• ই-পেপার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ব্যাঙকে বর সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কলাভবনে, দেওয়া হয় বিয়ে

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৬ দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৬ দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার ৭৫ দিন পার হলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’। একই সঙ্গে সংগঠনটির উত্থাপিত ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নেতারা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম ফারাবী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এ সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরো কয়েকটি হয়রানি ও নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সুমা ডুমরী বলেন, ঘটনার পর নারী নিরাপত্তা মঞ্চ প্রশাসনের কাছে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করলেও এখন পর্যন্ত একটি দাবিও বাস্তবায়িত হয়নি। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিকবার এসব দাবির বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাযিহা বিনতে শামসুদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী নিরাপত্তা সংকট একটি কাঠামোগত সমস্যা। তার অভিযোগ, কার্যকর সংস্কারের পরিবর্তে প্রশাসন পুরো ক্যাম্পাসে অপরিকল্পিতভাবে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের মতো সীমিত পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, অতীতেও বিভিন্ন ঘটনার পর সিসিটিভি ক্যামেরাসহ নানা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও অপরাধ কমেনি।

বক্তারা জানান, নারী নিরাপত্তা মঞ্চের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনাগুলোর বিচার নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কার এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা।

সমাবেশ থেকে দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।

ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

তরুণদের মানবাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে সচেতন করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘হিউম্যান রাইটস ফ্রম থিওরি টু প্র্যাকটিস’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব ও ড্যানিশ ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটসের (ডিআইএইচআর) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সহযোগিতা করছে রয়্যাল ড্যানিশ এম্বাসি। এতে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৫টি বিভাগের ৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

আয়োজকরা জানান, কর্মশালায় মানবাধিকারের মৌলিক ধারণা, নীতিমালা, আন্তর্জাতিক কাঠামো ও সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম, দলীয় আলোচনা ও বাস্তবভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে মানবাধিকার বিষয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার কৌশল শেখানো হচ্ছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্তিমূলক যোগাযোগ, অ্যাডভোকেসি, নাগরিক শিক্ষা এবং স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া গল্প ও শিল্পের মাধ্যমে মানবাধিকারের বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপনের কৌশল সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) কর্মশালার শেষ দিনে শিক্ষার্থীরা দলগতভাবে নিজেদের অ্যাকশন প্রজেক্টের পরিকল্পনা প্রস্তুত ও উপস্থাপন করবেন। নির্দিষ্ট সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগের পরিকল্পনা তৈরি করবেন তারা।

অভিজ্ঞতা বিনিময়, মূল্যায়ন এবং সফল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার সমাপ্তি হবে।

ঢাবির বাংলা বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী পেলেন ‘সেতারা মূসা বৃত্তি’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির বাংলা বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী পেলেন ‘সেতারা মূসা বৃত্তি’
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের ১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘সেতারা মূসা বৃত্তি ২০২৪-২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে এ বৃত্তির অর্থ ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।

এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন বৃত্তি তহবিলের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, কিংবদন্তি সাংবাদিক এবিএম মূসা ছিলেন সত্যনিষ্ঠা, সাহস ও নৈতিকতার প্রতীক। তিনি আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বাংলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সেতারা মূসার স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিষ্ঠিত এ বৃত্তি তহবিলকে তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বৃত্তির আর্থিক মূল্য ছাড়াও এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যের স্বীকৃতি। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আরো ভালো ফলাফল অর্জন ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করবে।

উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, কলা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং ট্রাস্ট ফান্ডের দাতা পরিবারের সদস্য ব্যারিস্টার মো. আফতাব উদ্দিন।

বাংলা বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সোহানা মাহবুবের স্বাগত বক্তব্যের পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন)।

এ বছর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন নাইম সিরাজ, ফাবিহা বুশরা প্রিয়ন্তি, তনুজা বিশ্বাস প্রজ্ঞা, তাসনিয়া জাহান মুনমুন, নুসরাত জাহান সুবর্ণা, আনিকা তাবাসসুম, সাবিকুন নাহার, আনিবা তাসনীম, আলপনা আক্তার, সালমা বেগম ও আ. খালেক।

