• ই-পেপার

লামার গভীর অরণ্যে

  • অপূর্ব সৌন্দর্যের প্রাকৃতিক এক লীলাভূমি বান্দরবানের লামা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এখানকার মিরিঞ্জা ভ্যালি থেকে সূর্যাস্ত দেখতে স্বর্গের মতো মনে হয়। স্থানটি ঘুরে এসে লিখেছেন আবু আফজাল সালেহ

খোঁজখবর

খোঁজখবর

বিশ্বরঙে মূল্যছাড়

কেনাকাটায় বর্ষাকালীন মূল্যছাড় দিচ্ছে ফ্যাশন ব্র্যান্ড বিশ্বরঙ। পাওয়া যাবে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, শার্ট, স্কার্ট, স্টিচ, আনস্টিচসহ পোশাক, গয়না ও অ্যাকসেসরিজ। শিশুদের পোশাকেও রয়েছে বিশেষ মূল্যছাড়। সব ধরনের শাড়িতে পাওয়া যাবে ২০ শতাংশ ছাড়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্টিচ পোশাকে পাওয়া যাবে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়। স্টক থাকা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শোরুম ও অনলাইনে উপভোগ করা যাবে এই মূল্যছাড়।

খোঁজখবর

ধানমণ্ডিতে ব্লুচিজ

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে নতুন আউটলেট উদ্বোধন করেছে ফ্যাশন ব্র্যান্ড ব্লুচিজ। ২৭ জুন গ্র্যান্ড ওপেনিং অনুষ্ঠান হয়। ব্লুচিজের প্রতিষ্ঠাতা ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের বিশ্বাস, নতুন আউটলেটটি এখানকার ক্রেতাদের কেনাকাটা আরো আরামদায়ক করবে। এ লক্ষ্যেই এখানে আমাদের নতুন যাত্রা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যান্ডটির সহপ্রতিষ্ঠাতা সিমিন জামান ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী। পাঞ্জাবি, ডিজাইনার ড্রেস, ওয়েস্টার্ন টপস, শার্ট, নারীদের প্যান্ট, টি-শার্ট, ডেনিম, ওয়েস্টকোট, পোলো শার্ট, ক্যাজুয়াল ও ফরমাল পোশাক পাওয়া যাবে এখানে। ঠিকানা : গাউসিয়া টুইন পিক, হাউস-৪২ ও ৪৩ (নতুন), ৭৪২ ও ৭৪৩ (পুরনো), সাতমসজিদ রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

 

 

খাবার প্লেটে নেমে আসুক রংধনু

আদরের সোনামণির খাদ্যতালিকায় রংধনু রঙের; যেমন—লাল, হলুদ, সবুজ, কমলা, বেগুনি, সাদার মতো ফল ও শাক-সবজি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। লিখেছেন পুষ্টিবিদ লিনা আকতার

খাবার প্লেটে নেমে আসুক রংধনু
শিশুর প্লেটে রংধনুর রং আনার চেষ্টা করুন। এতে খাবার সুন্দর দেখায়। শিশুরা খেতে উৎসাহ পায়। ছবি : সংগৃহীত

শিশুরা বড়দের মতো পর্যাপ্ত শাক-সবজি খেতে চায় না। অথচ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের খাবারের পরিমাণ বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে রঙিন শাক-সবজি ও ফল তাদের পাতে বেশি রাখা জরুরি। শিশুদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরির পেছনে মা-বাবার ভূমিকাই মুখ্য। এ জন্য ছোটবেলা থেকে অভ্যাস করুন। সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে খেতে বসুন। এতে ওরা খাবার খেতে উত্সাহিত হবে। মা-বাবা যদি বিভিন্ন ধরনের খাবার গ্রহণ করেন, তাহলে শিশুরাও সেই খাবার খেতে উত্সাহ দেখাবে।

শিশুর প্লেটে রংধনুর রং আনার চেষ্টা করুন। বিভিন্ন রঙের খাবার দিয়ে প্লেট সাজিয়ে দিন। এতে খাবার সুন্দর দেখায়। শিশুরা খেতে উত্সাহী হয়। এতে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি পাবে। পাশাপাশি স্বাদ ও গন্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে। একই খাবার বারবার দেবেন না। এতে একঘেয়েমি লাগতে পারে। সোনামণির খাবারের প্লেটে সৃজনশীলতা বাড়ান।

