আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড (সকাল ৭টা)
প্রদর্শনী
ফেলনা কাঠে দেশের ইতিহাস
আজকের খেলা

গোয়াইনঘাট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে মিনহাজ উদ্দিন (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহতের খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার ভোররাতে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের লাখাট স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিনহাজ গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ভাদেশ্বর গ্রামের কমর উদ্দিনের ছেলে। তবে ঘটনার সময় ঠিক কী উদ্দেশ্যে তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে গিয়েছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিনহাজ সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য এনে দেশে বিক্রি করতেন। রাত ৩টার দিকে মিনহাজ উদ্দিন সোনারহাট-লাখাট সীমান্ত পার হলে খাসিয়ারা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে তাঁর সঙ্গীরা বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য কামাল উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা নিহতের বাড়িতে যাই এবং বিষয়টি পুলিশ ও বিজিবিকে অবহিত করেছি।’
সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খাসিয়ার গুলিতে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার তানভীর ফায়াজের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত যুবক ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে গুলিবিদ্ধ হলে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।’
এই ঘটনার পর বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তে কড়া নজরদারিসহ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে স্পিকার
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ না করলে দেশ স্বাধীন হতো না
মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ নয়

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।’
গতকাল শনিবার রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট— ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশাহারা ও অবদমিত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট যদি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করত, তাহলে এই দেশ এখনো পাকিস্তান থাকত।’
মুক্তিযুদ্ধ কোনো ‘রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ নয়, বাঙালির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়ন আলাদাভাবে বিদ্রোহ করে জনগণকে সংগঠিত করেছিল। সেনাবাহিনীতে যোগদান, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে আসা, মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া এবং নিজের সেনাজীবনের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ উদ্দিন।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিতে উৎসাহিত করার জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, এ দেশের মহান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। তাঁর কথাতেই আমি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়েছি, অন্যদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে।’
১৯৭০ সালের নির্বাচন নিয়ে স্পিকার বলেন, সেটি হয়েছিল ছয় দফার ভিত্তিতে। তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সম্পদ ও সুযোগের সমবণ্টন ছিল না। সেই বৈষম্য নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিল।
তিনি বলেন, ‘পশ্চিম পাকিস্তান চারটি প্রদেশকে যেভাবে তত্ত্বাবধান করে, যেভাবে সমৃদ্ধ করে, সে তুলনায় পূর্ব পাকিস্তান ছিল অবহেলিত। পূর্ব পাকিস্তানে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় না।’
স্পিকার বলেন, “তখনকার আন্দোলনটির নাম ছিল ‘সাম্যের আন্দোলন’। দুটি অঞ্চলের মধ্যে সমতা ছিল না। সম্পদের সমবণ্টন ছিল না। এ জন্য পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষুব্ধ ছিল। এটিকে সম্বল করে আওয়ামী লীগ তৎকালীন নির্বাচনে জিতেছিল।”
শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদকে নিয়ে স্পিকার বলেন, ‘এমনকি ২৫ মার্চ পাকিস্তান আর্মি নিরীহ বাঙালিদের ওপরে যখন ক্র্যাকডাউন করল, অব্যবহিত পূর্বে প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন সাহেব, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়েছেন। গিয়ে বলেছেন যে পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে যাচ্ছে। দেশের মানুষ স্বাধীনতা চায়, এখনো সময় আছে, আপনি স্বাধীনতা ঘোষণা করুন। শেখ মুজিবুর সাহেব বললেন যে না, আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারি না। পাকিস্তান ভাঙাতে আমার কোনো অবদান থাকুক, এটি আমি চাই না। সুতরাং স্বাধীনতার ঘোষণা আমি দিব না। স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। পাকিস্তান ক্র্যাকডাউন চালাল। লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে উদভ্রান্ত হয়ে পালিয়ে যাচ্ছে, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পাকিস্তানি বাহিনী মেশিনগান, মর্টার, কামান দিয়ে নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করছে।’
এ সময় যেকোনো জাতি অবদমিত হয়ে আত্মসমর্পণ করতে পারত মন্তব্য করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘সেই মুহূর্তে জনগণের জীবন এবং নারীদের সম্ভ্রম রক্ষায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
এই সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন মেজর জিয়াউর রহমান। এটি হলো প্রকৃত সত্য। যে ঘোষণায় জাতি উদ্দীপ্ত হয়েছে, অনুপ্রাণিত হয়েছে। হাজার হাজার ছাত্র-যুবক ঘরবাড়ি ছেড়ে দৌড়ে এসেছে যে যুদ্ধ করবে।’
মুক্তিযুদ্ধকে কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই মন্তব্য করে স্পিকার বলেন, এটি ছিল জনতার যুদ্ধ। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ যারা দেখে নাই, তারা দুর্ভাগা। আমরা ভাগ্যবান, ১৯৭১ সাল দেখতে পেয়েছি। আমাদের তো মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। চার হাজার সৈনিক। মুক্তিবাহিনী ছিল প্রায় লাখের মতো। ছাত্র, শিক্ষক, রিকশাচালক, দোকানদার, বাসের চালক, সহকারী, পিয়নসহ সব পেশার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। কিন্তু এই কথা ইতিহাসে নাই।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান বলেন, দেশের সমৃদ্ধি ও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরে যাদের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, তাদের অকপটে সেই দায় স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশটাকে এগিয়ে নিতে চাই, সমৃদ্ধ করতে চাই। যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের এগিয়ে আসতে হবে। তাঁরা এই বিষয়টিকে অকপটে স্বীকার করে ক্ষমা না চাইলে পুরো জাতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তা স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া কষ্টকর। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে তাঁদের মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রকে ধারণ করতে হবে।’
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীকে আরো শক্তিশালী ও পেশাদার করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েই বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করতে চাই। স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজন ভুলে দেশ গড়ার স্বার্থে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে আসতে হবে।’
অনুষ্ঠানে রাওয়া ক্লাবের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) আব্দুল হকের সভাপতিত্বে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত অফিসার ও সদস্যরা বক্তব্য দেন।
ডিসিসিআইয়ের মতবিনিময়সভা
ব্যবসা সহজীকরণে জোর উদ্যোক্তাদের

