কলা কলা একটি আঁশযুক্ত ফল, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাকতন্ত্রের কাজে সহায়তা করে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের আশঙ্কাও কমে। এতে জলীয় অংশ কম, ক্যালরি পাওয়া যায় বেশি। কলায় রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। রয়েছে ভিটামিন-বি৬, যা স্নায়ুতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয়। আরো রয়েছে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। কলায় গ্লুকোজ, সুক্রোজ ও ফ্রুকটোজ থাকে, যা শরীরের শক্তিবৃদ্ধিতে সহায়ক। খেলোয়াড়দের ডায়েটের অন্যতম অনুষঙ্গ কলা। গবেষণায় দেখা গেছে, মাঝারি আকারের মাত্র দুটি কলা প্রায় ৯০ মিনিট পূর্ণোদ্যমে কাজ করার মতো শক্তি জোগায়। অনেক নারীর ঋতুস্রাবের আগে যে প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম হয়, নিয়মিত কলা খেলে তা অনেকখানি কমে যায়। কলার ভিটামিট-বি৬বি-১, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ধূমপায়ীদের ধূমপান ত্যাগের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে এবং নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়। কলায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে রক্তশূন্যতা রোধে কার্যকর। গ্যাস্ট্রিক আলসারের অনেক রোগীর জন্য কলা প্রাকৃতিক এসিডরোধী হিসেবে কাজ করে। সুতরাং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে একটি করে কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ডা. মুনতাসীর মারুফ