• ই-পেপার

কারামুক্ত হলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম

উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার সাবির-তানিম রিমান্ড শেষে কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার সাবির-তানিম রিমান্ড শেষে কারাগারে

উগ্রবাদী সংগঠনের ফাতাহ কমব্যাটের কার্যক্রমের সাথে জড়িত সন্দেহে ঢাকার যাত্রবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিমের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে দুই দফায় ৬ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর এ বি সিদ্দিক। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুম খান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৫ জুলাই (রবিবার) আসামিদের আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরদিন ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।  

গত ৫ জুলাই ভোর সাড়ে ৬ টার দিকে উগ্রবাদী ফাতাহ কমব্যাটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত বুধবার একই অভিযোগে গ্রেপ্তার জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়োজিত রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গত ৯ জুলাই যশোর সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে উগ্রবাদী সংগঠন ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’-এর সক্রিয় সদস্য সন্দেহে তাহসীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকেও ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

উগ্রবাদী ‘ফাতাহ কমব্যাট’ সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার তাহসীন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
উগ্রবাদী ‘ফাতাহ কমব্যাট’ সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার তাহসীন কারাগারে
ছবি : কালের কণ্ঠ

যশোর থেকে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে (ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম) সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার তাহসীন ইসলাম (১৯) নামের এক তরুণকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক এ বি সিদ্দিক আসামি তাহসীনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান।

আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাহসীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে আজ আসামি তাহসীনের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন ছিল না।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে তাহসীনকে আটক করে। অভিযানের সময় তার ঘর তল্লাশি করে একটি চাপাতি ও তারসহ কয়েকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মিরাজুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটে করা একটি মামলার সূত্র ধরে তাহসীনকে আটক করা হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলাও রয়েছে, যেখানে তিনি ৩ নম্বর আসামি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাহসীন আলোচিত ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যশোরে সংগঠনটির কোনো সক্রিয় সদস্য বা সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই।

আদালতে জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ‘ফাতাহ কমব্যাট’-এর সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের চিহ্নিত করা এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

জানা গেছে, ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস)’ নামের একটি সংগঠন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করছে—এমন অভিযোগের তদন্ত চলছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বিষয়গুলো এখনো তদন্তাধীন।

শাহবাগে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শাহবাগে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পবিত্র কোরআনের তাফসির গ্রন্থে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি মেহেদী হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। তবে তাকে এজলাসে তোলা হয়নি। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামির রিমান্ড আবেদন এবং জামিন আবেদন ছিল না।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশের পাদদেশে সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদি রচিত ‘তাফহীমূল কুরআন’-এর তিনটি খণ্ডে আগুন দিয়ে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা ওই যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেন। উত্তেজিত জনতার মারধরে আসামি সামান্য আহত হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন।

আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আসামিকে কারাগারে রাখা হোক। পরবর্তীতে তার রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

অধিকার রক্ষায় সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট

বাসস
অধিকার রক্ষায় সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট
সংগৃহীত ছবি

নাগরিকের অধিকার রক্ষার অন্যতম কার্যকর সাংবিধানিক হাতিয়ার রিট। অনেক সময় হাইকোর্টে একজন ব্যক্তির করা রিটের সুফল ভোগ করেন দেশের হাজারো মানুষ।

সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পাঁচ ধরনের রিট করার সুযোগ রয়েছে। সেগুলো হলো–

রিট অব হেবিয়াস করপাস (Habeas Corpus) : কোনো ব্যক্তিকে আইনগত কারণ ছাড়া আটকে রাখা হলে হেবিয়াস করপাস রিট করা যায়। এক্ষেত্রে বেআইনিভাবে আটক বা গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হাজির করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন।

রিট অফ ম্যান্ডামাস (Mandamus) : কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের আইন অনুযায়ী যে কাজ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা না করলে হাইকোর্ট সেই কাজ করতে নির্দেশ দেন।

রিট অব সার্টিওরারি (Certiorari) : বিচারিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল আইনবহির্ভূতভাবে কোনো আদেশ দিলে হাইকোর্ট সেই আদেশ বাতিল করতে পারেন।