উল্লেখ্য, তহবিলের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর বাংলা বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। স্নাতকোত্তরে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে এককালীন ২০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া স্নাতকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী বর্ষে অধ্যয়নরত সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ১৫ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকারীদের ১০ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

একসময় পৃথিবীতে ছিল ৭৫ হাজার ভাষা, এখন টিকে আছে সাড়ে ৭ হাজার

অনলাইন ডেস্ক
একসময় পৃথিবীতে ছিল ৭৫ হাজার ভাষা, এখন টিকে আছে সাড়ে ৭ হাজার
ছবি: রয়টার্স

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৭ হাজার ৫০০টি ভাষা ব্যবহার করা হয়। তবে একসময় পৃথিবীতে ৩০ হাজার থেকে ৭৫ হাজারেরও বেশি ভাষা প্রচলিত ছিল। নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ। এতে গত ১২ হাজার বছরের ভাষার ইতিহাস বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকরা গণিত, ভাষাবিজ্ঞান, নৃতত্ত্ব এবং জনসংখ্যার তথ্য ব্যবহার করে ভাষার সংখ্যা নির্ধারণের চেষ্টা করেছেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, সর্বশেষ বরফ যুগের শেষের দিকে, অর্থাৎ প্রায় ১২ হাজার বছর আগে, পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা কম ছিল। তারা ছোট ছোট যাযাবর দলে বসবাস করত। তখন পৃথিবীতে আনুমানিক ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ২০০টি ভাষা ছিল।

পরে মানুষ কৃষিকাজ শুরু করে। স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে। জনসংখ্যাও বাড়তে থাকে। এতে বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন নতুন ছোট জনগোষ্ঠী তৈরি হয়। তাদের সঙ্গে নতুন ভাষারও জন্ম হয়। একসময় পৃথিবীতে ভাষার সংখ্যা ৩০ হাজার থেকে ৭৫ হাজারের বেশি হয়ে যায়। গবেষকদের মতে, এ সময়টিই ছিল ভাষার স্বর্ণযুগ।

কিন্তু পরে বড় বড় সাম্রাজ্যের বিস্তার শুরু হয়। এরপর ইউরোপীয় উপনিবেশবাদ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক জায়গায় স্থানীয় মানুষকে নিজেদের ভাষা ছেড়ে শাসকদের ভাষা ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়। ফলে ধীরে ধীরে হাজারো ভাষা হারিয়ে যেতে থাকে।

গবেষকদের ভাষ্য, কোনো ভাষা হারিয়ে গেলে শুধু একটি ভাষাই হারায় না। হারিয়ে যায় সেই ভাষাভাষী মানুষের ইতিহাস, সংস্কৃতি, স্মৃতি এবং বহু প্রজন্মের জ্ঞান।

গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর বহু প্রাচীন ভাষা আজ আর নেই। সুমেরীয়, আক্কাদীয়, হিট্টাইট ও এট্রুস্কান ভাষা এর উদাহরণ। আবার কিছু ভাষা সময়ের সঙ্গে বদলে নতুন ভাষায় রূপ নিয়েছে। যেমন, লাতিন ভাষা থেকে ফরাসি, ইতালীয় ও স্প্যানিশ ভাষার জন্ম হয়েছে।

ইতিহাসে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীও ভাষা দমনের চেষ্টা করেছে। ইংল্যান্ড আয়ারল্যান্ডে আইরিশ ভাষা ব্যবহারে বাধা দেয়। স্পেন আমেরিকার আদিবাসীদের ভাষা নিষিদ্ধ করে। পর্তুগাল ব্রাজিলে স্থানীয় ভাষা দমন করে। ফ্রান্স আফ্রিকার উপনিবেশগুলোতে ফরাসি ভাষা চাপিয়ে দেয়। জাপানও কোরিয়ায় কোরীয় ভাষা দমনের চেষ্টা করেছিল। তবে ইনকা, মায়া ও অ্যাজটেক সভ্যতার কিছু ভাষা এসব বাধা পেরিয়েও টিকে আছে।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক ভাষাই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। আর বিশ্বের ৯০ শতাংশ মানুষ মাত্র ১০ শতাংশ ভাষায় কথা বলে। ফলে ছোট ছোট অনেক ভাষা ভবিষ্যতে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্যাঙকে বর সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কলাভবনে, দেওয়া হয় বিয়ে | কালের কণ্ঠ