• ই-পেপার

নিবন্ধনে অনিয়ম

জাল সনদে চাকরি করছেন ১১৫৬ শিক্ষক

মেস থেকে ববি শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

ববি প্রতিনিধি
মেস থেকে ববি শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
উচ্ছ্বাস কর্মকার। সংগৃহীত ছবি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উচ্ছ্বাস কর্মকারের অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন খালপাড় এলাকার একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় অবস্থিত একটি মেসের কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেসের ওই কক্ষটি কয়েকদিন ধরে ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। এক পর্যায়ে কক্ষ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে আশপাশের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে বরিশাল বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ঝুলন্ত অবস্থায় অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা, ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।’

উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে বরিশাল বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, ‘লাশের সার্বিক অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত দুই দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। আত্মহত্যা কি না, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

জাবি মেডিক্যাল সেন্টারে ২১ দিনে প্রায় ২০ হাজার ওষুধের গরমিল

জাবি প্রতিনিধি
জাবি মেডিক্যাল সেন্টারে ২১ দিনে প্রায় ২০ হাজার ওষুধের গরমিল
সংগৃহীত ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মেডিক্যাল সেন্টারে মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিল ধরা পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ ক্রয় কমিটির আকস্মিক মজুদ যাচাইয়ে প্রায় ৭৩ হাজার ১০১ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের ওষুধের হিসাবের সঙ্গে স্টোরে থাকা ওষুধের বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মেডিক্যাল সেন্টারের ওষুধ সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)।

ওষুধ ক্রয় কমিটির সদস্য সচিব ও সহকারী কম্পট্রোলার মো. ফখরুল ইসলাম সূত্র জানায়, গত ১ জুলাই মেডিক্যাল সেন্টারের জন্য নতুন করে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ কেনা হয়। এর মধ্যে শুধু অ্যালাট্রল কেনা হয়েছিল ৯ হাজার পিস। অল্প সময়ের মধ্যেই ওষুধটির মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় কমিটির সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও ওষুধ ক্রয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের নির্দেশে মেডিক্যাল সেন্টারের স্টোরে আকস্মিক অডিট পরিচালনা করা হয়। এতে অংশ নেন ওষুধ ক্রয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সালেকুল ইসলাম, সদস্যসচিব মো. ফখরুল ইসলাম এবং জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক। অডিটে স্টোরের ওষুধের মজুদ ও রেজিস্টারের হিসাবের মধ্যে বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ে।

অডিটে দেখা যায়, রেজিস্টার অনুযায়ী অ্যালাট্রল থাকার কথা ছিল ৪ হাজার ৬৪৫ পিস, কিন্তু স্টোরে একটিও পাওয়া যায়নি। অ্যাজিথ্রোমাইসিন ১ হাজার ২১৮ পিসের স্থলে পাওয়া গেছে মাত্র ৩০৬ পিস। সিপ্রোসিন ২ হাজার ৪০০ পিসের বিপরীতে পাওয়া যায় ১ হাজার ৯৮০ পিস। প্যারাসিটামল ১৫ হাজার পিস থাকার কথা থাকলেও পাওয়া যায় ১০ হাজার পিস। এছাড়া টাইমোনিয়াম ৭০০ পিস, ফ্যামোটিডিন ২ হাজার ৫০০ পিস ও ন্যাপরন ৯৯০ পিসের একটিও স্টোরে পাওয়া যায়নি। অ্যান্টানিল ৫ হাজার ৬০০ পিসের বিপরীতে পাওয়া যায় ৫ হাজার ৪০০ পিস এবং ডমপেরিডোন ৫ হাজার ৮০০ পিসের বিপরীতে পাওয়া যায় মাত্র ১ হাজার ৬০০ পিস। সব মিলিয়ে ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭৩ হাজার ১০১ টাকা।

একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই মেডিক্যাল সেন্টারে ওষুধের হিসাব-নিকাশে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে আগে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেননি।

