অনার্স শেষ করার পর শিক্ষার্থীরা একাডেমিক দিক থেকে চাপমুক্ত থাকেন। কিন্তু একই সঙ্গে ক্যারিয়ার নিয়েও দুশ্চিন্তা পোহাতে হয়। কোনো শিক্ষার্থী মাস্টার্স করার পরিকল্পনা করুন বা না করুন, বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নামতে হবে এখনই।
সরকারি চাকরি
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তরুণদের কাছে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত হলো সরকারি চাকরি। এর কারণ চাকরির নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা ও আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা।
বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) : চাকরির বাজারে এখন সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্ষেত্র এটি। আপনি সাধারণ (জেনারেল) এবং কারিগরি/পেশাগত (টেকনিক্যাল) ক্যাডারে পরীক্ষা দিতে পারবেন। চার বছরের অনার্স ডিগ্রি থাকলেই আপনি বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য যোগ্য। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বিসিএস পরীক্ষা পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা—এই তিন স্তরে নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা বাছাই করা হয়। বিসিএস লক্ষ্য হলে এখন থেকেই বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস ধরে বিষয়ভিত্তিক (বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) প্রস্তুতি শুরু করুন।
ব্যাংক সেক্টর : বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে প্রতিবছর প্রচুর জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক ও অফিসার (সাধারণ) এবং অন্যান্য ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার, অফিসার (সাধারণ) ও অফিসার (ক্যাশ)—এই তিন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির (বিএসসি) মাধ্যমে ব্যাংকের পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এখানেও প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হয়।
অন্যান্য সরকারি চাকরি : পিএসসির অধীনে বিভিন্ন নন-ক্যাডার পদে (সাবরেজিস্ট্রার, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, কর পরিদর্শক প্রভৃতি) জনবল নেওয়া হয়। এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী পদের নিয়োগ পরীক্ষার জন্যও প্রস্তুতি নিতে পারেন।
বেসরকারি চাকরি
বেসরকারি খাতে অনেক ক্ষেত্রে মেধা ও পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হয়। আপনি যদি করপোরেট সংস্কৃতি পছন্দ করেন এবং দ্রুত ক্যারিয়ারে উন্নতি করতে চান, তাহলে এটি আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে।
মাল্টিন্যাশনাল কম্পানি (এমএনসি) : ইউনিলিভার, নেসলে, বা ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকোর মতো বড় মাল্টিন্যাশনাল কম্পানিগুলোতে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি (এমটি) হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা সম্ভব। আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড যদি বিবিএ (অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং, ফিন্যান্স) হয়ে থাকে, তাহলে বিভিন্ন কম্পানির সেলস, মার্কেটিং, মানবসম্পদ (এইচআর) বা অ্যাকাউন্টস বিভাগে কাজ করতে পারেন। অন্যদিকে মানবিক বা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাও তাঁদের দক্ষতা অনুযায়ী কাস্টমার রিলেশন, অ্যাডমিন বা অপারেশনস বিভাগে যোগ দিতে পারেন।
টেলিকমিউনিকেশন ও ই-কমার্স : বহুজাতিক মোবাইল অপারেটর কিংবা দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স ও লজিস্টিকস কম্পানিগুলোতে মার্কেটিং, সেলস, কাস্টমার কেয়ার ও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টে প্রচুর কাজের সুযোগ রয়েছে।
এনজিও সেক্টর : ব্র্যাক, আইসিডিডিআরবি কিংবা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এনজিওতে (যেমন—ইউএনডিপি, ইউএসএইড) ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে; বিশেষ করে যাঁরা সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি বা মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী, তাঁদের জন্য এই খাতটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এর জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করার মানসিকতা এবং ভালো যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে।
