• ই-পেপার

রামপুরা মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল

নিরস্ত্র জনতার ওপর সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগের নির্দেশ ছিল

  • ১৪৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল

মেট্রো রেলের নিরাপত্তায় ৮ দফা জরুরি সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মেট্রো রেলের নিরাপত্তায় ৮ দফা জরুরি সুপারিশ
সংগৃহীত ছবি

মেট্রো রেলের বিভিন্ন স্থানে দেখা দেওয়া ত্রুটি দ্রুত মেরামত করে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা এড়াতে ৮ দফা জরুরি সুপারিশ করেছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি। এসব সুপারিশের মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত বিয়ারিং প্যাড পরিবর্তন, পিলার ও উড়ালপথের বিমে দেখা দেওয়া ফাটল মেরামত, স্টেশন ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে পানি থেকে সুরক্ষিত রাখা, রেললাইন পরীক্ষার আধুনিক যন্ত্র সংগ্রহ, ত্রুটিপূর্ণ ট্রেন সাময়িকভাবে চলাচল থেকে সরিয়ে রাখা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার ত্রুটি দ্রুত ঠিক করার কথা বলা হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে বলেছে তদন্ত কমিটি।

গত সপ্তাহে এই প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়। শুনানির পর হাইকোর্ট এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে এক মাস সময় দেন।  গত বছর ২৯ অক্টোবর মেট্রো রেলের সব লাইন ও পিলারের নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ পৃথক তিনটি রিটের শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।

রিটকারী পক্ষের আইনজীবী তানভীর আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশে গঠন করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে তিন ধরনের সুপারিশ করা হয়েছে। একটি স্বল্পমেয়াদি, যা ৩০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি করণীয় এবং পদ্ধতিগত করণীয় বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।’

এতে বলা হয়েছে, যেসব পিলারে ত্রুটি ধরা পড়েছে সেখানে নিয়মিত ফাটল ও দেবে যাওয়ার অবস্থা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে সব ক্ষতিগ্রস্ত বিয়ারিং প্যাড দ্রুত পরিবর্তন করতে হবে। এ ছাড়া পিলার ও উড়ালপথের বিমে যেসব ফাটল রয়েছে, সেগুলোর কারণ খুঁজে বের করে বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে দ্রুত মেরামত করতে হবে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুমের আগে সব স্টেশন ও বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যাতে পানি ঢুকতে না পারে, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। বন্ধ হয়ে থাকা পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার করতে হবে এবং রেললাইন নিয়মিত পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে হবে। যেসব ট্রেনের চাকায় ফাটল বা গুরুতর ত্রুটি পাওয়া যাবে, সেগুলো মেরামত না হওয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে যেখানে সমস্যা দেখা দিচ্ছে তা দ্রুত শনাক্ত করে সমাধান করতে হবে। ঠিকাদারের অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি সচল না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, যাতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া যায়।

গত বছর ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রো রেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী আবুল কালামের মৃত্যু হয়। এর এক বছর আগেও একই ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক রিট আবেদন করা হয়।

পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস

অনলাইন ডেস্ক
পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে খালাস
সংগৃহীত ছবি

পিরোজপুরের ঝর্ণা রাণী দেউরীকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া একমাত্র আসামি লিটন মণ্ডলকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে শ্বাসরোধে মৃত্যুর কথা বলা হলেও মরদেহ শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের আইনি দুর্বলতা ছিল। ভিকটিমের বাবা সরাসরি মরদেহ না দেখেই থানায় কেবল কাপড়চোপড় এবং পুলিশের দেখানো একটি ছবির ওপর ভিত্তি করে মেয়েকে শনাক্ত করেন। শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত ওই ছবিটি নিম্ন আদালতের নথিতে (এলসিআর) সংযুক্ত ছিল না। আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

২০১৯ সালের ২৭ জুন পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মিজানুর রহমান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পলাতক আসামি লিটন মণ্ডলকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭ ধারা তৎসহ দণ্ডবিধির ৩০২/২০১ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রতন দেউরী, রণজিৎ হাওলাদার এবং বিপুল শাখারী নামের অপর তিন আসামিকে খালাস দেয় বিচারিক আদালত। 

আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মোট ১২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভিকটিম ঝর্ণা রাণী দেউরী রামচন্দ্রপুর শাহ মাহামুদিয়া কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৪ মে তার বাবা সুভাষ চন্দ্র দেউরী নেছারাবাদ থানায় মামলাটি করেন। এজাহারে বলা হয়, প্রতিবেশী লিটন মণ্ডল ঝর্ণাকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দিলে পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে।

২০০৯ সালের ১৪ মে বাগেরহাটের কচুয়া থানার আন্দার মানিক গ্রামে বড় বোনের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঝর্ণা নিখোঁজ হন। ওই দিনই স্বরূপকাঠি কৌরিখাড়া খেয়ার ট্রলারে লিটন ও তার সহযোগীদের সঙ্গে ঝর্ণাকে দেখতে পান সুমন দেউরী নামের এক সাক্ষী। পরে ১৭ মে পত্রিকায় বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের খবর দেখে ভিকটিমের বাবা থানায় গিয়ে পরিধেয় বস্ত্র দেখে তা ঝর্ণার মরদেহ বলে শনাক্ত করেন।

মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে ফাঁসলেন কেবিন ক্রু শিমু

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে ফাঁসলেন কেবিন ক্রু শিমু

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেওয়ায় ফাঁসলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমু। তার বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেছেন, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা করেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেওয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে।

এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. সায়েম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযোগে বলা হয়, খাদিজা সুলতানা শিমু বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন। পরে অভিযোগটি উত্তরা পশ্চিম থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও করা হয়। গেল ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়।

হত্যাচেষ্টা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা নাঈম ফের গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
হত্যাচেষ্টা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা নাঈম ফের গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় করা হত্যাচেষ্টা মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এ নিয়ে তাকে ১১ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। 

এদিন আসামি নাঈমের উপস্থিতিতে শুনানি হয়। এ সময় তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন৷ একই সঙ্গে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

এর আগে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১২ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধানমণ্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম তাকে এই গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আসামির উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানির জন্য ১৫ জুলাই দিন ধার্য করা হয়। 

নাইমের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, নাইমকে এ নিয়ে মোট ১১টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই ব্যক্তিকে একের পর এক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে জামিনের সাংবিধানিক অধিকারকে কার্যত অর্থহীন করে তোলা হচ্ছে। একটি মামলায় আদালত থেকে জামিন পেলেই আরেকটি মামলায় পুনরায় শ্যোন অ্যারেস্টে বিচার নয়, অনির্দিষ্টকাল কারাগারে আটকে রাখার একটি অপকৌশল। 

তিনি বলেন, আইনের শাসনের নামে এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া ন্যায়বিচারের চেতনা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আজ প্রায় ২ বছর ধরে কারাগারে বন্দি আসামি আনোয়ার হোসেন নাইম। অতি অমানবিক ও নিষ্ঠুরতম আচরণ বলে মনে করি। আইন ও শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। আজকে পরিবারের সদস্যরা হতাশাগ্রস্ত  হয়ে পড়েছে। 

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ধানমণ্ডি মডেল থানাধীন এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন যুবক মো. সজিব ইসলাম। সে সময় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আক্রমণ করলে গুলিবিদ্ধ হন সজীব। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর ধানমণ্ডি মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়।