kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ওড়না জড়িয়ে মসজিদে ব্রিটিশ রাজবধূ!

আবরার আবদুল্লাহ    

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওড়না জড়িয়ে মসজিদে ব্রিটিশ রাজবধূ!

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ব্রিটিশ রাজবধূকে এ সময় মাথায় ঘিয়া রঙের ওড়না পরা অবস্থায় দেখা যায়। আউয়াল মসজিদে ব্রিটিশ রাজবধূ মুসলিম শিশুর সঙ্গে আনন্দমুখর সময় পার করেন

ব্রিটিশ রাজপুত্র হ্যারি ও রাজবধূ মেগান মার্কেল দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাচীনতম মসজিদ পরিদর্শন করেছেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁরা দেশটির রাজধানী কেপটাউনে অবস্থিত এই মসজিদ পরিদর্শন করেন। প্রিন্স হ্যারি ও প্রিন্সেস মেগান বর্তমানে ১০ দিনের এক সফরে আফ্রিকায় রয়েছেন।

কেপটাউনের বো-কাপে অবস্থিত আউয়াল মসজিদ নির্মিত হয় আজ থেকে ২২৫ বছর আগে (১৭৯৪ খ্রি.)—ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে। মসজিদ পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় মুসলিম নেতারা তাঁদের স্বাগত জানান। তাঁরাও একাধিক মুসলিম নেতা ও মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় মসজিদের ইমাম শায়খ ইসমাইল ও কমিউনিটি নেতা মুহাম্মদ গ্রনওয়াল্ড উপস্থিত ছিলেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ব্রিটিশ রাজবধূকে এ সময় মাথায় ঘিয়া রঙের ওড়না পরা অবস্থায় দেখা যায়। রাজকীয় দায়িত্ব পালনের সময় এই প্রথম তিনি মাথায় ওড়না পরিধান করলেন। অবশ্য ১৯৯১ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত বাদশাহি মসজিদ পরিদর্শনের সময় প্রিন্স হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়নাও মাথায় ওড়না পরিধান করেন। আউয়াল মসজিদে ব্রিটিশ রাজবধূ মুসলিম শিশুর সঙ্গে আনন্দমুখর সময় পার করেন।

রাজপরিবারের সদস্যরা আউয়াল মসজিদে সংরক্ষিত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম হাতে লেখা কোরআনও পরিদর্শন করেন। স্থানীয়দের বর্ণনা মতে কোরআনটি অনুলিখন করেন আউয়াল মসজিদের প্রথম ইমাম তাউন গুরু। তিনি তাঁর স্মৃতি থেকেই কোরআনের কপিটি অনুলিখন করেন। তাউন গুরুকে রবিন আইসল্যান্ড থেকে বন্দি করে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়ে আসা হয়।

উল্লেখ্য, খ্রিস্টীয় সতের শতকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় মুসলিম বন্দিদের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইসলামের আগমন ঘটে। তবে বন্দিকৃত দাসদের তখন ইসলাম পালনের অনুমতি ছিল না। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রায় দুই ভাগ মানুষ মুসলিম। যাদের সংখ্যা প্রায় ছয় লাখ।

সূত্র : বিবিসি ও পিপল ডটকম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা