• ই-পেপার

কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ৯২ শতাংশ চিকিৎসা ঘাটতি

দেনমোহর পরিশোধের নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেনমোহর পরিশোধের নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল
সংগৃহীত ছবি

বিয়ের সময় ধার্য করা দেনমোহর পরিশোধ বা আদায়ে একটি বিশদ পদ্ধতি বা নীতিমালা করা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিটে প্রাথমিক শুনানির পর গতকাল রবিবার এই রুল দেন বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। বিয়ের সময় ধার্য করা দেনমোহর আদায় বা পরিশোধ এবং নারীর অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ১০ ধারার অস্পষ্টতা দূর করে এই ধারার অধীনে একটি বিশদ পদ্ধতি বা নীতিমালা প্রণয়েনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালযয়ের সচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জনস্বার্থে রিটটি করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আখতার। গতকাল রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খাঁন জিয়াউর রহমান।

রিটকারী আইনজীবী ফাহমিদা আখতার সাংবাদিকদের বলেন, ‘শুনানিতে হাই কোর্ট বলেছেন, ধর্মীয় বিধান উপেক্ষা করে লোক দেখানো অতিরিক্ত দেনমোহর নির্ধারণের প্রবণতা থেকেই নানা জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ইসলামী শরিয়াহ নীতির বাইরে যাওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেছেন আদালত।’

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খাঁন জিয়াউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রিটে অন্তর্বর্তী আদেশ চাওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমি আপত্তি জানিয়েছিলাম। আদালত রুল জারি করেছেন।’

দেনমোহর নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ৫ জুলাই দায়ের করা হয় রিটটি। এতে বলা হয়, অধিকাংশ বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রী দেনমোহরের টাকা পরিশোধের দাবি জানালেও খুব কমই পরিশোধ করা হয়। কেবল বিবাহ বিচ্ছেদের মতো বিষয় সামনে এলেই দেনমোহরের টাকা পরিশোধের প্রশ্ন আসে। আর যখন তা পরিশোধ করা হয়, তখন টাকার বাজারমূল্য আর আগের মতো থাকে না। মুদ্রাস্ফীতির হার বা সময়ের ব্যবধান বিবেচনা না করে দেনমোহরের টাকা আদায় করা বা পরিশোধ করা পক্ষপাতমূলক এবং একই সঙ্গে তা দেনমোহর ধার্য করার মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।

রিটে আরো বলা হয়, যেহেতু শরীয়া আইনে নারী অধিকার সুরক্ষায় দেনমোহরসহ বেশ কিছু ইতিবাচক বিধান রয়েছে, তারপরও আর্থ-সামাজিক কারণ এবং পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যের কারণে এই বিধানগুলোর কার্যকারিতা হারাচ্ছে। আইনি মানদণ্ড না থাকায় দেনমোহরের সুরক্ষামূলক উদ্দেশ্যকে অনেকাংশেই ব্যাহত করেছে। শুধু তাই না, অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল নারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

রিটে বলা হয়েছিল, যেহেতু দেনমোহর একজন বিবাহিত নারীর অর্জিত এবং আইনত বলবৎযোগ্য অধিকার, তাই আইনগত অস্পষ্টতা বা কোনো নীতিমালা না থাকার কারণে তার কার্যকারিতা হারাতে দেওয়া যায় না। বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ নারীদের অধিকার ও আর্থিক স্বার্থ সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচারের স্বর্থে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

আদালতে যা বললেন হরিদাস

৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদালতে যা বললেন হরিদাস
সংগৃহীত ছবি

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেপ্তার গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।  রিমান্ড শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে হরিদাস বলেন, ‘আমি একজন কৃষক ছিলাম, এখন মন্দির পরিচালনা করি। মন্দির করে যদি অপরাধী হই তাহলে কিছু বলার নেই’। আদালতকে হরিদাস আরো বলেন, ভক্তদের দেওয়া এ টাকা যদি অন্যায় কাজে পরিচালনা করি তাহলে সেটা দেখা হোক।’ পরে বিচারক এ টাকা ভক্তদের দেওয়া কি না জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, জ্বি।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত তাকে ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা। 

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায়, সুশান্ত অধিকারী, বাসুদেব গুহ রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। তারা আদালতকে বলেন, ‘মানি লন্ডারিংয়ের ব্যপারে একটা লাইন ও অভিযোগে লেখা নেই। তিনি ধর্মের পথের লোক। তিনি একটা মন্দির বানিয়েছেন, সেখানে ভক্তরা বিভিন্ন টাকা-পয়সা দেয় মন্দিরের জন্য। এখানে মানি লন্ডারিংয়ের কিছু নেই।’ 

