• ই-পেপার

অনিদ্রা কাটাতে করণীয়

মাইগ্রেন? যা খাবেন না

মাইগ্রেনের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস। কয়েক ধরনের খাবার এড়িয়ে চললে মাইগ্রেন অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিস্তারিত জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ মাহমুদা ফেরদাউস পরমা

মাইগ্রেন? যা খাবেন না

মাইগ্রেনের সঙ্গে পরিচিত কমবেশি সবাই। চড়া রোদ, ঠাণ্ডা আবহাওয়া, অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত পরিশ্রম ইত্যাদি কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে। কয়েক ধরনের খাবারও মাইগ্রেন অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এগুলো এড়িয়ে চললে মাইগ্রেন অ্যাটাকের আশঙ্কা অনেকটাই কমে।

 

অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা খাবার

অতিরিক্ত গরম খাবার অতি দ্রুত খেলে মাথার রক্তনালিগুলো হুট করে সম্প্রসারিত হয়, পাশাপাশি মুখের ব্যথার স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এর ফলে দেখা দিতে পারে মাথা ব্যথা। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা খাবার গ্রহণেও রক্ত সঞ্চালন ও স্নায়বিক কারণে মাথা ব্যথা করে, প্রচলিত ভাষায় যার নাম ‘ব্রেইন ফ্রিজ’। এ ধরনের মাথা ব্যথা মাইগ্রেনে রূপ নিতে পারে। আইসক্রিম, ঠাণ্ডা দই বা যেকোনো হিমায়িত খাবার সরাসরি ফ্রিজ থেকে বের করে খাওয়া যাবে না। গরম খাবারও স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 

লবণাক্ত খাবার

লবণ শরীরের জন্য যতটা প্রয়োজনীয়, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ ততটাই ক্ষতিকর। লবণ বেশি গ্রহণের দরুন হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা রোগ দেহে বাসা বাঁধে। অতিরিক্ত লবণ খেলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে।

প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। চিপস, ফাস্ট ফুড, সস, খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ গ্রহণ বর্জনের পাশাপাশি রান্নায়ও যতটা সম্ভব লবণ ব্যবহার কমাতে হবে।

 

আচারজাতীয় ফার্মেন্টেড খাবার

দীর্ঘদিনের পুরনো পনির, আচার ও অন্যান্য ফার্মেন্টেড খাবারে থাকে টাইরামিন (Tzramine) নামক এক পদার্থ। এ ধরনের খাবার যত পুরনো হয়, ততই বাড়ে টাইরামিনের পরিমাণ। মস্তিষ্কের রক্তনালি সংকুচিত করে এটি। ফলে মাইগ্রেনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। টাইরামিনজনিত মাইগ্রেনের ব্যথাও হয় তীব্র। তাই যতটা সম্ভব ফার্মেন্টেড ও পুরনো খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

প্রক্রিয়াজাত মাংসজাতীয় খাবার, যেমন—সসেজ বা বেকনেও এই পদার্থ রয়েছে। আরো একটি ফার্মেন্টেড খাবার ইস্টযুক্ত রুটি। তাই পাউরুটি, বান ও ইস্টযুক্ত প্রোটিন পাউডার এড়িয়ে চলাও জরুরি।

 

ক্যাফেইন

চা-কফির মতো উত্তেজক পানীয়র মধ্যে আছে ক্যাফেইন। অল্প পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে মাইগ্রেনের ব্যথা কমতে পারে, অনেকেই মাথা ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে চা বা কফি পান করেন। তবে দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ করলে উল্টো মাইগ্রেন ট্রিগার হতে পারে। কেননা ক্যাফেইনের প্রভাবে একদিকে যেমন রক্তনালি সংকুচিত হয়ে রক্তচাপ বাড়ে, অন্যদিকে ক্যাফেইনের প্রভাবে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, যা মাইগ্রেনের একটি বড় কারণ। তাই মাইগ্রেন রোগীদের দিনে দুই কাপের বেশি চা বা কফি গ্রহণ করা অনুচিত।

