• ই-পেপার

সুবিধাবঞ্চিত দৃষ্টিহীন মিতু : কুড়িগ্রামে শিক্ষানীতির চরম লঙ্ঘন

  • দৃষ্টিহীনদের জন্য সরকারি নীতি কি শুধুই কাগজে?

অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁসের শঙ্কায় হত্যা করা হয় জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদকে

জবি প্রতিনিধি
অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁসের শঙ্কায় হত্যা করা হয় জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদকে
গত বছর পুরান ঢাকায় ছাত্রী পড়াতে গিয়ে খুন হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা মামলায় ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। আসামিরা হলেন জোবায়েদের ছাত্রী ও প্রেমিকা বার্জিস শাবনাম বর্ষা, বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান। পুলিশের ভাষ্য, মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান সহযোগী।

বংশাল থানার এসআই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন সম্প্রতি ঢাকার আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে ৫০ জন সাক্ষীর বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফরেনসিক, ডিএনএ এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ১৫ নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলা বাসায় ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে গিয়ে খুন হন তিনি। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ছাত্রী বর্ষার বাসার নিচতলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এ ঘটনায় এক দিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার প্রায় ৯ মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন।

তদন্তে উঠে আসে, এটি তাৎক্ষণিক কোনো হামলা ছিল না; বরং ১ মাস ধরে পরিকল্পনা, নজরদারি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সুযোগের অপেক্ষার পর হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়। এ ছাড়া তদন্তে বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদ ও মাহিরের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ও উঠে এসেছে। জোবায়েদের সঙ্গে বর্ষার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু বলেন, ‘অভিযোগপত্রটি প্রসিকিউশন বিভাগের জিআরও শাখায় জমা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অভিযোগপত্রটি পর্যালোচনা করছেন বলে জানা গেছে। আগামীকাল (বুধবার) এটি জিআরওতে আসবে। এরপর বিচারকের কাছে উপস্থাপন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিযোগপত্রে ডিএনএ রিপোর্ট মাহিরের সঙ্গে মিলেছে। সেখানে তার ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিও রয়েছে। মাহিরের বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক নম্বর আসামিসহ কেউই ছাড় পাবে না।’

বদলগাছীর গাবনা প্রাথমিক বিদ্যালয়

স্কুলব্যাগ কাঁধে নিয়ে প্রতিদিন হাঁটুপানি পেরোতে হয় ১৩২ শিক্ষার্থীর

বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি
স্কুলব্যাগ কাঁধে নিয়ে প্রতিদিন হাঁটুপানি পেরোতে হয় ১৩২ শিক্ষার্থীর
এভাবেই প্রতিদিন হাঁটু সমান পানি পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয় নওগাঁর বদলগাছীর গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। ছবি : কালের কণ্ঠ।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্ষা এলেই শিক্ষা যেন আর শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ থাকে না; শুরু হয় সেখানে পৌঁছানোর লড়াই। হাঁটু সমান পানি পেরিয়ে, কাঁধে স্কুলব্যাগ আর হাতে জুতা নিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে হয় ১৩২ জন শিক্ষার্থীকে। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের একমাত্র যাতায়াতের পথ তলিয়ে যাওয়ায় শিশুদের এই দুর্ভোগ এখন নিত্যদিনের চিত্র।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৩২ শিক্ষার্থীর স্কুল থেকে হাঁটু পানি পেরিয়ে বাড়ি ফেরার চিত্র চোখে পরে। কারো জামা কাপড় ভেজা, কারো হাতে পায়ে কাদা। এটি কোনো দুর্গম হাওর বা বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল নয়। উপজেলা সদর থেকে খুব বেশি দূরেও নয় বিদ্যালয়টি। অথচ শিক্ষার মৌলিক পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার কথা যেখানে, সেখানে বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে হয় হাঁটু সমান পানি মাড়িয়ে। ছোট ছোট শিশুদের অনেকেই বই-খাতা ভিজে যাওয়ার ভয়ে ব্যাগ মাথার ওপরে তুলে কিংবা কাঁধে ঝুলিয়ে পথ পাড়ি দেয়। জুতা হাতে নিয়েই পানির ভেতর দিয়ে হাঁটতে হয় তাদের।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। প্রতিদিন পানি পেরিয়ে যাতায়াতের কারণে বই-খাতা ও পোশাক নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও। অনেক অভিভাবক ছোট শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

00

বিদ্যালয়ের শিক্ষক জানান, কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। শুধু রাস্তা নয়, বিদ্যালয়ের পুকুর-সংলগ্ন একটি ভবনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, যথাসময়ে সংস্কার না হলে ভবনটি ধসে পরে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান হয়নি। অথচ এই পথ ব্যবহার করেন শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নন, আশপাশের গ্রামের মানুষও।

গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ধরে রাখতে শিক্ষার্থীরা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই স্কুলে আসছে। কিন্তু নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একটি বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে যদি প্রতিদিন হাঁটুসমান পানি পেরোতে হয়, তবে তা শুধু একটি গ্রামের সমস্যা নয়, এটি শিক্ষা অবকাঠামোর দুর্বলতারও প্রতিচ্ছবি।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি সরজমিনে দেখেছি। শিশুরা খুব কষ্ট করছে, অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা ৩৪ টি বিদ্যালয়ের নতুন রাস্তা নির্মাণের চাহিদা ইউএনও অফিসে দিয়েছি। দ্রুত কাজ হওয়ার কথা।’

11

এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, ‘উপজেলায় অন্তত ৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাতায়াতব্যবস্থায় সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিস্থিতিও তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাবনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩২ শিক্ষার্থীর প্রশ্ন এখন একটাই। শিক্ষার পথে এই জলাবদ্ধতার বাধা কবে দূর হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আর আশ্বাস নয়; দ্রুত রাস্তা সংস্কার ও স্থায়ী পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচির এক পর্যায়ে শিক্ষা বোর্ড সংলগ্ন সড়ক অবরোধ করলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ বিআরটিসি কাউন্টার এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন শ্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে নানা অসংগতি, পরীক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা এবং শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া উপেক্ষা করা হচ্ছে। এসব সমস্যার সমাধান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন।

পরীক্ষা শেষে বিভিন্ন হল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে আরো শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে যোগ দিলে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

সড়ক অবরোধের কারণে রাস্তার দুই পাশে শত শত গণপরিবহন, দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পরে। এতে যাত্রী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, সাম্প্রতিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল ও অসংগতি থাকায় তারা কাঙ্ক্ষিত উত্তর দিতে পারেননি। এ সময় কয়েকজন পরীক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পরেন। কর্মসূচি চলাকালে আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন এবং শিক্ষাব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কারের আহ্বান করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।

এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরার আশ্বাস দিয়েছেন।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বিভিন্ন বিভাগে গিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, পরিবার ছেড়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছে। তবে তারা একা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিভাবকের মতো সব সময় তাদের পাশে থাকবে। মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।

বিভিন্ন বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অনুষদের ডিন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

সুবিধাবঞ্চিত দৃষ্টিহীন মিতু : কুড়িগ্রামে শিক্ষানীতির চরম লঙ্ঘন | কালের কণ্ঠ