এ সময় উভয় পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘যদি জিজ্ঞাবাদের প্রয়োজন হয় তাহলে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক, রিমান্ডের কোনো প্রয়োজন নেই। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে নথি পর্যালোচনায় রেখে কিছুক্ষণ পরে বিচারক ৪ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।’

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে হুন্ডি তথা দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করার অপরাধের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও এমএফএস হিসাবে বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এই অর্থের উৎস, কারা এই অর্থ জমা দিয়েছে তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে আসামিকে নিবিড়ভাবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। এর ফলে মামলা তদন্তে সহায়ক হবে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। মামলাটির তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে ব্যঘাত ঘটবে।

গত ১২ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের হওয়া মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের কোমরপুরের মধ্যরামচন্দ্রপুর (নয়াপাড়া) গ্রামের মৃত গোপীনাথ চন্দ্র তরণী দাসের ছেলে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এবং তিনি ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারসহ হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আসামির ব্যাংক হিসাবসমূহে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবসমূহে ব্যবসাবহির্ভূত নগদ অর্থ জমা করা হয়েছে। অভিযোগটির অনুসন্ধানে তার নামে ৫টি ব্যাংক হিসাব ও ৪টি এমএফএস (MFS) হিসাবে বিভিন্ন সন্দেহজনক উৎস থেকে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা হওয়ার রেকর্ডপত্র ভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায়। এই জমাকৃত অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়।

ডায়মন্ড ও সোনার নেকলেস চুরির অভিযোগে ২ নারী ৫ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডায়মন্ড ও সোনার নেকলেস চুরির অভিযোগে ২ নারী ৫ দিনের রিমান্ডে
ছবি : কালের কণ্ঠ

ডায়মন্ড ও সোনার তৈরি নেকলেস চুরি ও আত্মসাতের অভিযোগে বনানী থানায় করা এক মামলায় দুই আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।

আসামিরা হলেন মুনমুন আচার্য ওরফে প্রিয়া (৩০) এবং মোসাম্মৎ রিফা তামান্না (২৩)।

এর আগে গত ৯ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই মো. ইয়াসির আরাফাত দুই আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

গত ৮ জুলাই বনানী থানায় নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্টের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এনজে ডায়মন্ডস-এর পক্ষে মো. খায়েজ আহাম্মদ মামলাটি করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, এনজে ডায়মন্ডস-এর কর্মচারী মুনমুন আচার্য ও মোসাম্মৎ রিফা তামান্না, অজ্ঞাতনামা অন্যান্য সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ২০২৬ সালের ৮ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রকৃত ডায়মন্ডের অলংকারের পরিবর্তে রেপ্লিকা (নকল) অলংকার প্রতিস্থাপন করে পর্যায়ক্রমে চুরি ও আত্মসাৎ করেন। 

এ ছাড়া মামলায় তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি প্রকৃত ডায়মন্ডের অলংকার সরাসরি চুরির অভিযোগও আনা হয়েছে। রেপ্লিকা করে চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ডায়মন্ড ও সোনার সমন্বয়ে তৈরি চারটি নেকলেস, যার ওজন যথাক্রমে ২৬.১১ গ্রাম, ৫০.৪১ গ্রাম, ১৯.৮৪ গ্রাম এবং ৩১.৪৩ গ্রাম।

মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড
ছবি : কালের কণ্ঠ

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা হিসেবে আলোচিত শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানিয়ে বলেন, মামলায় মানি লন্ডারিংয়ের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই এবং হরিদাস মন্দির পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।

আদালতে হরিদাস চন্দ্র বলেন, ‘আমি একজন কৃষক ছিলাম, এখন মন্দির পরিচালনা করি। মন্দির করে যদি অপরাধী হই, তাহলে কিছু করার নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘ভক্তদের দেওয়া অর্থ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা যেতে পারে।’

শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, হরিদাস চন্দ্রের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, হরিদাস চন্দ্রসহ সংশ্লিষ্টরা হুন্ডি ও দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের সঙ্গে জড়িত। অনুসন্ধানে তার পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও চারটি এমএফএস হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গত ১২ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর (নয়াপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

সিআইডির করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের সঙ্গে তিনি জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসেন হরিদাস চন্দ্র। পরে মূর্তির অর্থায়ন, জমির মালিকানা ও অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ জুন মন্দির কর্তৃপক্ষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রামমূর্তি নির্মাণকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেয়।