 

অ্যালকোহল ও তামাক

মাইগ্রেন অ্যাটাকের আশঙ্কা বৃদ্ধির অন্যতম প্রভাবক হলো অ্যালকোহল। বিশ্বের মোট মাইগ্রেন রোগীর বড় অংশ অ্যালকোহল গ্রহণকারী। রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি অ্যালকোহল থেকে উৎপন্ন টক্সিনের প্রভাবেও মাইগ্রেন দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্কের রক্তনালি সংকুচিত করে তামাকের মধ্যে থাকা নিকোটিন। এটি দেহের রক্তচাপও বাড়িয়ে দেয়। তাই মাইগ্রেন রোগীদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব তামাক ও অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস ত্যাগ করা। ই-সিগারেট, নিকোটিন গাম বা পাউচ গ্রহণেও একই ধরনের সমস্যা হতে পারে, কেননা এতে ধোঁয়া না থাকলেও নিকোটিন ঠিকই আছে।

 

কৃত্রিম মিষ্টি ও চকোলেট

কৃত্রিম চিনিতে বেশির ভাগ সময় ব্যবহৃত হয় অ্যাসপারটেম। কিছু রোগীর মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের পরিমাণ বদলে দেয় এটি। প্রায় ৮ শতাংশ মাইগ্রেন রোগীর ক্ষেত্রে অ্যাসপারটেম গ্রহণের কিছু সময় পরই দেখা দেয় তীব্র মাথা ব্যথাসহ মাইগ্রেন অ্যাটাক। ডায়েট কোমল পানীয় ও কৃত্রিম মিষ্টান্নর মধ্যে এটি রয়েছে, তাই এসব বাদ দিতে হবে। চকোলেটের মধ্যে থাকা বেটা ফিনাইল-ইথাইলামিন পদার্থটিও মাইগ্রেনের অন্যতম ট্রিগার। এর পাশপাশি চকোলেটের মধ্যে ক্যাফেইনও আছে। এ দুটি কারণে মাইগ্রেন রোগীদের যতটা সম্ভব চকোলেট এড়িয়ে চলতে হবে। মিল্ক বা হোয়াইট চকোলেটের চেয়ে ডার্ক চকোলেট বেশি বিপজ্জনক।

 

লেখক : কনসালট্যান্ট

অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতাল

শিশুর কান পাকা রোগ

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ হায়দার
শিশুর কান পাকা রোগ
শিশুর কান পরীক্ষা করছেন চিকিৎসক

আমাদের দেশে কান পাকা বা কানে পুঁজ হওয়া শিশু-কিশোরদের সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেকের ধারণা, গোসলের সময় বা অন্য কোনো কারণে কানে পানি ঢোকার কারণেই এই সমস্যা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, কানে পানি প্রবেশ করার সঙ্গে কান পাকার সরাসরি সম্পর্ক নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কানে পানি নয়, বরং নাক ও গলার সংক্রমণ থেকেই শিশুদের কানেও সংক্রমণ ছড়িয়ে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। এই অবস্থাকে প্রচলিত ভাষায় বলা হয় কান পাকা রোগ, যার মেডিক্যাল নাম মধ্যকর্ণের প্রদাহ।

কান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত—বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণ। বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণের মাঝখানে থাকে কানের পর্দা। অক্ষত থাকলে কানের পর্দা ভেদ করে মধ্যকর্ণে পানি প্রবেশ করতে পারে না। তাই গোসলের সময় বাইরে থেকে কানে পানি গেলেও সেটি মধ্যকর্ণে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে না। ফলে শুধু পানি ঢোকার কারণে কান পাকার ধারণাটি সঠিক নয়।

 

