• ই-পেপার

জাবির নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম

জাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক ড. আমির হোসেন

বাকৃবি প্রতিনিধি
জাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক ড. আমির হোসেন
অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন। সংগৃহীত ছবি

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন। শনিবার (৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ (সংশোধিত-২০২৫) এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ড. আমির হোসেন তার যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, সেই সময় পর্যন্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

এ ছাড়া প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের
সংগৃহীত ছবি

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা— এসএসসি ও এইচএসসির সময় কমিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পড়াশোনার মানসিক চাপ কমাতে পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছে সরকার। বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের আওতায় পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা যৌক্তিকীকরণ এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করতে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও ধারণাপত্র তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। 

আরো পড়ুন
কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

 

সম্প্রতি প্রস্তাবিত এই কর্মপরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

এই উদ্যোগের বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা মিললে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হবে। সেখানে আসা মতামতগুলো পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

এনসিটিবির ধারণাপত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রায় ২৫-৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসি পরীক্ষায় ৩০-৩৫ কর্মদিবস বা তার চেয়েও বেশি সময় লেগে যায়। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। ফলে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। 

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীদের ওপর অসহনীয় মানসিক চাপ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পাঠদান থেকে বিরত থাকতে হয়। পরবর্তীতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেশনজটের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। 

আরো পড়ুন
টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

 

মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেলে এ বিষয়ে দুই দিনব্যাপী একটি বিশেষ কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এনসিটিবির। যার মূল উদ্দেশ্য—এসএসসি ও এইচএসসির বিদ্যমান বিষয় কাঠামো পর্যালোচনা, পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমানোর কার্যকর কৌশল নির্ধারণ, প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই, ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত নির্ধারণ এবং সুপারিশমালা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করা।

সংস্থাটি আরো জানায়, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে ন্যূনতম কতটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক তা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান বিষয়গুলোর মধ্যে কোনগুলো একীভূত বা সমন্বিত করা যায়, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের পুনর্বিন্যাস কিভাবে হবে এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়নের নির্ভরযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

প্রস্তাবিত এই কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাউশি, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ প্রায় ৯০ জন বিশেষজ্ঞ ও অংশীজন এই সুপারিশমালা প্রণয়নে যুক্ত থাকবেন। কর্মশালার ৬টি পৃথক দল সাধারণ সিলেবাসের সাথে মাদ্রাসা ও কারিগরি সিলেবাসের সামঞ্জস্য রক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে।

এনসিটিবি’র সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক বলেন, ‘পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা এবং কর্মদিবস কিভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র দিয়েছি। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। পরীক্ষা সংক্রান্ত মূল বিষয়গুলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত হবে।’

প্রক্রিয়াটির বর্তমান অগ্রগতি প্রসঙ্গে এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, প্রাথমিক রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও এই মুহূর্তে এ বিষয়ে নতুন কোনো কার্যক্রম নেই। কারণ, এনসিটিবির পুরো টিম এখন আগামী শিক্ষাবর্ষের বইগুলোর জরুরি পরিমার্জন (কারেকশন) এবং সেগুলো পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এই উদ্যোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সম্প্রতি একটি সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দীর্ঘ ১১ বছরের অপেক্ষা, নবম পে স্কেলের সিদ্ধান্ত কোন দিকে?

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ ১১ বছরের অপেক্ষা, নবম পে স্কেলের সিদ্ধান্ত কোন দিকে?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন বেতন কাঠামোর আশায় প্রহর গুনছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আগামী ১ জুলাই থেকে ‘নবম পে স্কেল’ কার্যকরের জোরালো প্রত্যাশা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে, চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের দিনই এই ধোঁয়াশা কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন পে স্কেল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব তথ্য গণমাধ্যমে এসেছে, তার সবই বিভিন্ন সূত্রনির্ভর। কোনো মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বা পে-কমিশনের সদস্যরা এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে শুরু হওয়া এই অস্পষ্টতা বর্তমান সরকারের আমলেও বজায় রয়েছে। ফলে ১ জুলাই থেকে পে স্কেল আদৌ কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের মনে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক বলেন, ‘মনের ভেতরে একটা ভয় থেকেই যাচ্ছে যে সরকার তো কিছুই বলেনি। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত ব্রিফিং দেওয়া হলেও, আসন্ন পে স্কেল নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ঘোষণা আমরা পাইনি। অর্থ মন্ত্রণালয় বা অর্থ-সচিবের নীরবতার কারণেই কর্মচারীদের মধ্যে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’

কর্মচারী নেতারা মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘ ১১ বছর নতুন পে স্কেল না পাওয়ায় সাধারণ কর্মচারীরা চরম সংকটে আছেন। তা ছাড়া নির্বাচনী ইশতেহারেও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এলে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আগামী ১১ জুন সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে, যার সম্ভাব্য আকার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা, বিশাল এই বাজেটে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হবে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সরকার তিন বছরে মোট তিন ধাপে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। দায়িত্বশীল সূত্রের আভাস, এই খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ বছরের ১ জুলাই নতুন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা দেওয়া হতে পারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর হতে পারে। এ ছাড়া ২০২৮-২৯ অর্থবছরে নতুন পে স্কেলের আওতাধীন বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা চালু হতে পারে।

সরকারের এই ধীরগতির বাস্তবায়ন পরিকল্পনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ‘ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের’ এই খবরের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

তারা উল্লেখ করেন, গত ১১ বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হলেও সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। ফলে অনেক নিম্নপদস্থ কর্মচারী বাধ্য হয়ে চাকরির পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করছেন। অতীতে পে স্কেল কার্যকরের আগে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হতো এবং প্রথম ধাপে শতভাগ মূল বেতন ও দ্বিতীয় ধাপে ভাতা চালু করা হতো। এবারও সেই পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানান নেতারা।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটতে যাচ্ছে আগামী সপ্তাহেই। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ৭ জুন বিকেল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এরপর ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন। সেদিনের বাজেট ঘোষণাতেই চূড়ান্তভাবে স্পষ্ট হবে—সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকার কী ভাবছে এবং চাকরিজীবীদের বিদ্যমান শঙ্কা কাটবে নাকি আরো ঘনীভূত হবে।

দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে রবিবার

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে রবিবার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে টানা ছুটি শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রবিবার (৭ জুন) দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আবার পাঠদান শুরু হবে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর শ্রেণিকক্ষে ফিরবে লাখো শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে গত ২৪ মে (২১ মে, বৃহস্পতিবারের ক্লাস শেষে শুরু হয় এ ছুটি, এরপর ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি ছিল) থেকে ছুটি শুরু হয় এসব প্রতিষ্ঠানে। নির্ধারিত ছুটি শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো খুলছে ৭ জুন ২০২৬ অর্থাৎ, রবিবার। এতে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ১৬ দিনের ছুটি পেয়েছে।

অপর দিকে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা আরো দীর্ঘ ছুটি পেয়েছে। আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের মাদরাসাগুলোয় ২৪ মে শুরু হওয়া এ ছুটি চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। পরে ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন রবিবার ক্লাস শুরু হবে। ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা প্রায় ২৩ দিনের ছুটি পেয়েছে।