বেসরকারি ব্যাংক : সরকারি ব্যাংকের মতো বেসরকারি ব্যাংক ক্যারিয়ারও একজন চাকরিপ্রার্থীর সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করে দিতে পারে। এখানে চাকরির নিরাপত্তা অন্য যেকোনো বেসরকারি খাতের চেয়ে বেশি এবং বড় অঙ্কের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া সম্ভব।
শিক্ষকতা
শিক্ষকতা একটি সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। এই পেশায় উপস্থাপনাশৈলী চমৎকার হতে হবে। ইংরেজি বলার দক্ষতা (স্পোকেন ইংলিশ) এই পেশায় আপনাকে এগিয়ে রাখবে। দ্রুত প্রমোশন ও নিজেকে এগিয়ে রাখতে বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) ও এমএড (মাস্টার্স অব এডুকেশন) ডিগ্রি দারুণ কাজে দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় : একাডেমিক ফল ভালো থাকলে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া সম্ভব। তবে প্রথাগত সীমাবদ্ধতার জন্য বাংলাদেশে এখনো ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়/জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের প্রবণতা নেই বললেই চলে।
সরকারি কলেজ : বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ পেলে আপনি সরাসরি গেজেটেড প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি কলেজে যোগ দিতে পারবেন। লক্ষ্য সরকারি কলেজ বা সরকারি মাদরাসা হলে আপনাকে বিসিএস প্রস্তুতি নিয়ে ভাবতে হবে।
সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় : পিএসসির নন-ক্যাডার (দশম গ্রেড) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে আপনি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ পাবেন। এর জন্যও আপনাকে সরকারি চাকরির প্রস্তুতিই নিতে হবে।
বেসরকারি কলেজ ও উচ্চ বিদ্যালয় : বর্তমানে দেশের সব বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের একমাত্র মাধ্যম হলো এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ)। প্রতিবছর এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হয়। প্রথমে আপনাকে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একটি ভালো স্কোর বা মেরিট পজিশন অর্জন করতে হবে। পরে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে শূন্য পদে আবেদনের মাধ্যমে নিয়োগের সুযোগ পাবেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : গ্রাম ও মফস্বলের চাকরিপ্রার্থীদের কাছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা এখনো বেশ আকর্ষণীয়। প্রায় প্রতিবছর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বড় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর জোর প্রস্তুতি নিন।
বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল-কলেজ : নটর ডেম, ভিকারুননিসা, রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা স্বনামধন্য ইংলিশ মিডিয়াম/ভার্সন স্কুলে শিক্ষকতা করতে চাইলে সনদের চেয়ে আপনার ব্যক্তিগত দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আইটি ও ডিজিটাল স্কিলস
বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির। আপনার অনার্সের বিষয় যা-ই হোক, আইটি বা ডিজিটাল কোনো স্কিল জানা থাকলে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। এই ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আপনি ঘরে বসে উপার্জনও করতে পারবেন। আপনার আগ্রহ থাকলে আপনি অনার্স পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের মাঝখানের সময়টাতে একটি নির্দিষ্ট স্কিল পুরোপুরি আয়ত্ত করে ফেলুন। ইউটিউব বা স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিন বা ছয় মাসের কোর্স করতে পারেন। কাজ শেখার পর আপওয়ার্ক, ফাইভার কিংবা ফ্রিল্যান্সারের মতো প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলে কাজ শুরু করা যায়। এ ছাড়া রিমোট জবেরও সুযোগ আছে।
ডিজিটাল মার্কেটিং : বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং, এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং কনটেন্ট রাইটিংয়েরও বেশ চাহিদা আছে। দিন দিন এই সেক্টরে দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়বে।
গ্রাফিক ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং : ক্রিয়েটিভ কাজের প্রতি ঝোঁক থাকলে এটি হতে পারে আপনার আয়ের প্রধান উৎস। আপনি ফ্রিল্যান্স বা কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ডেটা এন্ট্রি : কোডিং বা ডেটা অ্যানালিসিসের কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (ফাইভার, আপওয়ার্ক) অথবা দেশি আইটি ফার্মে যোগ দিতে পারেন। এখানে অর্থ উপার্জনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
