• ই-পেপার

নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকেই প্রতিরোধ শুরু হবে

জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও

আগে বললেন ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’, এখন দাবি ‘জিম্মি’ হয়েছিলেন

অনলাইন ডেস্ক
আগে বললেন ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’, এখন দাবি ‘জিম্মি’ হয়েছিলেন
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একপক্ষ দাবি করেন, এটি কৃত্রিম বৃদ্ধিমতা দিয়ে বানানো হয়েছে। তবে রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, ভিডিও ভুয়া নয় আসল। পরে জেলা জামায়াত থেকে দাবি করা হয়, ওই নারী এমপি নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। নজরুল ইসলাম নিজেরও ওই নারীকে তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, রাজধানীর মগবাজারে একটি অফিসে তাকে ‘জিম্মি’ করে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। পরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ‘ব্যক্তিগত’ ও ‘ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত’র ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম লিখেন, ‘গত ১৩ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখে আমার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রী, যথাক্রমে মোছা. মাকছুদা বেগম ও মোছা. মরিয়াম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি। আমরা উক্ত অফিসে অবস্থানকালে যোহরের নামাজ আদায়ের পূর্বে আমার গাড়িচালক ও আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। পরবর্তীতে সে ৫/৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে আমাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং আমাদের জিম্মি করে ১ লক্ষ টাকা আদায় করে। আমি চলাচলের জন্য যে ভাড়াকৃত গাড়িটি ব্যবহার করি, ওবায়দুল্লাহর যোগসাজশে পরবর্তীতে সেটিও আটকে রেখে দফায় দফায় আমাদের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। আমরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। আমি এসময় জানতে পারি, আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’

তিনি আরো লিখেন, ‘পরবর্তীতে, হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে, গত ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে এবং আমার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে তার পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কোনো সত্যতা নেই।

যারা আমাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এদিকে গাজী নজরুল ইসলাম এ ঘটনার পর কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেননি তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া তার পোস্টে দিদারুল ইসলাম নিটন নামের একজন মন্তব্য লিখেছেন, ‘এআই বলে চালিয়ে দেওয়াতে সফল না হয়ে এখন দ্বিতীয় বড় গল্প নিয়ে এসেছে! এদের চরিত্র চমৎকার।’

বাবু আমদাদ নামে একজন লিখেছেন, ‘এমপি সাহেব আপনি টেনশন করিয়েন না, পুরুষ সবসময় মজলুম, কোনরকম যদি কিন্তু ছাড়া আমি আপনার পক্ষে আছি। আর আরেকটা কথা আপনার চয়েস কিন্তু বেশ ভালো।’

আবু বকর সিদ্দিক নামের একজন লিখেন, ‘দাদু, সব কিছু ম্যানেজ করতে লেইট করে ফেলছেন। আর লেইট হওয়ারই কথা- প্রথমে স্ত্রী, দ্বিতীয়ত লুচ্চি, তৃতীয়ত লুচ্চির আব্বা। সব কিছুর পর দুইটা ফ্যামিলি ম্যানেজ করা তো আর এত সহজ নয়! শুভকামনা রইল চাচা।’

জাহিদুর রহমান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনি এই বুড়া বয়সে ১৮ বছরের আপনার নাতির বয়সী মেয়েকে কিভাবে বিয়ে করেন? জনগণকে ভুগোল না বুঝিয়ে সরাসরি সংবাদ সম্মেলন করে সত্য উপস্থাপন করুন।’

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার নিন্দা জাতীয় যুবশক্তির

অনলাইন ডেস্ক
দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার নিন্দা জাতীয় যুবশক্তির
সংগৃহীত ছবি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশি বলপ্রয়োগ, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি (এনসিপি)। একই সঙ্গে সংগঠনটি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।

সোমবার (২০ জুলাই) জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশ, সমাবেশ ও প্রতিবাদ করার অধিকার নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতার অংশ। মতপার্থক্যের সমাধান বলপ্রয়োগ বা দমনমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে নয়, বরং সংলাপ, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।