এ বিষয়ে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নূর-এ-কামাল বলেন, ‘স্টোরের চাবি আমার কাছেই থাকে এবং আমি নিজেই ওষুধ বিতরণ করি। কিন্তু কিভাবে ওষুধের ঘাটতি হলো, তা বুঝতে পারছি না। প্রয়োজন হলে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা যেতে পারে।’

মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. শামছুর রহমান বলেন, ‘স্টোরের চাবি ও মজুদের দায়িত্ব স্টোর অফিসারের কাছে। ওষুধ কোথায় গেছে, সে বিষয়ে তিনিই ভালো বলতে পারবেন। বিষয়টি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যকে (প্রশাসন) জানিয়েছি। আনুষ্ঠানিক তদন্তের মাধ্যমে গরমিলের কারণ অনুসন্ধান করা হবে এবং ভবিষ্যতে ওষুধ সংরক্ষণ ও হিসাব ব্যবস্থাপনায় আরো কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হবে।’

ওষুধ ক্রয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সালেকুল ইসলাম বলেন, ‘আগেও অভিযোগ পেয়েছিলাম যে খাতা-কলমে যে পরিমাণ ওষুধ বিতরণের হিসাব দেখানো হয়, বাস্তবে তা সঠিক নয়। আকস্মিক অডিটে ব্যাপক গরমিল পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে। এরপর প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

এদিকে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে জাকসুর পক্ষ থেকে প্রচারিত এক বার্তায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরুরি ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে আমরা মেডিক্যাল সেন্টারের ওষুধের হিসাব যাচাই করি। সেখানে মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে। প্যারাসিটামল, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিহিস্টামিন, গ্যাস্ট্রিক ও ব্যথানাশকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ স্টোরে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও মেডিক্যাল সেন্টারের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মেডিক্যাল সেন্টারে ওষুধ সংকটের অভিযোগ নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছিল। হিসাব অনুযায়ী সংকট হওয়ার কথা নয়। তাই আকস্মিকভাবে মজুদ যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়। অডিটে বেশ কিছু গরমিল পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ল্যাবরেটরির ওষুধ সরবরাহ, ব্যবহার ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে।’

শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষকদের এমনভাবে কাজ করতে হবে, যেন তারা শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করেন। ‌শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তানের মতো করেই শিক্ষা দিতে হবে। তাদেরকে নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী পারিবারিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে পিটিআই মিলনায়তনে অধিকতর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের করণীয় বিষয়ে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। এ ছাড়া শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে আরো উন্নত প্রশিক্ষণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

নতুন প্রজন্মকে নিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম অনেক সময় বিপথগামী হয়ে যায়। লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে মোবাইল ও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীও লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের আনন্দময় শিক্ষা এবং খেলাধুলার মধ্য দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। এ জন্য আমরা দেশব্যাপী প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম থেকে এর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, স্কুলের প্রতি বাচ্চাদের আকৃষ্ট করতে সরকার বিনা মূল্যে স্কুলড্রেস দিতে যাচ্ছে। এ ছাড়া মিডডে মিলসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন ছাড়া আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব না। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

ঢাবির উপাচার্যের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবির উপাচার্যের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। বৈঠক শেষে হাইকমিশনার ও উপাচার্য যৌথভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে পাকিস্তান হাইকমিশনের অর্থায়নে স্থাপিত একটি কম্পিউটার ল্যাব এবং সংস্কার করা শ্রেণিকক্ষের উদ্বোধন করেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাবি উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, গবেষণায় অংশীদারি এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ উদ্যোগের আওতায় দেওয়া আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আগ্রহের বিষয়টি উপাচার্যকে অবহিত করেন। উভয় পক্ষই মত প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জনগণের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে শিক্ষা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত উর্দু বিভাগটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিভাগ। এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিভাগটি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। তিনি উর্দু বিভাগের উন্নয়নে পাকিস্তান হাইকমিশনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, ‘এ উদ্যোগ শিক্ষা উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধ জোরদার এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভাষাগত বৈচিত্র্য, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবে উর্দু বিভাগকে সংরক্ষণ ও বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।’

জাল সনদে চাকরি করছেন ১১৫৬ শিক্ষক | কালের কণ্ঠ