• ই-পেপার

সুন্দরবনের ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর ২৭ সদস্যের আত্মসমর্পণ

আবহাওয়া পূ র্বা ভা স

আবহাওয়া পূ র্বা ভা স

গতকালের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ : ঢাকা ২৯.৬ডিগ্রি সে.। চট্টগ্রাম ২৮.৮ডিগ্রি সে.। রাজশাহী ৩১.৮ডিগ্রি সে.। রংপুর ৩২.২ডিগ্রি সে.। খুলনা ৩১.৫ডিগ্রি সে.। বরিশাল ৩১.৬ডিগ্রি সে.। ময়মনসিংহ ২৯.৩ডিগ্রি সে.। সিলেট ৩১.৫ডিগ্রি সে.

গতকালের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন : ঢাকা ২৬.০ডিগ্রি সে.। চট্টগ্রাম ২৬.৬ডিগ্রি সে.। রাজশাহী ২৬.০ডিগ্রি সে.। রংপুর ২৫.৮ডিগ্রি সে.। খুলনা ২৬.২ডিগ্রি সে.। বরিশাল ২৬.৪ডিগ্রি সে.। ময়মনসিংহ ২৭.৫ডিগ্রি সে.। সিলেট ২৪.৫ডিগ্রি সে.

 

রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
 

সূত্র : আবহাওয়া অধিদপ্তর

 

শুভ কাজে সবার পাশে

গঙ্গাচড়ায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

জাবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সভা রাজিবপুরে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
গঙ্গাচড়ায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
বুড়িডাঙ্গী এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে শিক্ষা উপকরণ হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে তিস্তাতীরবর্তী বুড়িডাঙ্গী এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে সংগঠটির গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখা। এ ছাড়া বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের খবরে

গঙ্গাচড়ায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণগঙ্গাচড়া : পড়াশোনায় উৎসাহ দিতে উপজেলার বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে শিশুদের হাতে খাতা, পেনসিল ও রাবার তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বসুন্ধরা শুভসংঘ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান, সহসভাপতি রায়হান কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ মিয়া, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবক এবং স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিল। শিক্ষার্থী মোস্তাফিজার বলে, বিভিন্ন সময় আমাদের খাতা, পেনসিলসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হয়েছে। এতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আরো বেড়েছে। আমরা নিয়মিত স্কুলে আসতে উৎসাহ পাই।

সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন, তিস্তার চরাঞ্চলের অনেক শিশু সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা সংকটের কারণে লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়ে। তাদের মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত রাখতেই বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিশুদের মুখের হাসিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখা বিভিন্ন মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

জাবিপ্রবি : বসুন্ধরা শুভসংঘের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক এক সচেতনতামূলক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম ইউসুফ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমান এবং জাবিপ্রবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব যীনাত মিয়া আজিজুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হুমায়ুন কবীর এবং সঞ্চালনা করেন মো. শাহ নেওয়াজ আহমেদ আকাশ।

সভাপতির বক্তব্যে হুমায়ুন কবীর বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নিজেদের বাসাবাড়ি, ক্যাম্পাস ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গুমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

রাজিবপুর : বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার শিবেরডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সায়েকুল হাসান খান বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের মতো প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আরো বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার গোলাম কিবরিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিবেরডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী, রাজিবপুর উপজেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের আরিফ মাহমুদ, রাসেদুল, মাসুদ রানা, ওসমান, আশিক, মামুন, রাজিবপুর সরকারি কলেজ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা।

 

 

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে পিছিয়ে বাংলাদেশ

ভারতে ৪৮টি, মিয়ানমারে তিনটি আধুনিক ডপলার রাডার সচল বাংলাদেশে পাঁচটির মধ্যে চারটি অকেজো তাৎক্ষণিক পূর্বাভাসে প্রধান বাধা অচল রাডার

