• ই-পেপার

কানাডায় ৮৫৭ দাবানল

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত

হুতি সমর্থকদের বিক্ষোভ

হুতি সমর্থকদের বিক্ষোভ
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অবরোধের বিরুদ্ধে হুতি সমর্থকদের বিক্ষোভ। গতকাল তোলা। ছবি : রয়টার্স

ইরানি ড্রোন হামলায় কুয়েতি সেনারা আহত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ইরানি ড্রোন হামলায় কুয়েতি সেনারা আহত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ফের শুরু হওয়ার পর গতকাল শুক্রবার কুয়েতের বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলায় কুয়েতি স্থলবাহিনীর বেশ কয়েকজন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন বলে দেশটির সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে।

কুয়েতের সেনাপ্রধান এক বিবৃতিতে জানান, আজ (শুক্রবার) সকালে ইরানি আগ্রাসনের ড্রোন আমাদের সেনাবাহিনীর একাধিক স্থাপনা ও ক্যাম্পে আঘাত হেনেছে। এতে আহত সেনা সদস্যদের আমি হাসপাতালে পরিদর্শন করেছি। এর আগে ইরানও কুয়েতে আঘাত হানার বিষয়টি স্বীকার করেছে।

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মজিদ মুসাভি এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ না ইরানের দক্ষিণ উপকূল ও হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধ করবে, ততক্ষণ তেহরান এই অঞ্চলে তাদের আক্রমণ চালিয়ে যাবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তেহরান ও ইরানের দক্ষিণাঞ্চল এক ও অবিচ্ছেদ্য। শত্রুদের ওপর এই লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ অব্যাহত থাকবে।

এদিকে ইরানের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের বোমাবর্ষণ অভিযানের পরিকল্পনা করছেন। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে আরো ডজনখানেক অতিরিক্ত রিফুয়েলিং যুদ্ধবিমান পাঠানোর নোটিশ দিয়েছে। সূত্র : এএফপি ও টাইমস অব ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চীনের এআই জোট ‘ওয়াইকো’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চীনের এআই জোট ‘ওয়াইকো’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারে নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নেমেছে চীন। বিশ্বের ২৯টি দেশ নিয়ে গঠিত ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (ওয়াইকো) নামের এই জোটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে বেইজিং।

গতকাল শুক্রবার সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে (ডব্লিউএআইসি) চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং বলেছেন, এআই কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয়। এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও যৌথ উন্নয়নের ক্ষেত্র হওয়া প্রয়োজন।

পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে প্রযুক্তি খাতে অন্য দেশকে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন ও ব্যবহার আন্তর্জাতিক অংশীদারির ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া দরকার।

এর আগে স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার সাংহাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ওয়াইকো। ২৯টি দেশ নিয়ে গঠিত এই জোটের সদর দপ্তর সাংহাইয়ে স্থাপন করা হয়েছে। জোটটিতে ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, রাশিয়া, পাকিস্তানসহ গ্লোবাল সাউথভুক্ত বিভিন্ন দেশ অংশ নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই জোটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এআই-সংক্রান্ত নীতিমালা ও আইন প্রণয়নে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করবে চীন। প্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।

জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে চীনের কাছে উন্নত চিপ রপ্তানিতে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীনও চিপ উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজ রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।

কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের গভর্ন্যান্স বিশেষজ্ঞ অরিন্দ্রজিৎ বসু আলজাজিরাকে বলেন, বৈশ্বিক সাইবার ও এআই নীতি নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র যখন তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে, তখন চীন সেই শূন্যস্থান কাজে লাগিয়ে নিজেদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

এদিকে এই সম্মেলনের ফাঁকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। সূত্র : আলজাজিরা

গ্রিনল্যান্ড উপকূলে ভাসছে বিশালাকার হিমশৈল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
গ্রিনল্যান্ড উপকূলে ভাসছে বিশালাকার হিমশৈল

গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে ভাসছে প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ ও চার কিলোমিটার প্রস্থের একটি বিশালাকার হিমশৈল। ডেনিশ মেটিওরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট (ডিএমআই) জানিয়েছে, হিমশৈলটি এরই মধ্যে সমুদ্রপথে প্রায় এক হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে।

ডিএমআইয়ের বরফবিষয়ক বিশ্লেষক হ্যান্স হেনরিক লাইট জানান, হিমশৈলটি এখন দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ভাসতে ভাসতেই এটি ভেঙে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে। সাধারণত শীত ও বসন্তকালে গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে জমে থাকা বরফের সঙ্গে হিমশৈলগুলো ভেসে বেড়ায় এবং গ্রীষ্মে দক্ষিণে পৌঁছায়। এই সময়ে সাধারণ হিমশৈলগুলোর আকার ২০০ থেকে ৫০০ মিটার হলেও, তিন থেকে ছয় কিলোমিটার আকৃতির এমন বিশাল বরফখণ্ড প্রতি দুই বা তিন বছরে শুধু একবারই দেখা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন বড় বড় বরফখণ্ড হিমবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সাগরে উন্মুক্ত হচ্ছে, যা ওই অঞ্চলের জাহাজ চলাচলের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র : সুইডেন হেরাল্ড