• ই-পেপার

২৯ দিনে জমা পড়েছে সাড়ে ১৫ লাখ

করোনা সংকটেও বেড়েছে আয়কর রিটার্ন জমা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আবেদুর রহমান সিকদার

অনলাইন ডেস্ক
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আবেদুর রহমান সিকদার

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আবেদুর রহমান সিকদার। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তিনি ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন।

এর আগে গত ২৯ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক তাঁকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগের জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয়।

তারও আগে ২৩ জুন অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাঁর নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে যোগ দেন।

দায়িত্ব গ্রহণের আগে আবেদুর রহমান সিকদার বেসরকারি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নতুন প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি অর্থবছরে জিডিপি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে : আইএমএফ

অনলাইন ডেস্ক
চলতি অর্থবছরে জিডিপি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে : আইএমএফ

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি শ্লথ হয়ে ৩.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে প্রাক্কলন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। 

সংস্থাটি বলেছে, দেশের রাজস্ব সংগ্রহ জোরদার, ফিসকাল স্পেস (আর্থিক সক্ষমতা) তৈরি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা দূর করতে দৃঢ় সংস্কার পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মধ্যমেয়াদে এই প্রবৃদ্ধির হার আরও দুর্বল হয়ে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে আইএমএফ-এর বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার একথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘রাজস্ব সংগ্রহ জোরদার, আর্থিক সক্ষমতা তৈরি ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য সুনির্দিষ্ট সংস্কারের অনুপস্থিতিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশে নেমে আসার এবং মধ্যমেয়াদে তা আরো দুর্বল হয়ে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়ার প্রাক্কলন করেছেন।’

তিনি আরো সতর্ক করেন যে, ব্যাংকিং খাতের ধকল, রাজস্ব চ্যালেঞ্জ এবং বাহ্যিক চাপের সম্মিলিত প্রভাবে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ঝুঁকি এখনো নেতিবাচক দিকেই ঝুঁকে রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আইএমএফ সমর্থিত নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির অনুরোধের প্রেক্ষিতে ইভো ক্রজনার-এর নেতৃত্বে আইএমএফ-এর একটি কর্মী দল গত ১২ থেকে ১৬ জুলাই বাংলাদেশ সফর করে। এই মিশন সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করে এবং সরকারের সংস্কার অগ্রাধিকারগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে।

আইএমএফ-এর মতে, বাংলাদেশ এখনো উল্লেখযোগ্য রাজস্ব, আর্থিক ও মূল্যস্ফীতিজনিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।

বিনিয়োগ সেবায় একক কর্তৃপক্ষ

বিডা-বেজা-পিপিপিএ নিয়ে হচ্ছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিডা-বেজা-পিপিপিএ নিয়ে হচ্ছে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ ও শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষকে (পিপিপিএ) একীভূত করে গঠিত হচ্ছে নতুন প্রতিষ্ঠান ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’। এ লক্ষ্যে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নির্ধারিত তারিখ থেকে আইনটি কার্যকর করবে। একই সময় নতুন পরিচয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি।

আইনটি কার্যকর হলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় দেশের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে কাজ করবে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। এর মূল লক্ষ্য হবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করা। একই সঙ্গে বিনিয়োগ উন্নয়ন, শিল্পাঞ্চল ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদার (পিপিপি) কার্যক্রমকে একটি একক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা।

বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং পিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, বিনিয়োগকারীদের সহায়তা এবং নীতিগত সংস্কারে সরকারের সুস্পষ্ট অঙ্গীকারের প্রতিফলন এই উদ্যোগ। প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিনিয়োগকারীদের জন্য কার্যকর ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ কাঠামো দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। ব্যবসা পরিবেশ সংস্কার পর্যালোচনার পর জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থাও (ইউএনসিটিএডি) এমন একীভূত সংস্থা গঠনের সুপারিশ করেছিল। তার আশা, ইনভেস্ট বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে আরো শক্তভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবে।

সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিলটি পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিনিয়োগ সেবার কাঠামো আরো শক্তিশালী হবে।

নতুন কর্তৃপক্ষের আওতায় বিনিয়োগ-সংক্রান্ত অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবাগুলো সমন্বিতভাবে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন এবং বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সব সেবাকে একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার সুযোগ তৈরি হবে।

আইনে ঘোষিত শিল্পাঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি লাইসেন্স ও অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণ, পিপিপি প্রকল্প অনুমোদনের কাঠামো স্পষ্ট করা, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পের অনুমোদন সহজ করা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা ও সম্পদ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগও রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই আইনের ফলে বিভিন্ন সংস্থার কার্যপরিধির দ্বৈততা ও নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমবে, প্রশাসনিক সমন্বয় বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি আধুনিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে।

আইনটি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৬, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন-২০১০, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন-২০১৫ এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন-২০১৮ রহিত হবে। এসব আইনের আওতাধীন দায়িত্ব ও কার্যক্রম নতুন প্রতিষ্ঠান ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর অধীনে একীভূত হবে।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার বড় পতন
সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন হয়েছে। সংঘাতের কারণে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) এ বছর সুদের হার আরো বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত এই মূল্যবান ধাতুর দাম কমেছে। এর ফলে সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসার যে স্বস্তি তৈরি হয়েছিল, তা ঢাকা পড়ে গেছে। খবর রয়টার্স

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৪ ডলার ৬০ সেন্টে নেমে আসে। পাশাপাশি আগামী আগস্টে সরবরাহের জন্য মার্কিন সোনার ফিউচার চুক্তি বা ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৯ ডলার ৫০ সেন্টে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, জুনের মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক এই সংঘাতের প্রভাব প্রতিফলিত হয়নি। কারণ গত মাসে দুই দেশের মধ্যে যে অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি হয়েছিল, তা কার্যত ভেস্তে গেছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিক থেকে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ১১ শতাংশ বেড়েছে। তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে নতুন করে মূল্যস্ফীতি বাড়ার এবং সুদের হার দীর্ঘ সময় ধরে চড়া রাখার আশঙ্কা তৈরি করেছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতি বাড়লে সোনার দাম বাড়ে। তবে সুদের হার বেশি থাকলে বন্ড বা অন্য খাতে বিনিয়োগ লাভজনক হওয়ায় সোনার আকর্ষণ কমে যায়।

সংঘাত শুরু হওয়ার আগে অবশ্য জ্বালানি তেলের দাম কমায় জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা ও উৎপাদক পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি বেশ কমেছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি সব হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিয়েছে। আর্থিক বাজারগুলো এখন আর নিশ্চিত হতে পারছে না যে ফেড এ বছর সুদের হার বাড়ানো থেকে বিরত থাকবে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা এখনো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সুদের হার বাড়ার ৭৩ শতাংশ সম্ভাবনা ধরে নিয়ে বাজারে লেনদেন করছেন।

ফেড গভর্নর লিসা কুক বুধবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে সুদের হার বাড়াতে তিনি ‘পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত’। ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশ-ও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তবে তিনি কীভাবে তা করবেন সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত দেননি।

সোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৬ ডলার ৭৮ সেন্টে নেমেছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৫২ ডলার ৫০ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৯৬ ডলার ২৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।

দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

করোনা সংকটেও বেড়েছে আয়কর রিটার্ন জমা | কালের কণ্ঠ