রিট অব প্রহিবিশন (Prohibition) : বিচারিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি তাদের আইনগত ক্ষমতার বাইরে কোনো মামলা শুনতে শুরু করেন, তাহলে হাইকোর্ট তাদের সেই কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।

রিট অব কো-ওয়ারেন্টো (Quo Warranto) : কেউ আইনগত যোগ্যতা ছাড়া কোনো সরকারি পদে থাকলে এই রিটের মাধ্যমে হাইকোর্ট তার বৈধতা যাচাই করেন।

জনস্বার্থ রিটের ঐতিহাসিক ভিত্তি : মহিউদ্দিন ফারুক বনাম বাংলাদেশ মামলা থেকে মূলত জনস্বার্থ মামলার আইনগত ভিত্তি তৈরি হয়। এই মামলার রায়ে বলা হয়, জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো ঘটনায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনি প্রতিকার চেয়ে জনস্বার্থে মামলা করতে পারেন। সেই থেকে আমাদের দেশে জনস্বার্থে করা রিট মামলা ভিন্ন মাত্রা পায়।

ব্যক্তির ন্যায়বিচার প্রাপ্তি কিংবা জনস্বার্থ রক্ষায় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা রিটের সংখ্যা কম নয়। কিছু রিটের ফলে আমাদের সমাজ ও জীবনে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।

ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন : শিশু উমাইরকে নিয়ে তার মা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসানের করা এক রিটের পর হাইকোর্ট কর্মস্থল, বিমানবন্দর, বাসস্ট্যান্ড, রেলওয়ে স্টেশন, শপিংমলের মতো পাবলিক প্লেস এবং স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে নির্দেশ দেন।

নদী পায় আইনি অধিকার : নদী দখল ও দূষণের বিরুদ্ধে করা এক রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট তুরাগ নদীসহ দেশের সব নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা (Legal Entity)’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এর ফলে নদী রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পায় এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদে নতুন আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।

মায়ের পরিচয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ : জনস্বার্থে করা এক রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরমে শুধু মায়ের নাম দিয়েও ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। এর ফলে বিশেষ করে যাদের পিতার পরিচয় উল্লেখ করা সম্ভব নয়, তারা বৈষম্যের শিকার না হয়ে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়।

ক্ষতিপূরণের দৃষ্টান্ত : ওয়ার্কশপে কাজ করতে গিয়ে হাত হারানো শিশু নাঈম হাসান নাহিদ ৬ বছরের আইনি লড়াইয়ে শেষে গত ৬ জুলাই ক্ষতিপূরণের সর্বমোট ৩০ লাখ টাকা বুঝে পায়। নাঈমের বাবার করা রিটের পর হাইকোর্টের রায় ও আপিল বিভাগের নির্দেশে এই ক্ষতিপূরণ মেলে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলায় পদক্ষেপ : দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে র‌্যাগিংয়ের শিকার শিক্ষার্থীদের প্রতিকারে অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটি ও র‌্যগিং বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। 

অন্যদিকে, ২০০৯ সালে হাইকোর্টের এক রায়ের মাধ্যমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা দীর্ঘদিন দেশের প্রধান নীতিমালা হিসেবে অনুসরণ করা হয়।

জরুরি চিকিৎসাসেবার নিশ্চয়তা : জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে বিভিন্ন হাসপাতালের অস্বীকৃতি জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। সে রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট গুরুতর আহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য দেশের সব হাসপাতালকে নির্দেশ দেন।

উচ্চ আদালতের রিট মামলার বাস্তবতা প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কে বলেন, রিট মামলা সাংবিধানিক একটি অধিকার। জনস্বার্থের (রিট) মামলার মাধ্যমেই আদালতের হস্তক্ষেপে অনেক ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্যক্তি তার আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে। তবে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অনেকেই হাইকোর্টে রিট করেন শর্টকাট পন্থায় মিডিয়ায় পরিচিতি পাওয়ার জন্য। এটা খুবই দুঃখজনক। এক্ষেত্রে মিডিয়া ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে যাতে জনস্বার্থহীন কোনো বিষয়কে পুঁজি করে কেউ ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে না পারে। সর্বোপরি আমাদের এই সমাজ-রাষ্ট্রের প্রয়োজনেই জনস্বার্থ (রিট) মামলার দ্বার উন্মুক্ত থাকা দরকার।