• ই-পেপার

রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে কড়াকড়ি, ভারতসহ ৫ দেশর জন্য নতুন মার্কিন বিল

পাকিস্তান

বেলুচিস্তানের ৮৫% নিয়ন্ত্রণের দাবি, স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি চাইলেন বেলুচ নেতা

অনলাইন ডেস্ক
বেলুচিস্তানের ৮৫% নিয়ন্ত্রণের দাবি, স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি চাইলেন বেলুচ নেতা
ছবি : রয়টার্স

বেলুচ আন্দোলনের নেতা মীর ইয়ার বেলুচ দাবি করেছেন, পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকা এখন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বেলুচিস্তানকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৩ জুলাই তারিখের একটি চিঠি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মীর বেলুচ দাবি করেন, বেলুচিস্তান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, অঞ্চলটির জন্য একটি জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত তৈরি করা হয়েছে। ‘বেলুচি ফালুস’ নামে একটি মুদ্রাও চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন ও নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

মীর বেলুচ আরো দাবি করেন, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো বেলুচিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সোনা ও তামার খনি, গ্যাসক্ষেত্র এবং কয়লাখনি।

চিঠিতে আরো দাবি করা হয়েছে, সামরিক, নৌ, বিমান ও বেসামরিক সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাহিনী বেলুচিস্তানের প্রশাসন পরিচালনা করছে। তাদের লক্ষ্য ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অঞ্চল থেকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে সরিয়ে দেওয়া।

মীর ইয়ার বেলুচ আরো জানান, পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীতে কর্মরত অনেক বেলুচ ও পশতুন সদস্য চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, কথিত ‘বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র’কে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই রাষ্ট্র তার ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা উপকূল কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহার করতে দেবে না। তবে চিঠিতে করা এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পাকিস্তান সরকার বা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এখন পর্যন্ত বেলুচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। 

এ ছাড়া অঞ্চলটির ওপর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবিও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল প্রদেশ বেলুচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চলছে। বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী সেখানে স্বাধীনতা বা আরো বেশি স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে।

তবে পাকিস্তান সরকার বেলুচিস্তানের ওপর নিজেদের পূর্ণ সার্বভৌম কর্তৃত্বের দাবি করে। ইসলামাবাদ বরাবরই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সেখানে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। এ পর্যন্ত বিশ্বের কোনো দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থা স্বাধীন ‘বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র’কে স্বীকৃতি দেয়নি। আন্তর্জাতিকভাবে বেলুচিস্তান পাকিস্তানের অংশ হিসেবেই স্বীকৃত।

মোবাইল সেট উৎপাদনে ভারতের নতুন চমক

অনলাইন ডেস্ক
মোবাইল সেট উৎপাদনে ভারতের নতুন চমক
সংগৃহীত ছবি

সেমিকন্ডাক্টর তৈরি, ডিজাইন এবং উৎপাদন বাড়াতে এবার ১ দশমিক ২৮ ট্রিলিয়ন রুপি (প্রায় ১ হাজার ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার) নতুন বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ভারতের মন্ত্রিসভা। এর ফলে দেশটিতে মোবাইল ফোন উৎপাদনে নতুন মাত্র যোগ হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে কর্মসংস্থানও।

বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দেশটির সরকার জানিয়েছে, এই অর্থ সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) ও চিপ ডিজাইন উন্নয়ন, নতুন চিপ উৎপাদন কারখানা (ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট) স্থাপন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) কার্যক্রম জোরদারে ব্যয় করা হবে।

প্রায় পাঁচ বছর আগে ভারত ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। যার লক্ষ্য ছিল দেশটিকে বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। সেই কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ১২টি উৎপাদন ইউনিট এবং ২৪টি সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার।

এদিকে মন্ত্রিসভা মোবাইল ফোন উৎপাদন বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদি আরেকটি কর্মসূচির জন্য ৬২ হাজার ৫০০ কোটি রুপি বরাদ্দও অনুমোদন করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ভারতে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের যোগ্য বিক্রয়ের ওপর ২ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া হবে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ দেশীয়ভাবে সংগ্রহ করলে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সরকারের আশা, নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে প্রায় ৬০ হাজার সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ভারতের ইলেকট্রনিকস উৎপাদন খাত আরো শক্তিশালী হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক শক্তি, মুহুর্মুহু হামলার আগাম বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক শক্তি, মুহুর্মুহু হামলার আগাম বার্তা