শিশুদের প্রথম কয়েকবার নতুন খাবার দেওয়ার চেষ্টা করুন। শিশুরা অনেক খাবার একসঙ্গে খেতে চায় না। এ জন্য বিভিন্ন খাবার সংমিশ্রণ করে খাওয়ান। তাহলে সহজে পুষ্টি পাবে। যেমনখিচুড়ি, পাঁচমিশালি ডাল, মিক্সড সবজি, মিক্সড সালাদ, মিক্সড ফল ইত্যাদি। স্বাদ ও আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন রঙের খাবারের সঙ্গে ভেষজ মসলা সংমিশ্রণ করতে পারেন। খেতে না চাইলে হাল ছাড়বেন না। বারবার বিভিন্ন উপায়ে মিশ্র খাবারে অভ্যস্ত করান। বাজার থেকে অপরিচিত ফল ও সবজি কিনে শিশুকে দেখতে ও স্পর্শ করতে দিন। মৌসুমি ফল ও শাক-সবজি খেতে উৎসাহিত করুন।

খাবার প্লেটে নেমে আসুক রংধনু

কোন রঙের খাবারে কী পুষ্টি

বিভিন্ন রঙের ফল ও শাক-সবজি খাবারের প্লেটকে যেমন দৃষ্টিনন্দন করে, তেমনি শিশুরা নিজ থেকে খেতে উত্সাহ পায়। প্রতিদিন আপনার শিশুকে একটি ভিটামিন এ ও একটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বা শাক-সবজি খাওয়ান। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে আম, মিষ্টি আলু, গাজর ইত্যাদি। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে কমলা, মাল্টা, লেবু, জাম্বুরা, মরিচ, আমলকী, আমড়া ইত্যাদি।

লাল বা গোলাপি রঙের ফল ও সবজিতে লাইকোপেন, এলাজিক এসিড, কোয়েরসেটিন ও হেস্পেরিডিনসের মতো শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হূদরোগ ও ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া লাল ও গোলাপি ফল এবং শাক-সবজি রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। টিউমারের বৃদ্ধি কমাতে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এ জন্য লাল আপেল, লাল বাঁধাকপি, লাল মরিচ, চেরি, ডালিম, টমেটো, তরমুজ, লাল আঙুর, গোলাপি জাম্বুরা ও স্ট্রবেরি খেতে দিন শিশুকে।

কমলা ও হলুদ ফল, শাক-সবজি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। যেমন-গাজর, মিষ্টি আলু, কুমড়া ইত্যাদি। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার ক্যান্সার, হূদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। চোখ ও ত্বক সুস্থ রাখে। কমলালেবুর মতো হলুদ সাইট্রাস ফলে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কমলা ও হলুদ রঙের শাক-সবজি ও ফলের মধ্যে রয়েছে লেবু, আম, ভুট্টা, পেঁপে, পিচ, নাশপাতি, এপ্রিকটস, গাজর ইত্যাদি।

সবুজ শাক-সবজি ও ফল ক্লোরোফিল ছাড়াও ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন সি ও কে-এর উত্স। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধে উপকার করে থাকে। শাক-সবজি ও ফল ফাইবারসমৃদ্ধ, যা পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতায় ভূমিকা রাখে। শরীরের দূষিত রক্ত পরিষ্কার করে। বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়। সবুজ শাক-সবজি ও ফলে লুটেইনসমৃদ্ধ ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা চোখ সুস্থ রাখে। এ জন্য শিশুর পাতে পালংশাক, পাটশাক, পুঁইশাক, শসা, ব্রকোলি, লেটুস, ধনেপাতা, অ্যাভোকাডো ইত্যাদি রাখুন।

বেগুনি ও নীল রঙের শাক-সবজি ও ফলে বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড, ফাইটোকেমিক্যাল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। এ ছাড়া ক্যান্সার, হূদরোগের ঝুঁকি কমানোসহ বিভিন্ন উপকার করে থাকে। এসব ফল ও সবজির মধ্যে রয়েছে জাম, বেগুনি বাঁধাকপি, ব্লুবেরি, বেগুনি আঙুর, কিশমিশ, ডুমুর, বেগুন ইত্যাদি। গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি ব্লুবেরি খেলে স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ক ভালো থাকে।

ফুলকপি, পেঁয়াজ, আলু, রসুন, কলার মতো সাদা ফলের পুষ্টিগুণ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এসব উপকার পেতে ছোট থেকেই রঙিন খাবার দিয়ে সাজিয়ে দিন আপনার সোনামণির খাবারের প্লেট।

 

 

 

 

 

 

