• ই-পেপার

বিয়ের দিনে কন্যার প্রতি এক মায়ের উপদেশ

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৮৮

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

আল্লাহ তোমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুদ্ধে লভ্য বিপুল সম্পদের যার অধিকারী হবে তোমরা। তিনি তা তোমাদের জন্য ত্বরান্বিত করেছেন এবং তিনি তোমাদের থেকে মানুষের হাত নিবারিত করেছেন যেন এটা হয় মুমিনদের জন্য এক নিদর্শন এবং আল্লাহ তোমাদের পরিচালিত করেন সরল পথে। আরো আছে, যা এখনো তোমাদের অধিকারে আসেনি, তা আল্লাহর আয়ত্তে রেখেছেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। অবিশ্বাসীরা তোমাদের মোকাবেলা করলে তারা অবশ্যই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করত, তখন তারা কোনো অভিভাবক ও সাহায্যকারী পেত না। (সুরা ফাতহ, আয়াত : ২০-২২)

আয়াতগুলোতে মুসলমানদের ভবিষ্যৎ বিজয়ের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. আয়াতে আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত মুসলমানের জন্য বিপুল পরিমাণ গনিমত তথা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের অঙ্গীকার করেছেন।

২. হুদাইবিয়া সন্ধির একটি উপকারী দিক হলো যুদ্ধে সক্ষম শত্রুরা মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করা থেকে বিরত ছিল। ফলে মুসলমানরা শক্তি সঞ্চারের সুযোগ পেয়েছিল।

৩. অথবা আয়াতের উদ্দেশ্য হলো সর্বযুগে মুসলমানদের ধ্বংস করতে সক্ষম এমন শক্তিগুলো থেকে মুসলমানদের রক্ষা করা।

৪. যা এখনো তোমাদের অধিকারে আসেনি বাক্য দ্বারা হয়তো মক্কা বিজয় উদ্দেশ্য অথবা ভবিষ্যতের সব বিজয় উদ্দেশ্য।

৫. ইতিহাস সাক্ষী যখন মুসলমানরা যুদ্ধের ময়দানে দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবেলা করেছে বড় বড় পরাশক্তিরাও পালিয়ে গেছে। (তাফসিরে সাদি, পৃষ্ঠা ৭৯৪)

মনীষীর কথা

মনীষীর কথা

মা-বাবা বৃদ্ধ হলেও তাদের ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়া উচিত।

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.)

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

কোনো কারণে আকিকা দিতে দেরি হলে

প্রশ্ন :  কন্যাসন্তান, বয়স তিন মাস। কোনো কারণবশত আকিকা করা হয়নি, এখন আকিকার ব্যাপারে করণীয় কী?

মোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম

উত্তর : আকিকা জন্ম হওয়ার পর সপ্তম দিনে করা উত্তম। যদি কোনো কারণবশত সপ্তম দিনে করতে না পারে তাহলে ১৪ দিনের মাথায় আকিকা করবে অথবা ২১ দিনের মাথায় আকিকা করবে, আর যদি ওই দিনগুলোতে করতে না পারে তাহলে পরে যেকোনো দিন আদায় করলে আকিকা আদায় হয়ে যাবে। (রদ্দুল মুহতার : ৬/৩২৬, ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম : ১৫/৬০৭, আহসানুল ফাতাওয়া : ৭/৫৩৬)

হাদিসের আলো

ধৈর্যের বিনিময় জান্নাত

ধৈর্যের বিনিময় জান্নাত

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, যখন আমি আমার বান্দাকে তার প্রিয়তম দুটি জিনিস দ্বারা (চোখ থেকে বঞ্চিত করে) পরীক্ষা করি এবং সে ধৈর্য ধারণ করে আমি তাকে এই দুটির বিনিময়ে জান্নাত প্রদান করব। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৫৩)

শিক্ষা

হাদিসবেত্তারা বলেন,

১. চোখ আল্লাহর অনুগ্রহের মধ্যে মহামূল্যবান দান।

২. যে ব্যক্তি চোখ বা অন্য কোনো অঙ্গ হারানোর পর ধৈর্য ধারণ করবে, আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করবেন।

৩. যে কোনো বিপদে মুমিন ধৈর্যধারণ করবে এবং আল্লাহর কাছে এর উত্তম প্রতিদান প্রত্যাশা করবে। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)