• ই-পেপার

ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক হলেন তাবিথ আউয়াল

ভুয়া ঋণের ফাঁদ সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করল এডিবি

অনলাইন ডেস্ক
ভুয়া ঋণের ফাঁদ সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করল এডিবি
সংগৃহীত ছবি

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) নাম, লোগো ও কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের প্রতারণা সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। 

এডিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এডিবি কখনোই কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ, অনুদান, তহবিল বা অন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে না। একইভাবে, এডিবি কোনো ব্যক্তির কাছে আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য চায় না এবং মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থ জমা দেওয়ারও অনুরোধ করে না।

এডিবি জানায়, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতারকরা এডিবি ও এর কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে নকল ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ভুয়া পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য প্রতারণামূলক উপকরণ তৈরি করছে। এসবের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এডিবির কোনো সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে জনসাধারণকে এ ধরনের ভুয়া ঋণের প্রস্তাব সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং এ ধরনের যোগাযোগে কোনো ধরনের সাড়া না দেওয়ার জোরালো পরামর্শ দিয়েছে এডিবি। 

এ ছাড়া এডিবির ঋণ বা আর্থিক সহায়তার নামে কেউ যোগাযোগ করলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে এডিবি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এবং বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে। তাই এডিবির প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে কেউ যদি সরাসরি ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়, তবে সেটি প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এডিবির নাম, কর্মকর্তাদের পরিচয় বা অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে পরিচালিত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড এবং এ ধরনের প্রতারণা এড়িয়ে চলার প্রাতিষ্ঠানিক পরামর্শ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এডিবির ‘সতর্কবার্তা ও পরামর্শসমূহ’ দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধিতে একটি শীর্ষস্থানীয় বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই উন্নয়ন সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৯, যার মধ্যে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রয়েছে ৫০টি। 

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকার পরও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়ন করতে পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এ মাসের শুরুতে দেশের আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে ১৩ পয়সা ও সর্বোচ্চ হিসেবে ১৫ পয়সা বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে ডলারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৫০ পয়সা।

কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত মাসে আন্তঃব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২০ জুলাই ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ৫৮ পয়সা
ইউরো : ১৪১ টাকা ৩৬ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ২৫ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ১২ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ২৫ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ২৩ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৬৪ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৯ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৭ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭২ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ০১ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৩ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত কয়েকদিনে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, চলতি মাসের শুরুতে ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও সেটি ১২৩ টাকা ৫৮ পয়সায় পৌঁছেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিদায়ক।

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে গত ১৪ জুলাই সর্বশেষ ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয় সোনার দাম। ওই দিন ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এরপর আর সোনার দামে সমন্বয় হয়নি। ফলে আজ সোমবারও সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে। 

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য।

স্বর্ণালঙ্কার ও রুপার গয়না বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

বহরে আসছে ২১ নতুন উড়োজাহাজ : ২০ দেশের ৩০ গন্তব্যে উড়তে চায় ইউএস-বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বহরে আসছে ২১ নতুন উড়োজাহাজ : ২০ দেশের ৩০ গন্তব্যে উড়তে চায় ইউএস-বাংলা

বেশ বড় পরিসরে সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যতে ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট—দুই ধরনের এয়ারলাইন্স পরিচালনাসহ নানা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে কক্সবাজারের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

সচরাচর প্রকাশ্যে আসেন না প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন। প্রায় ১২ বছর পর সংবাদ সম্মেলনে আসলেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইউএস-বাংলা ভবিষ্যতে ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট—দুই ধরনের এয়ারলাইন্স পরিচালনা, বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে।

একইসঙ্গে দেশে কোনো কার্গো এয়ারলাইন্স নেই বলে আক্ষেপও প্রকাশ করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। বললেন, ‘বাংলাদেশে কোনো কার্গো এয়ারলাইন্স নেই—এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। এতে দেশের কানেক্টিভিটি সীমিত হয়ে যাচ্ছে।’

নতুন উড়োজাহাজ দিয়ে যাত্রা শুরু

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি এয়ারলাইন্স।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্বাধীনতার পর কোনো বেসরকারি এয়ারলাইন্স ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট দিয়ে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর কোনো বেসরকারি এয়ারলাইন্স ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট দিয়ে ডমেস্টিক অপারেশন শুরু করেনি। আমরা শুরু থেকেই নতুন এয়ারক্রাফট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছি।’

বর্তমানে ইউএস-বাংলা দেশের ৬টি অভ্যন্তরীণ এবং ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২০টি দেশের ৩০টি গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।

ফুল-সার্ভিস ও লো-কস্ট

দুটি আলাদা ধরনের এয়ারলাইন্স পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা একটি ফুল-সার্ভিস ক্যারিয়ার এবং একটি লো-কস্ট ক্যারিয়ার পরিচালনা করতে চাই, যাতে যাত্রীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বেছে নিতে পারেন।’

তিনি জানান, আগামী ২৯ জুলাই রাজধানীর একটি হোটেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।

বহরে যুক্ত হবে ২১টি নতুন উড়োজাহাজ

বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে আমাদের বহরে ২১টি ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে। আন্তর্জাতিক রুটেও আমরা নতুন এয়ারক্রাফট পরিচালনা করব।’

এসময় বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স মানেই পুরনো বিমান—এমন ধারণা সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন ইউএস-বাংলার এমডি। তিনি বলেন, ‘আমাদের বহরের গড় বয়স প্রায় ১০ বছর, যা আন্তর্জাতিক মানের। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স মানেই পুরনো বিমান—এটা সঠিক নয়।’

আধুনিক সেবা ও বিনামূল্যে ইন্টারনেট

নতুন উড়োজাহাজে আধুনিক সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘ওয়্যারলেস স্ট্রিমিং, ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট এবং প্রতিটি সিটে চার্জিং সুবিধা থাকবে। ৩০ হাজার ফিট উঁচুতেও আমরা যাত্রীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ইউএস-বাংলা ও এয়ার অ্যাস্ট্রা মিলিয়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৯৪টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। আন্তর্জাতিকসহ মাসে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করছে সংস্থাটি।

নতুন রুট ও পাইলট প্রশিক্ষণ

চেন্নাই রুট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘চেন্নাই রুটটি মূলত চিকিৎসার জন্য চালু করা হয়েছে। এটি আমাদের জন্য একটি ব্লেসিং ফ্লাইট হয়ে উঠেছে।’

মালদ্বীপ রুট নিয়েও ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাড়া কমানোর ফলে প্রবাসীরা এখন সহজে দেশে ফিরতে পারছেন।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দাম্মাম ও মদিনায় ফ্লাইট চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পন্ন হলে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফ্লাইট শুরু করব।’

মানবসম্পদ উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে ইউএস-বাংলা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ৫০ জন তরুণকে বিদেশে পাইলট প্রশিক্ষণে পাঠিয়েছি, ভবিষ্যতে আরো ২০০ জনকে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’

এভিয়েশন খাতে নীতিগত সহায়তা পেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ আরো বাড়বে বলেও মনে করেন ইউএস-বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।