অবাধ্য চুল বশে আনার কৌশল

প্রেমিকার অবাধ্য চুল নিয়ে কত শত কবিতা-গান-ছড়া। তবে সামনে থাকা অবাধ্য ছোট চুল বশে রাখতে নারীদের বেশ ঝামেলাই পোহাতে হয়। অবাধ্য চুল বশে আনার পরামর্শ দিয়েছেন রূপ বিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। লিখেছেন মেহরীমা ইতি

অবাধ্য চুল বশে আনার কৌশল

সামনের ছোট চুল প্রায়ই উড়ে এসে জুড়ে বসে মুখে। সব সময় ঠিক যেন কথা শুনতে চায় না সামনের ছোট চুলগুলো। তবে খানিকটা পরিচর্যায়ই বশে আনা যায় অবাধ্য ছোট চুল।

জুতসই বাঁধন

চুল বাঁধার ঢঙে ভিন্নতা আনতে পারেন। সামনের ছোট চুল যখন কথা শুনবেই না, তখন তাকে বেঁধে ফেলাই ভালো! কপাল থেকে মাথার তালু পর্যন্ত সুন্দর একটি স্কার্ফ বেঁধে নিন। ব্যস, হয়ে গেল ক্ষণস্থায়ী সমাধান। এলোমেলো চুল সামলাতে স্কার্ফটিকে ভাঁজ করে ব্যান্ডেনার মতো করে চুলের সামনের দিকে বেঁধে নিতে পারেন। এখন মেয়েদের কাছে স্কার্ফ বেশ জনপ্রিয়। এতে একই সঙ্গে ছোট চুলগুলোও যেমন সামলে রাখা যাবে, তেমনি ফ্যাশনও হবে। স্কার্ফ দিয়ে পুরো মাথার চুল ঢেকে রাখতে না চাইলে ফিতা দিয়ে টেনে বেঁধেও নিতে পারেন। দুটির কোনোটিতে যদি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না হয়, আছে উপায়। সামনের চুলগুলো পেঁচিয়ে টুইস্ট করে নিন। এবার ডান বা বাম যেকোনো একদিকে বেণি করে আরেক পাশে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন। চাইলে ছোট চুলের সমন্বয়ে ঝুঁটি বেঁধে নিতে পারেন।

কাটের ঢংয়ে বদল

অবাধ্য ছোট চুল নিয়ে খুব বেশি ঝামেলা হলে কাটের ঢংয়েও পরিবর্তন আনতে পারেন। মুখের সঙ্গে মানানসই এমন কোনো চুলের কাট বেছে নিন। সামনের চুলগুলো ব্যাংস করে কেটে নিলেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

এ ক্ষেত্রে ভালো বিউটি পার্লারে গিয়ে হেয়ার স্টাইলিস্টের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো। তাঁর দেওয়া পরামর্শ মেনে সামনের ছোট চুলের কাট বদলে নেওয়া যাবে অনায়াসেই।

 টিপস

* চুল শুকাতে হেয়ার ড্রায়ারের ঠাণ্ডা বাতাস ব্যবহার করুন। গরম বাতাসে সামনের চুল আরো উষ্কখুষ্ক ও প্রাণহীন দেখাবে।

* চুলের সিঁথিতে পরিবর্তন আনতে পারেন, যাতে সামনের ছোটগুলোর সমন্বয়ে সিঁথিতে নতুনত্ব আনা যায়।

* অনুষ্ঠানে বা কোথাও বেড়াতে গেলে পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নকশাদার হ্যাট পরতে পারেন। এতে খুব সহজেই অবাধ্য চুল বশে আনা যাবে। সঙ্গে ফ্যাশনেবলও দেখাবে।

* বাজারে চুল আটকে রাখার জন্য নানা রকমের ক্লিপ পাওয়া যায়। এসব ক্লিপের ব্যবহারে সামনের ছোট চুল টেনে নিয়ে বড় চুলের সঙ্গে আটকে ফেলুন।

*তাত্ক্ষণিক সমাধান চাইলে হেয়ার স্প্রে কিংবা ওয়্যাক্স জেল দিয়ে চুলগুলো সেট করে নিতে পারেন। তবে এটি নিয়মিত করা যাবে না।

 

প্রসাধনীতে অ্যালার্জি হলে

প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক বিভিন্ন উপাদানের সংমিশ্রণে তৈরি হয় প্রসাধনী। ত্বকের ধরনভেদেও আলাদা আলাদা প্রসাধনী বানানো হয়। তবু অনেকেই প্রসাধনী ব্যবহারে অ্যালার্জি সমস্যায় ভোগেন। করণীয় কী? লিখেছেন ফাতেমা ইয়াসমীন

