• ই-পেপার

ডলারের বাজারে চাপ সৃষ্টি, দাম বেড়ে ১২৩.৭৫ টাকা

চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ১০ দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১০৫৪ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ১০ দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১০৫৪ জন

সাম্প্রতিক বন্যা-পরবর্তী চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬১৬ জন আক্রান্ত হয়। তবে ডায়রিয়া আক্রান্ত এসব রোগীর প্রায়ই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার মধ্যে পাঁচটি (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি) সাম্প্রতিক বন্যা আক্রান্ত হয়েছে। এই পাঁচটি জেলায় গত ১০ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত মোট এক হাজার ৫৪ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছে। ডায়রিয়া আক্রান্তে কোনো মৃত্যু নেই। তবে পানিতে ডুবে মোট ২৫ জন মারা গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, বন্যার পর জেলায় গত ১২ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনে ৬১৬ জন ডায়রিয়া রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। তিনি বলেন, সাতকানিয়া, বাঁশখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা-পরবর্তী সময়ে ডায়রিয়া প্রকোপ দেখা দিতে এমন আশঙ্কায় তাঁরা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। ১১২টি মেডিক্যাল ক্যাম্প, ৩২টি মোবাইল মেডিক্যাল ক্যাম্প, ৬৫ হাজার ৯০০টি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণসহ (১৭ জুলাই পর্যন্ত) বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে ডায়রিয়া আক্রান্ত অনেক কম হয়েছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা যায়, ১৫টি উপজেলায় গত ১৭ জুলাই ১২১ জন, ১৮ জুলাই ১১০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। এ নিয়ে গত ১২ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৫ উপজেলায় মোট ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছে ৬১৬ জন।

প্রথমবার ডেঙ্গুর টিকার অনুমোদন দিল ভারত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
প্রথমবার ডেঙ্গুর টিকার অনুমোদন দিল ভারত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রথমবারের মতো কোনো ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে ভারত। দেশটির ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) জাপানি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাকেদা বায়োফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি কিউডেঙ্গা বাজারজাতের অনুমতি দিয়েছে। ভারতে ডেঙ্গু বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ অনুমোদন দেওয়া হলো। গত দুই দশকে দেশটিতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভারতে রেকর্ড হয়, যদিও বিভিন্ন গবেষণা বলছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি।

তাকেদা বায়োফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডিয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চার থেকে ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তিরা এই টিকা নিতে পারবেন। কিউডেঙ্গা একটি লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড টেট্রাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই সুরক্ষা দিতে সক্ষম। তিন মাসের ব্যবধানে দুই ডোজে এই টিকা প্রয়োগ করতে হয়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগে কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা বিবেচ্য নয়। অর্থাৎ পূর্ববর্তী সংক্রমণ শনাক্তের কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন ছাড়াই এই টিকা দেওয়া যাবে।

ডিসিজিআইয়ের অনুমোদন এসেছে তাকেদার বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত ১৯টি প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের ফলাফলের ভিত্তিতে। এসব গবেষণায় প্রায় ২৮ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। আটটি ডেঙ্গুপ্রবণ দেশে ২০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত ফেজ-থ্রি টাইডস ট্রায়ালে দেখা গেছে, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১২ মাস পর গবেষণাগারে নিশ্চিত হওয়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে টিকাটির কার্যকারিতা ৮০.২ শতাংশ। এ ছাড়া ১৮ মাস পর ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি ৯০.৪ শতাংশ কম।

সাড়ে চার বছর পরের বিশ্লেষণে হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে কার্যকারিতা ৮৪.১ শতাংশ পাওয়া গেছে। সাত বছরের ফলোআপেও চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা বজায় থাকার তথ্য মিলেছে। ভারতে চার থেকে ৬০ বছর বয়সীদের ওপর পরিচালিত পৃথক ফেজ-থ্রি ট্রায়ালেও টিকাটি নিরাপদ, সহনীয় এবং কার্যকর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাকেদা জানিয়েছে, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের ৪৩টি দেশে এরই মধ্যে কিউডেঙ্গা অনুমোদন পেয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে এ পর্যন্ত তিন কোটি ২০ লাখের বেশি ডোজ বিতরণ করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডেঙ্গুর উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় এই টিকা ব্যবহারের সুপারিশ করেছে এবং টিকাটি সংস্থাটির প্রাক-যোগ্যতাও অর্জন করেছে। বর্তমানে ব্রাজিলের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে এটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকারি কর্মসূচিতেও টিকাটি ব্যবহৃত হচ্ছে। তাকেদা জানিয়েছে, ভারতে টিকাটির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে তারা দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা, জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। সূত্র : দ্য হিন্দু

হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজ পাঁচ লাখ ৫ হাজার টাকা

বিমানভাড়া কমেছে ২৪,৮৩০ টাকা

বিশেষ প্রতিনিধি
হজের সর্বনিম্ন প্যাকেজ পাঁচ লাখ ৫ হাজার টাকা

আগামী বছর (২০২৭ সাল) হজের জন্য সরকারি সাশ্রয়ী প্যাকেজে সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা। অন্যদিকে উন্নত সুবিধার প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এ ছাড়া বেসরকারি মাধ্যমের জন্য সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন।

মন্ত্রী জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ছয় লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এ প্যাকেজের হজযাত্রীরা মক্কায় হারাম শরিফ থেকে এক হাজার থেকে এক হাজার ৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের সুবিধা পাবেন। মিনায় জোন-২-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও মুয়াল্লিমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে অবস্থানকাল হবে ৩৫ থেকে ৪০ দিন। অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করে রুম আপগ্রেড ও স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও থাকবে।

তিনি বলেন, হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)-এর খরচ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে দুই থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু দেওয়া হবে। হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুযায়ী সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

হজ প্যাকেজ বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, বেসরকারি মাধ্যমের জন্য সাধারণ হজ প্যাকেজ-এর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে সর্বোচ্চ তিন কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মসজিদে নববী থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রতি কক্ষে সর্বোচ্চ ছয়জনের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও খাবার সরবরাহ করা হবে। হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক থাকবে।

মন্ত্রী আরো জানান, তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সিগুলোকে নিবন্ধন শুরুর আগে সৌদি সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম কোটার ভিত্তিতে গ্রুপ গঠন করতে হবে। সরকার অনুমোদিত সাধারণ হজ প্যাকেজ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হলেও গ্রুপভুক্ত এজেন্সিগুলো পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে। তবে সরকারঘোষিত হজ প্যাকেজ-২-এর চেয়ে কম সেবা দিয়ে কোনো প্যাকেজ ঘোষণা করা যাবে না।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবার হজ ফ্লাইটের বিমান ভাড়া গত বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি জানান, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে হজ ফ্লাইটের বিমান ভাড়া প্রায় দুই লাখ টাকা ছিল। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তা কমিয়ে এক লাখ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়। এবার তা আরো কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

হামে শিশুমৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই

নিজস্ব প্রতিবেদক
হামে শিশুমৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরো চার শিশু মারা গেছে। এ সময় হামের লক্ষণ নিয়ে আরো ৮৭৮ জন হাসপাতালে এসেছে। হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩০ জনের। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গতকাল মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেটের। একজন রাজশাহীতে এবং আরেকজন ময়মনসিংহে মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৭০২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময় হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৫ শিশু। মোট মারা গেছে ৭৯৭ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ৪৪৮ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ২৪৪ শিশু।

দেশে এখন পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে মোট ১৪ হাজার ৭০৮ শিশুর। এ ছাড়া এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ২১৮ জন। একই সময় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮৭৯ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে মোট ৯৮ হাজার ৪১১ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

দেশে চলমান হাম পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, গবেষণাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনস্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা।

তাঁদের মতে, টিকার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ানো, কার্যকর রোগ নজরদারি এবং দ্রুত আক্রান্তদের শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনতে পারলে হামের বিস্তার ও মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, হাম নিয়ন্ত্রণে উচ্চ টিকাদান কাভারেজ নিশ্চিত করা, কার্যকর রোগ নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্ত করা এবং কমিউনিটির সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে টিকার প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেশিএমন এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

আইসিডিডিআরবির ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ও সিনিয়র ডিরেক্টর এবং ভাইরোলজি ল্যাবরেটরি অ্যান্ড জিনোম সেন্টারের প্রধান ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চলতি বছরের হাম পরিস্থিতি কেন নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে, তা গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করা প্রয়োজন। ভাইরাসের কোনো পরিবর্তন, টিকার কার্যকারিতা বা অন্য কোনো কারণ এর পেছনে ভূমিকা রাখছে কি না, সেটিও বৈজ্ঞানিকভাবে অনুসন্ধান করা দরকার।