• ই-পেপার

বৈশ্বিক পণ্যবাজার (ডলারে)

দেশে ফিরেছেন বাংলার জয়যাত্রার নাবিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে ফিরেছেন বাংলার জয়যাত্রার নাবিকরা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গতকাল সন্ধ্যায় পৌঁছেন নাবিকরা

আমরা যেন দ্বিতীয় জীবন ফিরে পেলাম। যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে চারপাশে যখন জাহাজ ডুবছিল, মাথার ওপর দিয়ে উড়ছিল ক্ষেপণাস্ত্র, তখনো আমরা দেশবাসীর দোয়া আর মানসিক শক্তিতে টিকে ছিলাম।

হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘ তিন মাস ২৫ দিনের টানা অবরুদ্ধ দশা আর মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ানোর স্মৃতিচারণা করে এভাবেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ বাংলার জয়যাত্রার ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলাম। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সামরিক সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই জাহাজের নাবিকরা অবশেষে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন।

গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে উড়োজাহাজে রওনা হয়ে সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন তাঁরা। বিমানবন্দরে নাবিকদের স্বাগত জানান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনকে কাছে পেয়ে টার্মিনালের বাইরে স্বজনদের মাঝে নেমে আসে এক আবেগঘন পরিবেশ। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অবরুদ্ধ সময়ের নানা লোমহর্ষক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন জাহাজের ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলাম এবং তৎকালীন কমান্ডিং অফিসার প্রণয় কৃষ্ণ সেন।

ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম জানান, যুদ্ধের সময়ে পারস্য উপসাগরে জাহাজের ওপর দিয়ে যখন একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছিল এবং আশপাশের অনেক জাহাজ ডুবে যাচ্ছিল, তখন সরকারের পক্ষ থেকে তাঁদের জাহাজ ছেড়ে নিরাপদ হোটেলে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

 

মুদ্রাবাজার

মুদ্রাবাজার

গুলিয়াম ফাওরি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এয়ারবাস

গুলিয়াম ফাওরি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এয়ারবাস

বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণের পথে হাঁটছে ফ্রান্সভিত্তিক উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। প্রতিষ্ঠানটির সিইও গুলিয়াম ফাওরি সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় বছরের প্রথম ছয় মাসে ডেলিভারি বেড়েছে ১৫ শতাংশ। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে চলতি বছর ৮৭০টি উড়োজাহাজ ডেলিভারি দিতে সক্ষম হবে তারা। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৩৫১টি উড়োজাহাজ ডেলিভারি করেছে এয়ারবাস।

‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ স্বীকৃতি প্রাইম ব্যাংকের

বাণিজ্য ডেস্ক
‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ স্বীকৃতি প্রাইম ব্যাংকের

ইউরোমানি অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স-২০২৬-এ ‘বাংলাদেশের সেরা ইএসজি ব্যাংক’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। এর মাধ্যমে টানা চতুর্থবারের মতো এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেল ব্যাংকটি। ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে ইউরোমানি অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স আন্তর্জাতিকভাবে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত। ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ পুরস্কারটি সেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান পায়, যারা টেকসই অর্থায়ন, দায়িত্বশীল সুশাসন, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি এবং ব্যাবসায়িক কার্যক্রমে ইএসজি নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়নে অসাধারণ নেতৃত্ব প্রদর্শন করে। টেকসই অর্থায়নের অংশ হিসেবে প্রাইম ব্যাংক নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সবুজ ও রূপান্তরমুখী প্রকল্পে অর্থায়ন অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই), নারী উদ্যোক্তা, কৃষি খাত এবং আর্থিক সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেও ব্যাংকটি কাজ করছে।