প্রসাধনীতে অ্যালার্জি হলে
নতুন প্রসাধনী ব্যবহারের আগে পরখ করে নিন।  মডেল : লাবণ্য চৌধুরী ছবি : এটুজেড

স্বাভাবিক ত্বকে প্রায় সব ধরনের প্রসাধনীই মানিয়ে যায়। সমস্যা বেশি হয় মূলত সংবেদনশীল ত্বকের বেলায়। কারো কারো ত্বকের সংবেদনশীলতার কারণে প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। হতে পারে অ্যালার্জিও। যেমন—নেইলপলিশে থাকা সালফোনোমাইড, ফরমালডিহাইড রেজিনের কারণে গলা ও চোখের পাতায় প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। আবার নেইলপলিশ তুলতে যে অ্যাসিটোন ব্যবহার করা হয়, তার জন্য নখ ক্ষয়ে যেতে পারে। চুলের কলপে থাকা প্যারাফিনাইল ডাই-অ্যামাইন থেকে মাথা, গোঁফ বা দাড়িতে অ্যালার্জি হতে পারে। লিপস্টিকে থাকা বিশেষ ধরনের রঞ্জক পদার্থ ঠোঁটে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। এ জন্য ত্বকে প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন থাকার পরামর্শ দিলেন রূপ বিশেষজ্ঞ শোভন সাহা। বিজ্ঞাপনের প্রভাবে প্রভাবিত না হয়ে বিভিন্ন প্রসাধনী নির্বিচার ব্যবহার না করাই ভালো। এ জন্য প্রসাধনী কেনার আগে একজন ডার্মাটোলজিস্ট অথবা কসমেটোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া ভালো। তাঁদের পরামর্শমতো প্রসাধনী ব্যবহার করলে অ্যালার্জি সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। প্রসাধনী বারবার পরিবর্তন করাও অনুচিত। অ্যালার্জি না হলে সেই প্রসাধনী নিয়মিত ব্যবহার করা উচিত। তবে কোনো বিশেষ প্রসাধনী দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে সেটি থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে। এ বিষয়েও সচেতন থাকা জরুরি।

ত্বকে যদি আগে থেকেই অ্যালার্জি থাকে তাহলে প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো। তার পরও প্রসাধনী ব্যবহার করতে চাইলে কেনার আগে সেটি পরখ করে নিন। কবজিতে সামান্য প্রসাধনী লাগিয়ে পরখ করুন, সেখানে কোনো র্যাশ, চুলকানি, লাল চিহ্ন বা জ্বালাপোড়া হয় কি না। এ ধরনের সমস্যা অনেক সময় স্বাভাবিক মনে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা বা প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। যদি সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন প্রসাধনীটি আপনার ত্বক উপযোগী নয়। কোনো সমস্যা না হলে সেটি ব্যবহার করতে পারেন। জেনে নিন প্রসাধনীতে অ্যালার্জি হলে কী করবেন।

ব্যবহার বন্ধ করুন

কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের পর ত্বকে সমস্যা দেখা দিলে সেটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক আলতো করে ধুয়ে ফেলুন। চুলে কলপ লাগানোর আগে কানের লতিতে লাগিয়ে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। যদি অ্যালার্জি সৃষ্টি হয় তবে সেটা ব্যবহার না করাই ভালো। সুগন্ধি সামগ্রী থেকে সাধারণত অ্যালার্জি সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। এটাও ব্যবহারের আগে পরখ করে নেওয়া ভালো।

ঠাণ্ডা পানি ঢালুন

অ্যালার্জি বা র্যাশের কারণে জ্বালাপোড়া বেশি হলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিন। কয়েক টুকরা বরফ পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে আক্রান্ত স্থানে ১০-১৫ মিনিট ধরে রাখুন। ত্বকের জ্বলুনি কমবে।

ময়েশ্চারাইজার

জ্বালাপোড়া কমাতে প্রসাধনী ব্যবহারের স্থানটিতে ক্ষতিকারক সুগন্ধি বা রাসায়নিক নেই এমন কোমল ময়েশ্চারাইজার বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ফুসকুড়ি, তীব্র জ্বালাপোড়া, ত্বক ফুলে যাওয়া বা ফোসকা পড়ার মতো সমস্যা হলে নিজে থেকে কোনো ওষুধ ব্যবহার করবেন না; দেরি না করে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ খেতে পারেন।