গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজে আয়নার দায়িত্ব পালন করে।
জহির উদ্দিন স্বপন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজে আয়নার দায়িত্ব পালন করে।
জহির উদ্দিন স্বপন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র কেন হঠাৎ ইরানে হামলা বন্ধ করেছে, তার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। প্রথমে বলা হয়েছিল, মার্কিন বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টরের মজুদ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে। পরে বলা হলো, ইরান আলোচনার অনুরোধ জানানোয় ট্রাম্প হামলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে একটি বিষয় এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে, সেটি হলো হামলা বন্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশান ও মার্কিন গণমাধ্যমের ভাষ্যে সুস্পষ্ট ফারাক রয়ে গেছে। গতকাল সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক বাহিনীর গোলা-বারুদ কমে আসার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ বিশাল এবং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি।’ জবাবে ইরান বলেছে, ইসরায়েলের প্রভাবে শুরু হওয়া পাঁচ মাসের যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ‘আটকে পড়েছে ও হিমশিম খাচ্ছে’ এবং এর ‘অনিবার্যভাবে মূল্য দিতে হবে’। অন্যদিকে একই দিন সিএনএন দাবি করেছে, হোয়াইট হাউসে গত শুক্রবার এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানে যুদ্ধ আরো জোরদার করার সম্ভাবনাটি বিবেচনা করছিলেন, তখন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ কারণে ট্রাম্প হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে এই যুদ্ধে জড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন। সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন গত রবিবার এবিসির ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমাদের কখনোই এই অর্থহীন যুদ্ধে জড়ানো উচিত হয়নি। এটি এখনই শেষ করা উচিত। আমরা আমাদের ইন্টারসেপ্টরগুলোর (ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী অস্ত্র) মজুদ কমিয়ে ফেলেছি, যা ইরানি হামলা ঠেকানো এবং মার্কিন সেনাদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল। বিশ্বজুড়ে আমরা অন্যান্য সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকিতে থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন এসব গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের অপচয় করছি।’
ইরান-ওমান আলোচনা : হরমুজ প্রণালি বিষয়ে অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়নি ইরান; বরং দেশটির মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোমবার বলেছেন, ওমানের সঙ্গে রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার একটি ওমানি প্রতিনিধিদল তেহরানে ছিল এবং তিনি আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌচলাচল কিভাবে পরিচালিত হবে। তবে ইরান হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তার অবস্থানে অটল রয়েছে এবং একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে চলেছে। জানা গেছে, ওমানিরা প্রণালিটির ব্যবস্থাপনা এবং সামুদ্রিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য একটি আঞ্চলিক কনসোর্টিয়াম গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, যার মাধ্যমে জাহাজগুলো কোনো টোল ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। কিন্তু ইরান সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে এবং এর পরিবর্তে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা এমন একটি ব্যবস্থার পক্ষে রয়েছে, যার অধীনে জাহাজগুলোকে একটি ‘পরিষেবা ফি’ দিতে হবে।
সৌদি আরবে হুতিদের হামলা : হুতিরা বলছে, তাদের ড্রোন সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল পরিবহন অবকাঠামোকে ‘লক্ষ্যবস্তু’ করেছে। ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত এই হুতি গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা পূর্ব সৌদি আরবকে লোহিত সাগর তীরবর্তী শহর ইয়ানবুর সঙ্গে সংযোগকারী বেশ কয়েকটি ‘সংবেদনশীল’ অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ও পরিবহন কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি ড্রোনের অনুপ্রবেশের জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা ড্রোনের মাধ্যমে পূর্ব সৌদি আরব থেকে ইয়ানবুতে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ও পরিবহনের সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কিছু সংবেদনশীল স্থান ও পয়েন্টকে লক্ষ্যবস্তু করেছি।’ এদিকে ইরান সমর্থিত একটি ইরাকি মিলিশিয়া বাহিনীও সোমবার সৌদি আরবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী হামলাগুলো ইরাকি ভূখণ্ড থেকে ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসী মিলিশিয়াদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে।’
তেলের দাম নিম্নমুখী : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হামলা স্থগিত করার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট তেলের দাম ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ ডলারে নেমে এসেছে। হরমুজ প্রণালিতে হামলার পর একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পুনরায় সংঘাতে জড়িয়েছে। এই উত্তেজনার সময় অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায় এবং গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম মে মাসের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে আসে। তবে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে ইরানে হামলা বন্ধ করায় ইরানও উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা বন্ধ রেখেছে।
সূত্র : রয়টার্স, সিএনএন, আলজাজিরা