বৈশ্বিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদের ব্যাংকঋণ, জ্বালানিসংকট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ব্যবসা পরিচালনা ক্রমে কঠিন হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন ধানমণ্ডি-মোহাম্মদপুর অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যবসা পরিচালনা ব্যয় কমানো, ট্রেড লাইসেন্সসহ সরকারি সেবার ডিজিটাইজেশন, এলসি খোলার প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের দাবি জানান তাঁরা।
গতকাল শনিবার রাজধানীর নিউ ধানমণ্ডি কনভেনশন হলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় এসব দাবি জানানো হয়। সভায় ধানমণ্ডি-মোহাম্মদপুর এলাকার ১৫টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এবং শতাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘দেশের ব্যবসায়ীরা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও কর ও ভ্যাট সংক্রান্ত জটিলতা, প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের বিক্রি ও টার্নওভারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক বাজেটে উৎস করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা, শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে উৎস কর হ্রাস এবং সিএমএসএমই খাতের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা এবং সরকারি ব্যাংকঋণনির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত করছে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মাহমুদুন নবী, এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব নুসরাত ফারজানা, ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার নির্ঝর আহমেদ, ডিএমপির উপকমিশনার মো. তারেক জুবায়ের এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ বক্তব্য দেন।
তাঁরা ব্যবসা সহজীকরণ, করব্যবস্থার আধুনিকায়ন, চাঁদাবাজি দমন, ট্রেড লাইসেন্স সেবা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মুক্ত আলোচনায় ব্যবসায়ীরা ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের মেয়াদ পাঁচ বছর করা, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে প্রণোদনা, নতুন উদ্যোক্তাদের এলসি সুবিধা সম্প্রসারণ, রিয়েল এস্টেট খাতে করহার হ্রাস, চশমাশিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানি সহজীকরণ এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ও ফ্রিল্যান্সিং খাতের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান। অনুষ্ঠানের শেষে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে ডিসিসিআইয়ের সদস্য পদ সনদ প্রদান করা হয়।