শিশুদের কেন এই রোগ বেশি হয়

নাকের সঙ্গে মধ্যকর্ণের সংযোগকারী একটি সরু নালি রয়েছে, যার নাম ইউস্টেশিয়ান টিউব। শিশুদের ক্ষেত্রে এই নালি তুলনামূলকভাবে ছোট, চওড়া এবং প্রায় অনুভূমিক থাকে। এ কারণে সর্দি, ঠাণ্ডা বা ওপরের শ্বাসনালির সংক্রমণ হলে জীবাণু সহজেই নাক থেকে মধ্যকর্ণে পৌঁছে যায়। এর ফলে কানে তরল জমে সংক্রমণ হয় এবং পরে পুঁজ বের হতে পারে। অনেক সময় সংক্রমণ বাড়লে কানের পর্দায় ছিদ্রও তৈরি হতে পারে। শিশুকে চিত করে শুইয়ে বোতল বা বুকের দুধ খাওয়ানোও কান পাকার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ অবস্থায় দুধ ইউস্টেশিয়ান টিউবের মাধ্যমে মধ্যকর্ণে প্রবেশ করে সংক্রমণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই শিশুকে সব সময় মাথা কিছুটা উঁচু করে বা কোলে তুলে খাওয়ানো উচিত।

 

প্রতিরোধে করণীয়

♦ শিশুর সর্দিকাশি বা নাক বন্ধ থাকলে অবহেলা করবেন না।

♦ শিশুকে শুইয়ে দুধ খাওয়ানো এড়িয়ে চলুন।

♦ কানে পুঁজ, দুর্গন্ধ, ব্যথা হলে বা শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

♦ নিজে থেকে কানে তেল, ড্রপ বা অন্য কোনো বস্তু ব্যবহার করবেন না।

 

শিশুদের কান পাকা একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। অপচিকিৎসা ও অবহেলায় মধ্যকর্ণের প্রদাহ জটিল আকার ধারণ করে শিশু বধির হয়ে যেতে পারে। তাই অবহেলা না করে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

 

লেখক : অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান

নাক-কান-গলা রোগ বিভাগ, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

 

 

 

বর্ষায় চোখের রোগ

শ্বাসতন্ত্র ও ত্বকের পাশাপাশি চোখের নানা রোগের প্রকোপও বাড়ে বর্ষায়। অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা অপরিষ্কার পানিতে ছড়িয়ে পড়ে নানা রকম জীবাণু, যা চোখের মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বর্ষায় চোখের রোগ নিয়ে লিখেছেন ডা. মো. আরমান হোসেন রনি

বর্ষায় চোখের রোগ
চোখের সংক্রমণ চিকিৎসায় ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। ছবি : সংগৃহীত

বর্ষার আর্দ্র বাতাসে ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশ বিস্তার করে। পাশাপাশি এ সময় দেখা দেয় বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। দূষিত পানি, কাদা, জীবাণু, রাসায়নিক পদার্থ এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এ সময় চোখের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্ষাকালীন চোখের রোগের বিষয়ে সচেতনতার অভাবে অনেকেই এর উপসর্গকে এড়িয়ে যান। চোখ সামান্য লাল হওয়া বা জ্বালাপোড়া করাকে গুরুতর রোগের লক্ষণ ভাবেন না। অথচ সময়মতো এর চিকিৎসা না নিলে এ থেকে দেখা দিতে পারে জটিল সব সমস্যা।

 

কনজাংটিভাইটিস

অনেকেই মনে করেন, চোখ ওঠা কোনো এক ধরনের রোগ, যা শুধু শুষ্ক আবহাওয়ায় ছড়ায়। বাস্তবতা হচ্ছে, কনজাংটিভাইটিসের বেশ কয়েকটি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া বর্ষাকালে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। বর্ষার কনজাংটিভাইটিসের লক্ষণের মধ্যে আছে—

♦ চোখ লাল হয়ে যাওয়া

♦ পানি বা আঠালো স্রাব বের হওয়া

♦ চোখে জ্বালাপোড়া ও চুলকানি

♦ সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখের পাতা আটকে যাওয়া।

লাল হওয়ার চেয়ে জ্বালাপোড়া, চুলকানি এবং আঠালো স্রাব বের হওয়ার মতো লক্ষণগুলো এ সময় বেশি দেখা যায়। এ রোগটি বেশ সংক্রামক, তাই আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, রুমাল বা প্রসাধনী অন্যদের ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি নিজে থেকেই সেরে যায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে ড্রপ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে।