উদ্যোক্তা বা স্টার্টআপ
আপনি যদি অন্যের অধীনে চাকরি করতে না চান এবং নিজে কিছু করার স্বপ্ন দেখেন, তাহলে উদ্যোক্তা হওয়া আপনার জন্য চমৎকার বিকল্প। চাকরি খোঁজার চেয়ে চাকরিদাতা হওয়া অনেক বেশি গৌরবের। তরুণদের মধ্যে এখন উদ্যোক্তা হওয়ার প্রবণতা দারুণভাবে বাড়ছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এখন বিভিন্ন ব্যাংক ও সরকারি তহবিল থেকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হচ্ছে।
ই-কমার্স ও এফ-কমার্স : স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো অনলাইন বিজনেস। ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশীয় পণ্য, পোশাক, গ্যাজেট, হস্তশিল্প বা অর্গানিক ফুডের ব্যবসা শুরু করা যায়।
কৃষি ও ডেইরি ফার্মিং : গ্রামীণ বা মফস্বল এলাকায় থাকলে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে মৎস্য চাষ, ডেইরি ফার্ম বা ছাদকৃষি/নার্সারিকে বাণিজ্যিক রূপ দেওয়া যেতে পারে।
শিক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান : একাডেমিক বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সম্পর্কিত প্রস্তুতি সহায়ক প্রতিষ্ঠান, স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ভাষাশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ যেকোনো শিক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান নিয়েও ভাবতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ।
স্টার্টআপ : সমাজের কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান নিয়ে কোনো সেবামূলক বা প্রযুক্তিগত স্টার্টআপ শুরু করতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন একটি ইউনিক আইডিয়া ও কঠোর পরিশ্রম।
উচ্চশিক্ষা ও প্রফেশনাল ডিগ্রি
পরীক্ষা শেষ মানেই পড়াশোনার শেষ নয়। যাঁরা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নিতে চান বা বিদেশে স্থায়ী হতে চান, তাঁদের জন্য উচ্চশিক্ষা শুরু হতে পারে নতুন পরিকল্পনা। আর প্রফেশনাল ডিগ্রি আপনার একাডেমিক ডিগ্রিতে যোগ করবে নতুন মাত্রা।
মাস্টার্স ও উচ্চতর ডিগ্রি : আপনি আপনার নিজ কলেজ বা কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করতে পারেন। এ ছাড়া প্রফেশনাল ক্যারিয়ারে এগিয়ে থাকার জন্য ইভনিং এমবিএ বা বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সও করা যেতে পারে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আইবিএস), জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা দেশের অন্য কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল/পিএইচডিও সম্পন্ন করতে পারেন।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা : অনেকে মনে করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া অসম্ভব, যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আইইএলটিএস কিংবা টোফেলে ভালো স্কোর তুলতে পারলে এবং সিজিপিএ ভালো থাকলে বিদেশে স্কলারশিপসহ মাস্টার্সের সুযোগ পাবেন।
প্রফেশনাল ডিগ্রি : বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সাধারণ ডিগ্রির পাশাপাশি একটি প্রফেশনাল ডিগ্রি আপনাকে অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে রাখবে। আপনি যদি ব্যবসায় প্রশাসন/ হিসাববিজ্ঞান/ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে নিরীক্ষা ও হিসাব পেশায় সিএ (চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি), উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সেক্টরে সিএমএ (কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট), কম্পানির আইন ও প্রশাসনিক দিক দেখভালের জন্য সিএস (চার্টার্ড সেক্রেটারি) ও এমবিএ (প্রফেশনাল) প্রভৃতি ডিগ্রি নিয়ে ভাবতে পারেন। যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী কম্পানির মানবসম্পদ বিভাগে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পিএইচডিএইচআরএম (পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট), লজিস্টিকস এবং সাপ্লাই চেইন বিভাগের জন্য পিএইচডি ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ওকালতি বা আইন পরামর্শক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে ল (এলএলবি), আইটি সেক্টরের জন্য ডেটা সায়েন্স, নেটওয়ার্ক, সাইবার সিকিউরিটি সার্টিফিকেশনস বা সিসিএনএ, সিইএইচের মতো প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন নিতে পারেন।




