• ই-পেপার

জাবিপ্রবি

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী ঐশী-প্রিয়াসহ ৪৫ শিক্ষার্থীকে শাস্তি

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমনা পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমনা পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত
প্রতীকী ছবি

বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং যাতায়াতের দুর্ভোগ বিবেচনায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমনা পরীক্ষার অবশিষ্ট সব বিষয় অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্তের আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের আওতাধীন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব প্রতিষ্ঠান প্রধান, পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের অবগতির জন্য এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের অসুবিধাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় ২০২৬ সালের চলমান এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা ২০২৬-এর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অবশিষ্ট বিষয়সমূহের পরীক্ষা পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি যথাসময়ে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান প্রধান, পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন জেলা ব্যাতীত) অন্যান্য জেলার পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

রাবিতে ‘ছাত্রলীগমুক্ত দিবস’ উপলক্ষে প্রতীকী ধাওয়া কর্মসূচি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
রাবিতে ‘ছাত্রলীগমুক্ত দিবস’ উপলক্ষে প্রতীকী ধাওয়া কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

২০২৪ সালের ১৬ জুলাইয়ের ঘটনাকে স্মরণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘ছাত্রলীগমুক্ত দিবস’ পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগকে ‘দে ধাওয়া’ শিরোনামে প্রতীকী ধাওয়া (ম্যারাথনের) কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিজয়-২৪ হল ছাত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয় ২৪ হলের সামনে এসে কর্মসূচি শেষ করেন।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন দেখা যায়। ম্যারাথনের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে প্রতীকীভাবে উপস্থাপন করা হয়।

বিজয় ২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বলেন, ‘২০২৪ সালের এই দিনে ধাওয়া দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাত্রলীগমুক্ত করা হয়েছিল। সেই স্মৃতি ধরে রাখতেই আজ ‘দে ধাওয়া’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সব ধরনের সন্ত্রাস ও সহিংসতার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অবস্থান তুলে ধরাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।’

রাকসুর সাধারণ সম্পাদক  (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘দুই বছর আগে যে ছাত্রসংগঠন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল, আন্দোলনের মুখে তারা কীভাবে ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল, আজকের আয়োজন তারই প্রতীকী উপস্থাপন। এরপর থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ আর মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সাহস দেখাতে পারেনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘জুলাইয়ের দিনগুলো আমাদের আন্দোলনের ইতিহাসের অংশ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকা এবং কারফিউয়ের মধ্যেও রাজশাহীতে আন্দোলনের সমন্বয় বজায় ছিল। তাই প্রতিবছর এসব দিন বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে স্মরণ করতে চাই।’

বিজয়-২৪ হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) রাসেল মিয়া বলেন, ‘আজকের আয়োজন ২০২৪ সালের ১৬ জুলাইয়ের ঘটনার প্রতীকী পুনর্নির্মাণ। সেদিন তৎকালীন বঙ্গবন্ধু হল, মতিহার হল ও শেরে বাংলা হল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। প্রতীকী ম্যারাথনে ছাত্রলীগের তৎকালীন কয়েকজন নেতার প্রতীকী চরিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহ নতুন শিক্ষার্থীদের কাছেও তুলে ধরা যায়।’

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সে সময়ের ঘটনাবলি তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

জুলাই শহীদদের স্মরণে বাকৃবিতে ছাত্রদল-শিবিরের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

বাকৃবি প্রতিনিধি
জুলাই শহীদদের স্মরণে বাকৃবিতে ছাত্রদল-শিবিরের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল
জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রদলের স্মরণসভা।

জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ও ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পৃথকভাবে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগ দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠিত হয়। পরে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে স্মরণসভার আয়োজন করে শাখা ছাত্রদল।

ছাত্রশিবিরের আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও শাখা শিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন। এ ছাড়া শাখা শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম।

এ সময় শাখা শিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরে গড়ে ওঠা ফ্যাসিবাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে বুক পেতে তারা শহীদ হয়েছেন। স্বাধীনতার চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। জুলাই আমাদের নতুন এক স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছে। এখন সেই স্বাধীনতা রক্ষা করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভবিষ্যতে যেন কোনো সরকার মানুষের ওপর জুলুম করতে না পারে এবং আর কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

00
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ছাত্রশিবিরের দোয়া মাহফিল।

অন্যদিকে ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ. এম. শোয়াইব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সর্দার, বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সোনালী দলের সভাপতি ড. আলি রেজা ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ড. আহমেদ খায়রুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এবং সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. সোনিয়া সেহেলী।

স্মরণসভায় বক্তারা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, ‘শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও ন্যায়বিচারের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে শহীদদের আদর্শ ও আত্মত্যাগকে জাতীয় জীবনে যথাযথ মর্যাদায় ধারণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। অনুষ্ঠানের শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।’

সভাপতির বক্তব্যে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘এই অনুষ্টানে সকলে একত্র করতে আমার এবং আমার সহযোগীদের কতটা কষ্ট করতে হয়েছে এটা হয়তো বলে প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। আমার শুধু আমাদের প্রশাসনের কাছে একটাই চাওয়া আপনারা আমাদের ভালো নাই বাসতে পারেন কিন্তু একটু জানতে চাবেন যে আমরা ভালো আছি কিনা। আমাদের সমর্থকেরা ভালো আছে কিনা, যাদের আশ্রয়ে আমরা স্বৈরাচার আমলে ছিলাম তারা ভালো আছে কিনা। ছাত্রদলের যে মেধাবী শিক্ষার্থী ৭ শতাংশের মধ্যে জায়গা করে নেয় সে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হচ্ছে কি না। এসকল বিষয়ে তদারকি করবেন আমরা আশা করি।’

আর্থিক সংকটে ভর্তি অনিশ্চিত শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াল নোবিপ্রবি সাদাদল

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
আর্থিক সংকটে ভর্তি অনিশ্চিত শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াল নোবিপ্রবি সাদাদল
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ভর্তি হতে এসে আর্থিক সংকটের কারণে চূড়ান্ত ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন এক শিক্ষার্থী। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে যখন তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তখন মানবিক উদ্যোগ নিয়ে পাশে দাঁড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদাদল। তাদের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীটি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীর আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয়টি প্রথমে নজরে আসে নোবিপ্রবির বগুড়া জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ হৃদয়ের। বিষয়টি জানার পর তিনি দ্রুত নোবিপ্রবি সাদাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদকে অবহিত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভর্তি-সংক্রান্ত নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় শিক্ষার্থীটি চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন।

বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাদা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, ‘টাকার অভাবে একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তি আটকে যেতে পারে না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বগুড়া জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ থেকে একজন জানায় যে একজন শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছে না। এটি শুধু সাদাদলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব ছিল সেই শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করা, যাতে সে নির্বিঘ্নে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে। আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘অর্থের অভাবে যেন কোনো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেমে না যায়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আরও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। নোবিপ্রবি সাদাদল ভবিষ্যতেও এমন বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে আর্থিক সংকট অনেক শিক্ষার্থীর জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়। এমন সময়ে ব্যক্তি বা সংগঠনের মানবিক উদ্যোগ একজন শিক্ষার্থীর জীবন ও ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। নোবিপ্রবি সাদাদলের এ উদ্যোগও মানবিক দায়িত্ববোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের একাংশের আশা, বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আরো কার্যকর সহায়তা তহবিল ও জরুরি সহযোগিতা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে ভবিষ্যতে অর্থের অভাবে কোনো শিক্ষার্থীর ভর্তি বা শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হবে না। 

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী ঐশী-প্রিয়াসহ ৪৫ শিক্ষার্থীকে শাস্তি | কালের কণ্ঠ