জাতীয় যুবশক্তি দাবি করে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়ম ও পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগ করেছে। পাশাপাশি আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় অনেককে আটক করা হয়েছে। এসব তথ্য সঠিক হলে তা নাগরিক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে উদ্বেগের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনটি আরো বলে, তরুণদের কণ্ঠস্বর দমন করে নয়, বরং তাদের বক্তব্য শোনা এবং গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা সম্ভব। তাই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও তরুণদের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানানো প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা, বলপ্রয়োগের অভিযোগ পর্যালোচনা করা এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সাংবিধানিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

একই সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীদের প্রতি গণতান্ত্রিক সংহতি প্রকাশ করে জাতীয় যুবশক্তি। সংগঠনটির ভাষ্য, ন্যায়, জবাবদিহিতা, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে পরিচালিত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক চেতনারই অংশ।

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে : চরমোনাই পীর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে : চরমোনাই পীর
নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা ও মহানগরের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম বলেছেন, ‘নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থপাচার এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বন্ধ করতে হবে।’ এ সময় দেশের আইন-শৃঙ্খলা, বিচারব্যবস্থা ও অর্থপাচারের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি।

আজ সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের কালিরবাজারে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা ও মহানগরের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘যারা স্বাধীনভাবে ও শান্তিতে বসবাস করতে চান, তাদের জন্য ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো নীতি বা আদর্শের মাধ্যমে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’

চরমোনাই পীর জানান, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি শতভাগ মানসিকভাবে পরিষ্কার এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব কিছুই আল্লাহর ইচ্ছায় সংঘটিত হচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

ইসলামের নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিভক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একই ইসলামের কথা বললেও তারা একসঙ্গে চলতে বা রাজনীতি করতে পারেনি। তার দাবি, ইসলামের নামে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা এখন মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে। তিনি আরো দাবি করেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই প্রকৃত ইসলামী রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করছে।

অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, সহসভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, সেক্রেটারি মো. সুলতান মাহমুদকে এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হিসেবে মো. আব্দুর রশিদ, সহসভাপতি ফারুক আহমেদ মুনশি ও সেক্রেটারি মাওলানা শিব্বির আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়।

ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে : মাওলানা আব্দুল হালিম

ফেনী প্রতিনিধি
ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে : মাওলানা আব্দুল হালিম
ফেনীতে মুয়াল্লিম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, ‘কুরআন-হাদিসের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব মোয়াল্লেমকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘কুরআন হচ্ছে আল্লাহকে পাওয়ার উত্তম মাধ্যম।’

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে ফেনী জেলা তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক মোয়াল্লেম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, কুরআনকে যাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন তারা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও হাসতে পারেন। তিনি বলেন, ‘এই কুরআনের মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করতে হবে। কুআনের আলোয় আমরা নিজে আলোকিত হব, পরিবার সমাজ ও দেশকে আলোকিত করব।

ফাউন্ডেশনের জেলা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে ও ফাউন্ডেশনের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল আহসানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, জেলা আমির মুফতি আব্দুল হান্নান, নোয়াখালী জেলার সাবেক আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন, ফেনী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আবু ইউসুফ ও মাওলানা মাহমুদুল হক এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবু ইউসুফ, জেলা প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আনম আবদুর রহিম, জেলা সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. ইলিয়াস, শহর আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মুয়াল্লেমদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে না নিয়ে একে মিশনারি কাজ হিসেবে নেবেন। তিনি বলেন, এটাকে কুরআনের খেদমত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে এবং সব ক্ষেত্রে আখেরাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

জেলা জামায়াতের আমির  মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, কুরআনের চর্চা যত বেশি হবে সমাজ থেকে তত বেশি পাপ-পঙ্কিলতা দূর হবে। তিনি ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে কুরআনের চর্চা বেগবান করার আহ্বান জানান।

এ সময় ৪৫ দিনব্যাপী মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ ৭ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এদের মধ্যে ফেনী শাখার ছিলেন ৪ জন ও ফেনী সদর শাখার ছিলেন ৩ জন। এ ছাড়া প্রশিক্ষকদের মাঝে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।