• ই-পেপার

১ মাস পর খুলল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে আজ

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে আজ

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ রবিবার (৭ জুন) থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ফের শুরু হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। 

২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, গত ২৪ মে থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়েছিল।

অন্যদিকে দেশের আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের মাদরাসাগুলোতে ছুটি আরও দীর্ঘ। মাদরাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের ছুটি চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। এরপর ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন থেকে মাদরাসাগুলোতে ফের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে, ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও ছুটি দেওয়া হয়। বেশির ভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামীকাল সোমবার থেকেই ক্লাস কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের আশা, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আবারও প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠবে। তবে গরমের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক ড. আমির হোসেন

বাকৃবি প্রতিনিধি
জাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক ড. আমির হোসেন
অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন। সংগৃহীত ছবি

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন। শনিবার (৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ (সংশোধিত-২০২৫) এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ড. আমির হোসেন তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, সেই সময় পর্যন্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

এ ছাড়া প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

জাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সংগৃহীত ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর এ দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময়ে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। 

এ ছাড়া তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি, আইন ও বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

ড. নজরুল ইসলাম বর্তমানে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর যুগ্ম মহাসচিব এবং জাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ঢাকা বিভাগের মনিটর হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও তার রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সহকারী প্রক্টর ও হাউস টিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সাল থেকে তিনি ফজিলাতুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। 

বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত সিনেট সদস্য (২০১৭ সাল থেকে) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত সিনেট সদস্য (২০২৫ সাল থেকে) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

এ ছাড়া প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের
সংগৃহীত ছবি

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা— এসএসসি ও এইচএসসির সময় কমিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পড়াশোনার মানসিক চাপ কমাতে পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছে সরকার। বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের আওতায় পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা যৌক্তিকীকরণ এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করতে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও ধারণাপত্র তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। 

আরো পড়ুন
কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

 

সম্প্রতি প্রস্তাবিত এই কর্মপরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

এই উদ্যোগের বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা মিললে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হবে। সেখানে আসা মতামতগুলো পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

এনসিটিবির ধারণাপত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রায় ২৫-৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসি পরীক্ষায় ৩০-৩৫ কর্মদিবস বা তার চেয়েও বেশি সময় লেগে যায়। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। ফলে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। 

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীদের ওপর অসহনীয় মানসিক চাপ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পাঠদান থেকে বিরত থাকতে হয়। পরবর্তীতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেশনজটের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। 

আরো পড়ুন
টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

 

মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেলে এ বিষয়ে দুই দিনব্যাপী একটি বিশেষ কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এনসিটিবির। যার মূল উদ্দেশ্য—এসএসসি ও এইচএসসির বিদ্যমান বিষয় কাঠামো পর্যালোচনা, পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমানোর কার্যকর কৌশল নির্ধারণ, প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই, ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত নির্ধারণ এবং সুপারিশমালা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করা।

সংস্থাটি আরো জানায়, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে ন্যূনতম কতটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক তা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান বিষয়গুলোর মধ্যে কোনগুলো একীভূত বা সমন্বিত করা যায়, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের পুনর্বিন্যাস কিভাবে হবে এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়নের নির্ভরযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

প্রস্তাবিত এই কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাউশি, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ প্রায় ৯০ জন বিশেষজ্ঞ ও অংশীজন এই সুপারিশমালা প্রণয়নে যুক্ত থাকবেন। কর্মশালার ৬টি পৃথক দল সাধারণ সিলেবাসের সাথে মাদ্রাসা ও কারিগরি সিলেবাসের সামঞ্জস্য রক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে।

এনসিটিবি’র সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক বলেন, ‘পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা এবং কর্মদিবস কিভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র দিয়েছি। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। পরীক্ষা সংক্রান্ত মূল বিষয়গুলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত হবে।’

প্রক্রিয়াটির বর্তমান অগ্রগতি প্রসঙ্গে এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, প্রাথমিক রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও এই মুহূর্তে এ বিষয়ে নতুন কোনো কার্যক্রম নেই। কারণ, এনসিটিবির পুরো টিম এখন আগামী শিক্ষাবর্ষের বইগুলোর জরুরি পরিমার্জন (কারেকশন) এবং সেগুলো পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এই উদ্যোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সম্প্রতি একটি সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

১ মাস পর খুলল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান | কালের কণ্ঠ