আসাদুজ্জামান রিপন
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে পিছিয়ে বাংলাদেশ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় ঘূর্ণিঝড়, অতিভারি বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব দুর্যোগে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় আগাম সতর্কতা ও নির্ভুল আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রয়োজন। নির্ভুল আবহাওয়া পূর্বাভাসে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার যেখানে আধুনিক রাডার নেটওয়ার্ক, ঘন ঘন পূর্বাভাস এবং উন্নত পর্যবেক্ষণব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, সেখানে সারা দেশে পাঁচটি রাডার থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে চারটি বন্ধ রয়েছে। এতে পূর্বাভাসে প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, একসময় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় উল্লেখযোগ্য অবস্থানে ছিল। ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় এবং ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত ও নির্ভুল পূর্বাভাস দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিল। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নের গতি কমে যাওয়ায় সেই সক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ফলে ঘুর্ণিঝড়, বজ্রপাত ও অতিবৃষ্টিতে তাত্ক্ষণিক পূর্বাভাস দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে রাডার নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে দক্ষ জনবল তৈরি, আধুনিক পূর্বাভাস প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৯ সালে কক্সবাজারে দেশের প্রথম আবহাওয়া রাডার স্থাপন করা হয়েছিল। এরপর ১৯৮৮ সালে আগারগাঁওয়ে দ্বিতীয় রাডার স্থাপন করা হয়েছিল। পরে রংপুর, মৌলভীবাজার ও পটুয়াখালীর খেপুপাড়াসহ মোট পাঁচ রাডার স্থাপন করা হয়। রংপুরের রাডার ছাড়া বাকি সব রাডার অচল হয়ে পড়ে আছে। রংপুরের রাডারটিও দুই বছর পর গত ১১ জুলাই সচল করা হয়েছে। গত ৪ জুলাই থেকে ঢাকার রাডার, তিন বছর ধরে কক্সবাজারের রাডার, চার বছর ধরে মৌলভীবাজারের রাডার এবং আট বছর ধরে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ার রাডার বন্ধ হয়ে অচল অবস্থায় আছে। যান্ত্রিক ত্রুটি, যন্ত্রাংশের সংকট ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব রাডার দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে।

বর্তমানে আবহাওয়া অধিদপ্তরের একটি মাত্র রাডার সচল রয়েছে। ফলে বজ্রঝড়, ভারি বৃষ্টিপাত কিংবা স্থানীয় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে সীমাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া ৫৯টি প্রথম শ্রেণির সিনথেটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া দৈনিক দুইবার আবহাওয়া পূর্বাভাস, চারটি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সতর্কতা, সামুদ্রিক সতর্কতা, দুর্যোগকালীন সময়ে বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিন দিয়ে থাকে।

ভারতের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের তথ্যমতে, ভারতজুড়ে বর্তমানে ৪৮টি আধুনিক ডপলার আবহাওয়া রাডার সচল রয়েছে। নিজস্ব প্রযুক্তিতে আরো ২০টি রাডার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া তাদের নিজস্ব আবহাওয়া মডেল ও স্যাটেলাইট রয়েছে। সাধারণ সময়ে প্রতিদিন চারবার জাতীয় আবহাওয়া বুলেটিন প্রকাশ করা হয়। ঘূর্ণিঝড়, ভারি বর্ষণ বা অন্য কোনো দুর্যোগ পরিস্থিতিতে প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর তাত্ক্ষণিক পূর্বাভাস ও হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে থাকে। এ ছাড়া ভারতীয় বিমানবাহিনী দেশজুড়ে ৮২টি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যেগুলোর মাধ্যমে সারা দেশের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে আঞ্চলিক সক্ষমতায় নিজেদের সবার পেছনে মানতে নারাজ আবহাওয়াবিদ এস এম কামরুল হাসান। তাঁর মতে, ভারত সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেও এরপরে বাংলাদেশের অবস্থান। বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় আধুনিক মডেলের ব্যবহারের অনেকটা এগিয়ে গেছে। তবে যান্ত্রিক ত্রুটিতে রাডার অচল হয়ে পড়ায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ২০১০ সালের পর থেকে আমরা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছি। পূর্বে দুই দিন আগে দিলেও এখন পাঁচ দিন আগে আবহাওয়া পূর্বাভাস দিয়ে থাকি। সক্ষমতার কোনো ঘাটতি নেই, তবে লোকবলসংকটে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সমরেন্দ্র কর্মকার কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রযুক্তির দিক থেকে প্রতিবেশী দেশগুলো বাংলাদেশের চেয়ে বর্তমানে অনেক এগিয়ে গেছে। রাডার অচলাবস্থা আর দক্ষ জনবলসংকটে দক্ষিণ এশিয়ায় আবহাওয়া ব্যবস্থাপনায় অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। নিখুঁত পূর্বাভাসের জন্য রাডার প্রযুক্তিরও কোনো বিকল্প নেই। পূর্বাভাস আরো সুনির্দিষ্ট করার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং দক্ষ জনবল তৈরি করা দরকার।

 

বুয়েট অফিসার্স কোয়ার্টারের ভেতর এখনো জলাবদ্ধতা

বুয়েট অফিসার্স কোয়ার্টারের ভেতর এখনো জলাবদ্ধতা
বুয়েট অফিসার্স কোয়ার্টারের ভেতর এখনো জলাবদ্ধতা কাটেনি। গতকাল তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