চলমান গ্যাসসংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, গ্যাসসংকটের কারণে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প-কারখানা ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য সরকার আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। তবে এই সংকট সরকারি প্রতিষ্ঠানের নয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কারিগরি ত্রুটির কারণে সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সমস্যার সমাধানে সরকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে কাজ করছে। তাৎক্ষণিকভাবে সংকট নিরসন সম্ভব না হলেও আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ দ্রুত বিদেশ থেকে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব যন্ত্রাংশ এয়ার ফ্রেইটে দেশে পৌঁছার পর সর্বোচ্চ এক ঘণ্টার মধ্যে কাস্টমস ছাড়ের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করা যাচ্ছে না। কারণ এর আগেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। যন্ত্রাংশ খুলে মেরামতের সময় নতুন নতুন কারিগরি জটিলতা দেখা দিতে পারে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরো বলেন, আগামী সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ অন্তত ৫০ শতাংশ স্বাভাবিক করা গেলে পরবর্তী সপ্তাহে শতভাগ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিকল্প উৎসর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস মূল ভূখণ্ডে আনার উদ্যোগ, মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানি, নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপন এবং স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় সরকার একযোগে কাজ করছে।
দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কম্পানিগুলোর জন্য নতুন বিডিং রাউন্ড চালু করা হয়েছে, যার সময়সীমা আগামী নভেম্বরে শেষ হবে। এই প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এক যুগ আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে চালানো হয়েছিল হত্যাকাণ্ড—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলার ৪১ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যা চেষ্টা, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র, জেনোসাইডের মতো অপরাধের দুইটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এ আসামিদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন—এমন ১১ আসামিকে আগামী ১৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আবেদনে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনকে ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ বলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত ১৯ জুলাই চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এই মামলার ‘খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন’ দেয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর গতকাল ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ আকারে দাখিল করা হয়। পরে তা ট্রাইব্যুনালের সামনে উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আদেশের পর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকে মূলত দুইটি ঘটনার ওপর চার্জ দিয়েছি। একটি হচ্ছে যে শাপলা চত্বরে ৫ তারিখ (২০১৩ সালের ৫ মে) মধ্যরাতে যে নারকীয় ঘটনা ঘটল, সেখানে ৩২ জন শহীদ হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের ৩(গ) ধারা মোতাবেক ছিল জেনোসাইট। পরের দিন অর্থাৎ ২০১৩ সালের ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আরো ২০ জনকে একত্রে শহীদ করা হয়। সেটাও একটা জেনোসাইট ছিল। এই দুইটি জেনোসাইটের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুইটি চার্জ আমরা ৪১ জন আসামির বিরুদ্ধে এনেছি।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই হত্যাকাণ্ডের ‘মূল নায়ক’ আখ্যা দেন চিফ প্রসিকিউটর।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের সমাবেশে নির্বিচার গুলি চালিয়ে শতাধিক কর্মী হত্যার কথা উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ দেন হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক। অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। গত বছর ১৪ মে ১২ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলার তদন্তে নেমে ঢাকাসহ দেশের চার জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে হত্যার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। গত ৫ মে এক ব্রিফিংয়ে এই ৫৮ জনেরই পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন চিফ প্রসিকিউটর।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ মামলায় যাঁদের আসামি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।
এ ছাড়া সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মৃণাল কান্তি দাস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে আসামি করা হয়েছে।
আসামি হিসেবে আরো আছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপাকে।
বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে আসামি করা হয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, সাবেক পুলিশ প্রধান (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও বেনজীর আহমেদকে। এ ছাড়া র্যাবের তৎকালীন মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান (গ্রেপ্তার), মো. মজিবুর রহমান, পুলিশের সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, মাহবুব হোসেন, মনিরুল ইসলামকে। সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন, আশরাফুজ্জামান, এস এম মেহেদী হাসান, হারুন-অর-রশীদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, মো. আসাদুজ্জামান, এস এম শিবলী নোমান এবং বি এম ফরমান আলীও এ মামলার আসামি।