 

কর্নিয়ার সংক্রমণ

জমে থাকা দূষিত পানি বা কাদা চোখে লাগলে কর্নিয়ায় ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা অন্যান্য জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা কনটাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কর্নিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি। সম্ভব হলে এ সময় চশমা ব্যবহার করুন। কর্নিয়ার সংক্রমণের লক্ষণের মধ্যে আছে—

♦ চোখে তীব্র ব্যথা

♦ আলো সহ্য করতে না পারা

♦ ঝাপসা দেখা

♦ চোখ দিয়ে অতিরিক্ত পানি পড়া।

কর্নিয়ার সংক্রমণ হেলাফেলা করার বিষয় নয়। এর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে দৃষ্টিশক্তির স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

 

চোখের অঞ্জনি (স্টাই)

চোখের পাতায় অবস্থিত মেবোমিয়ান গ্রন্থিতে জীবাণু সংক্রমণ হলে দেখা দেয় চোখের অঞ্জনি বা স্টাই। এর লক্ষণের মধ্যে রয়েছে—

♦ চোখের পাতা ফুলে যাওয়া

♦ চোখ ব্যথা করা

♦ চোখ দিয়ে পানি পড়া

♦ ফুসকুড়ি থেকে পুঁজ ঝড়া।

অঞ্জনি প্রতিরোধে চোখ পরিষ্কার রাখা জরুরি। এক টুকরা তুলার বল বা কাপড়ের বল গরম পানিতে ভিজিয়ে দিনে অন্তত চারবার ছেঁক দিতে হবে। কখনো প্রয়োজন হলে অ্যান্টিবায়োটিক মলম লাগানো যেতে পারে।

 

চোখের সুস্থতায় করণীয়

♦ বন্যার পানি বা কাদা চোখে লাগলে যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার বা ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

♦ অপরিষ্কার হাতে চোখ স্পর্শ করবেন না।

♦ নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

♦ অন্যের তোয়ালে, রুমাল, বালিশ বা প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।

♦ কনটাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীরা বন্যার সময় বিশেষ সতর্ক থাকুন। সম্ভব হলে কয়েক দিন চশমা ব্যবহার করুন।

♦ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় সুরক্ষামূলক চশমা ব্যবহার করুন।

♦ শিশুদের নোংরা পানিতে খেলতে নিরুৎসাহ করুন।

 

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

নিম্নোক্ত লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি থাকলে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন—

♦ হঠাৎ ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া

♦ তীব্র চোখ ব্যথা

♦ চোখে সাদা দাগ দেখা

♦ চোখে রাসায়নিক পদার্থ প্রবেশ করা

♦ চোখে আঘাত লাগা

♦ আলো সহ্য করতে না পারা

♦ চোখ দিয়ে অতিরিক্ত পুঁজ বা ঘন স্রাব বের হওয়া।

 

যা এড়িয়ে চলবেন

♦ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েডযুক্ত চোখের ড্রপ ব্যবহার করবেন না।

♦ ফার্মেসির পরামর্শে অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করবেন না।

♦ গোলাপ জল, মধু, লেবুর রস বা অন্য কোনো ঘরোয়া উপাদান চোখে দেবেন না।

♦ চোখ লাল হলেই নিজে নিজে ওষুধ শুরু করবেন না।

 

লেখক : কনসালট্যান্ট (চক্ষু)

দীন মোহাম্মদ আই হসপিটাল

 

স্বাস্থ্যচিত্র

মেরুদণ্ডের ব্যথা কমাতে করণীয়

মায়োক্লিনিক অবলম্বনে এস এম তাহমিদ
মেরুদণ্ডের ব্যথা কমাতে করণীয়