষার্থীরা
ছবি : কালের কণ্ঠ

গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ—ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাস। বিশ্বমঞ্চের এই মহাযজ্ঞকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে তুমুল উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। ক্যাম্পাসজুড়ে এখন শুধুই ফুটবল রোমাঞ্চ আর প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার জয়গান।

শনিবার (৪ জুলাই) ভোর ৪টায় অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের মধ্যকার রোমাঞ্চকর ম্যাচ ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে ছিল ফুটবলপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কেপ ভার্দে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার সাথে ৩-২ গোলে হারলেও তারা বড় অঘটনের জন্ম দেওয়ার শঙ্কায় আর উত্তেজনায় মেতে ওঠেন দর্শকরা।

লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, আর্লিং হালান্ড কিংবা হ্যারি কেইনের মতো তারকাদের আলো ছাপিয়ে টুর্নামেন্টে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দেই হয়ে ওঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

এর আগে স্পেনের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ পয়েন্ট অর্জনের ম্যাচেও কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার দুর্দান্ত নৈপুণ্য ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়ে।

ম্যাচটি উপভোগ করতে রাত ১টা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চসহ বড় পর্দার সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। খেলা যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে উত্তেজনা। ম্যাচের প্রতিটি আক্রমণ, গোল এবং নাটকীয় মুহূর্তে করতালি, উল্লাস ও বিস্ময়ের প্রতিক্রিয়ায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। টানটান উত্তেজনায় শেষ হওয়া ম্যাচটি ফুটবলপ্রেমী শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে থাকে বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা।

পতাকায় ছেয়ে গেছে হল ও ক্যাম্পাস

বিশ্বকাপের এই জোয়ারে ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণ সেজেছে রঙিন আবহে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর ছাদ, বারান্দা, হলের ভেতরের রুম থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলোর দুই পাশ এখন বিভিন্ন দেশের পতাকায় ছেয়ে গেছে। ল্যাটিন আমেরিকার দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা ছাড়াও ইংল্যান্ড, জার্মানি, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের বিশাল সব পতাকার উপস্থিতি জানান দিচ্ছে জাবি শিক্ষার্থীদের বিশ্বকাপ উন্মাদনার কথা। শুধু পতাকাই নয়, প্রিয় দলের জার্সি গায়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বটতলা,শহিদ রফিক-জব্বার চত্বর, ভাসানী চত্বরসহ সব জায়গায় আড্ডা দেওয়া এখন নিত্যদিনের চেনা দৃশ্য।

মুক্তমঞ্চে উপচে পড়া ভিড় ও বাঁধভাঙা উল্লাস

বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) উদ্যোগে প্রতিবারের মতোই ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ ও মেডিকেল সেন্টার এলাকায় খেলা দেখার জন্য জড়ো হন হাজারো ফুটবলপ্রেমী।

ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনার ম্যাচ থাকলে তো কথাই নেই! খেলা শুরু হওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে থেকেই মুক্তমঞ্চের গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আসন না পেয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে, এমনকি আশপাশের গাছে বা ওয়ালে বসেও খেলা উপভোগ করতে দেখা যায়। রেফারির বাঁশি বাজার সাথে সাথেই শুরু হয় তুমুল করতালির গর্জন। প্রিয় দলের প্রতিটি আক্রমণ, গোল আর জাদুকরী ড্রিবলিংয়ে পুরো মুক্তমঞ্চ মেতে ওঠে বাঁধভাঙা উল্লাসে।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ও চেনা আড্ডা

ক্যাম্পাসে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যকার চুলচেরা বিশ্লেষণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ তর্কযুদ্ধ এই উন্মাদনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর গভীর রাতেই ঢোল-তবলা নিয়ে ক্যাম্পাসের রাস্তায় বের হয় বিজয় মিছিল। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

খেলা দেখতে আসা সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধুদের সাথে বড় পর্দায় খেলা দেখার এই আনন্দ আজীবন মনে রাখার মতো। তাদের মতে, ফুটবল কেবল একটা খেলা নয়, এটি ক্যাম্পাস জীবনে এক অনন্য মিলনমেলার পরিবেশ তৈরি করে। দলমত নির্বিশেষে সবাই একসাথে বসে খেলা উপভোগ করার এই আবহ জাবি ক্যাম্পাসকে এক অন্যরকম উৎসবে রূপ দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার সমর্থক জাবি শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম মুনা জানায়, ২০২২ সালের বিশ্বকাপের উম্মাদনা যেমনটি দেখেছিলাম তা আবারও ফিরে এসেছে। মুক্তমঞ্চ এ বন্ধুদের সাথে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার আনন্দ অন্য রকম। বিশেষ করে মেসির খেলার কথা না বললেই নয়, আশা করছি, ২০২২ সালের মতো এবার আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ নেবে।

শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বড় খবর দিল মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বড় খবর দিল মাউশি
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বড় খবর দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাউশি জানিয়েছে, চলতি জুলাই মাস থেকে শিক্ষকরা ইনক্রিমেন্ট পাবেন। ইতোমধ্যে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সেলের প্রোগ্রামার (এমপিও) মো. জহির উদ্দিন।

ইএমআইএস সেলের এ প্রোগ্রামার জানান, ‘এমপিওভুক্ত জনবলের জুলাই-২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করাসহ অন্যান্য কাজ শেষ করে অঞ্চল থেকে অনুমোদিত এমপিও আবেদন ডান করা হবে। তাই জুলাই ২০২৬ মাসের অনুমোদিত অনলাইন এমপিও ফাইল ডান হতে কয়েক দিন বিলম্ব হতে পারে। এ বিষয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ রইল।’

এইচএসসির দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২৭ হাজার, বহিষ্কার ১৭ পরীক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসির দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২৭ হাজার, বহিষ্কার ১৭ পরীক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে শনিবার দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ২৭ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে ১৭ পরীক্ষার্থীকে। শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আজ এইচএসসি (সাধারণ) ‘বাংলা দ্বিতীয় পত্র’, আলিমে ‘আরবি প্রথম পত্র’ ও ‘আরবি সাহিত্য’ এবং এইচএসসি ভোকেশনাল, বিএমটি ও ডিপ্লোমা ইন কমার্সে ‘ইংরেজি-২’ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১ হাজার ৬২০টি কেন্দ্রে। এই পরীক্ষায় ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৪ পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নিয়েছেন ৮ লাখ ৪১ হাজার ১২৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৬৩৯ জন। এর মধ্যে সাতজনকে অসদুপায় অবলম্বনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের হিসাবে বহিষ্কার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী বোর্ডের একজন, কুমিল্লার ২, বরিশালের ২, দিনাজপুরের একজন এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের একজন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিমের আরবি প্রথম পত্র ও আরবি সাহিত্য পরীক্ষায় সাত পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছেন।

আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আলিমের ৪৬০টি কেন্দ্রে ৮৪ হাজার ২৯৩ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেন ৭৯ হাজার ৯১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৫ হাজার ২০২ পরীক্ষার্থী।

এইচএসসি ভোকেশনাল, বিএমটি ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে ইংরেজি-২ বিষয়ের পরীক্ষায় ৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার ও ২ হাজার ৪৮৬ জন অনুপস্থিত থাকার তথ্য দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে এদিন ইংরেজি-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসব কেন্দ্রে ৮৫ হাজার ৭৪৯ জন পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষায় বসেছেন ৮৩ হাজার ২৬৩ জন। ২ হাজার ৪৮৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন এবং ৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এপিওএআই স্বর্ণজয়ীদের পূর্ণ বৃত্তি দেবে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
এপিওএআই স্বর্ণজয়ীদের পূর্ণ বৃত্তি দেবে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি
ছবি: কালের কণ্ঠ

এশিয়া প্যাসিফিক জুনিয়র ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড (এপিওএআই) ২০২৬-এ স্বর্ণপদকজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ১০০ শতাংশ স্কলারশিপ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাস।

শনিবার (৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত আট সদস্যের বাংলাদেশ দলের সদস্যদের সম্মাননা সনদ ও বিশেষ উপহার দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের প্রভোস্ট মেজর সুমন সুবহান (অব.)। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফ্যাকাল্টি অব সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড লিবারেল আর্টসের ডিন ড. জোহা রহমান।

বাংলাদেশ দলের তিন সদস্য—লাবিব শাহরিয়ার, সাইদুজ্জামান আরাফ ও ত্রিদিব রায় অর্জ—এপিওএআই ২০২৬-এ স্বর্ণপদক অর্জন করেন। ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে তাদের ‘সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রিসিয়েশন’ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বর্ণপদকজয়ী তিন শিক্ষার্থী তাদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। দলের কো-অর্ডিনেটর তাসনিম মাহফুজ নাফিজ প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য দেন।

প্রভোস্ট মেজর সুমন সুবহান (অব.) বলেন, বিজয়ী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ আরো সহজ করতে বিশ্ববিদ্যালয় তাদের পাশে থাকবে। তিনি ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে এসব শিক্ষার্থী ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে ভর্তি হতে চাইলে তাদের ১০০ শতাংশ স্কলারশিপ দেওয়া হবে।

ড. জোহা রহমান বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অর্জন দেশের জন্য গৌরবের। ভবিষ্যতে তারাই বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মেধাবী তরুণদের সংবর্ধনা দিতে পেরে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি গর্বিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সিঙ্গাপুর, জাপান, চীন, মালয়েশিয়াসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৮টি দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তিনটি স্বর্ণপদক অর্জন করে।