• ই-পেপার

বিবাহবিচ্ছেদে ৬৪০ মিলিয়ন ডলার খোয়ালেন এসকে গ্রুপের প্রধান

আফগান পুনর্বাসনের প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ জার্মান আদালতের

অনলাইন ডেস্ক
আফগান পুনর্বাসনের প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ জার্মান আদালতের
ছবি : রয়টার্স

জার্মানির সর্বোচ্চ আদালত শুক্রবার রায় দিয়েছে, আফগান নাগরিকদের জন্য আগে দেওয়া পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি সরকার একসঙ্গে বাতিল করতে পারবে না। প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এই রায় এসেছে এক আফগান মা ও তার দুই ছেলের করা মামলায়। তালেবান ২০২১ সালে আবার ক্ষমতায় ফেরার পর আগের জার্মান সরকার মানবাধিকার বিবেচনায় যেসব আফগানকে পুনর্বাসনের জন্য নির্বাচন করেছিল, এই পরিবারটি তাদের মধ্যে ছিল।

আদালত জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জার্মানির বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগতভাবে আবেদনগুলো পর্যালোচনা না করেই প্রায় ৬৪০ জন আফগানের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি বাতিল করে। আদালতের মতে, এটি সংবিধানে থাকা সরকারের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে থাকা নীতির লঙ্ঘন।

রায়ে আদালত বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিস্তৃত ক্ষমতা পেলেও সেই ক্ষমতা সীমাহীন নয়। কাউকে জার্মানিতে পুনর্বাসনের অনুমোদন দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিস্থিতি আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে। আদালত মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চ প্রশাসনিক আদালতে পাঠিয়েছে। বর্তমানে ওই আফগান নারী ও তার দুই ছেলে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন। 

আদালত রায় দিয়েছে, তাদের ভিসা না দেওয়া পর্যন্ত অথবা সংবিধান অনুযায়ী নতুন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানে তাদের থাকা-খাওয়ার খরচ জার্মান সরকারকেই বহন করতে হবে। তবে আদালতের এই রায়ের বিষয়ে জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।


 

আন্দোলনের মুখে কোন পথে হাঁটছে ভারত সরকার?

অনলাইন ডেস্ক
আন্দোলনের মুখে কোন পথে হাঁটছে ভারত সরকার?
ধর্মেন্দ্র প্রধান | ছবি : রয়টার্স

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই উঠছে না।’

সরকারের শীর্ষ একটি সূত্র দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের বিবেচনায় নেই। সূত্রের ভাষ্য, ‘পদত্যাগই সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্ত হতে পারে, কিন্তু সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না।’

সূত্রটি আরও জানায়, জনগণ সরকারকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কাজ চলছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত একাধিক চক্রের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আরও অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে শুক্রবার কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে অংশ নিয়ে সিজেপি আবারও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে। বৈঠক শেষে দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে কেন্দ্র শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার নীতিগতভাবে দুটি দাবিতে সম্মত হয়েছে—নিট-সংক্রান্ত ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর ও আইনি মামলা প্রত্যাহার।

বৈঠকে সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।

বৈঠকের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘সরকার যদি আন্দোলনের সমাধান চায়, তাহলে একমাত্র পথ হলো ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।’

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে সরকার অনড় অবস্থানে থাকায় আগামী শনিবারের সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী আলোচনার দিকেই এখন নজর রয়েছে।

ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দিলে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল : হোয়াইট হাউস

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দিলে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল : হোয়াইট হাউস
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি : রয়টার্স

সৌদি আরবের সঙ্গে বহুল আলোচিত পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিতে নতুন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর রয়টার্স

শর্তে বলা হয়েছে, রিয়াদ যদি ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ঐতিহাসিক ‘আব্রাহাম আকর্ডসে’ সই না করে, তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে প্রস্তাবিত এই পারমাণবিক চুক্তি কার্যকর হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, পারমাণবিক চুক্তিটি কেবল বেসামরিক ব্যবহারের জন্যই অনুমোদিত হবে। এর পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করছে সৌদি আরবের আব্রাহাম আকর্ডসে যোগ দেওয়ার ওপর।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলাইন লিভিট বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সৌদি আরব যদি এই আঞ্চলিক শান্তি চুক্তিতে অংশ না নেয়, তবে পারমাণবিক চুক্তিটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, আব্রাহাম আকর্ডসে সৌদি আরবের যোগদান মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হবে।

এর আগে গত বুধবার (২২ জুলাই) দুই দেশের পক্ষ থেকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং মার্কিন প্রযুক্তিতে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের প্রাথমিক সমঝোতার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে ট্রাম্পের শর্ত আরোপের মধ্য দিয়ে পুরো প্রক্রিয়ায় নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হলো।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুনির্দিষ্ট পথনকশা ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে দীর্ঘদিন ধরেই অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে সৌদি আরব। ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের পর ওয়াশিংটনস্থ সৌদি দূতাবাস থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় কমিশন

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় কমিশন
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে সতর্ক আশাবাদের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। কমিশনের মতে, এই সিদ্ধান্ত এক বছর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ইইউ, চীনসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

তবে ইইউ জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন শুল্ক আগের ‘মোস্ট ফেভারড নেশন (এমএফএন)’ শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে আরোপ করা হবে না।  একই সঙ্গে বিমান ও এর যন্ত্রাংশ, জেনেরিক ওষুধ, ওষুধের কাঁচামাল এবং কর্ক ও হীরাসহ কয়েকটি পণ্যে শুল্ক ছাড়ও বহাল রাখা হয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র বলেন, এই সিদ্ধান্ত ইইউ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ঘোষণায় থাকা শুল্ক-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে ভবিষ্যতে আরো শুল্ক ছাড় এবং দুই পক্ষের বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো বলেন, গত বছর স্কটল্যান্ডে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির শর্ত যুক্তরাষ্ট্র মেনে চলবে বলে ইইউ আশা করছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, ইইউ মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নিতে সম্মত হয়েছিল, আর যুক্তরাষ্ট্র ইইউর বেশিরভাগ পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল।

ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্য, উভয় পক্ষের বাজারে স্থিতিশীলতা ও ব্যবসায়িক পূর্বাভাস নিশ্চিত করতে এই চুক্তি বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখা জরুরি। এদিকে জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগ আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।