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। সংঘাত বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কয়েক দফায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই তীব্রতা আরো বাড়াতে এবার মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত সামরিক উড়োজাহাজ মোতায়েনের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি বলছে, বুধবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির এক প্রদিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আরও জোরদার হবে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে হামলা চালাচ্ছি। উপকূল ও সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় তাদের যা কিছু আছে, সবকিছুই লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। যতক্ষণ না আমি বলব যে- (থামো) যথেষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ হামলা চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ রাতে আমরা কঠোর হামলা চালাব। আগামীকাল রাতেও হামলা হবে। তার পরের রাতেও হবে। এরপর আগামী সপ্তাহে তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। কারণ তখন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা হবে। এরপর সেতুগুলোতে হামলা হবে। আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল করে দেব। সব সেতু ধ্বংস করে দেব, যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে।’

ইরানের সামনে চুক্তি করা ছাড়া আর কোনও পথ নেই দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে চায়। তাদের চুক্তি করাই ভালো। নইলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না’।

যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে চায় বলেও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি আগে সেখানে (হরমুজ প্রণালি) একটি ফি আরোপের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু এর পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করতে চায়, যা আমার কাছে আরও ভালো মনে হয়েছে।’

তবে আমি ফি আরোপের ধারণাটি পছন্দ করি না। হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকতে হবে। না হলে অন্যরাও একই কাজ শুরু করবে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের আগে মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালিয়েছে। পরে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করেছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন নৌবাহিনীর ২০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত সামরিক উড়োজাহাজ মোতায়েন রয়েছে বলেও জানায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘এই লোকদের সঙ্গে আলোচনার একমাত্র উপায় হলো শক্তি প্রদর্শন। আর সেই শক্তি হলো সামরিক শক্তি। আমরা সেটাই করেছি’।

যুক্তরাষ্ট্রে ৬১৬ কোটি টাকায় বিক্রি টি.রেক্সের কঙ্কাল, গড়ল নতুন বিশ্বরেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে ৬১৬ কোটি টাকায় বিক্রি টি.রেক্সের কঙ্কাল, গড়ল নতুন বিশ্বরেকর্ড
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিলামে ৫ কোটি ১ লাখ মার্কিন ডলারে (প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা) বিক্রি হয়েছে ‘গাস’ নামে পরিচিত একটি টাইরানোসরাস রেক্স (টি.রেক্স) ডাইনোসরের কঙ্কাল। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক নিলাম প্রতিষ্ঠান সোদেবিজের আয়োজিত নিলামে এই কঙ্কালটি বিক্রি হয়। এর মাধ্যমে এটি নিলামে বিক্রি হওয়া বিশ্বের সবচেয়ে দামি ডাইনোসরের কঙ্কালের নতুন রেকর্ড গড়েছে।

নিলামের সময় কঙ্কালটি কিনতে সাতজন আগ্রহী ক্রেতা অংশ নেন। প্রায় ১০ মিনিট ধরে তাদের মধ্যে টানা দর হাঁকার প্রতিযোগিতা চলে। শেষ পর্যন্ত এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ক্রেতা ৫ কোটি ১ লাখ ডলারে কঙ্কালটি কিনে নেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘গাস’ বিশ্বের সবচেয়ে সম্পূর্ণ টি. রেক্স কঙ্কালগুলোর একটি। এতে মোট ১৮৩টি জীবাশ্মে পরিণত হওয়া হাড় রয়েছে। পুরো কঙ্কালের প্রায় ৬৩ শতাংশ এখনো অক্ষত রয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ৩৮ ফুট বা ১১ দশমিক ৬ মিটার। আকারের দিক থেকেও এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে বড় টি. রেক্স নমুনাগুলোর একটি।

২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের একটি গরুর খামারে কঙ্কালটি খুঁজে পাওয়া যায়। পরে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, এই ডাইনোসরটি আজ থেকে প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে পৃথিবীতে বাস করত। সে সময় পৃথিবীর জলবায়ু বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি উষ্ণ ছিল। সমুদ্রের পানির উচ্চতাও ছিল অনেক বেশি। উপকূলজুড়ে বিস্তীর্ণ সমতল এলাকা ছিল, যেগুলো প্রায়ই বন্যার পানিতে প্লাবিত হতো। নিলামে এত বড় অঙ্কে এই কঙ্কাল বিক্রি হওয়ার ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে, ডাইনোসরের জীবাশ্ম ও হাড়ের আন্তর্জাতিক বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক জীবাশ্মবিদ। তাদের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম ব্যক্তিগত সংগ্রহে চলে গেলে গবেষণা ও জনসাধারণের দেখার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। 

নিলামের আগে বার্তা সংস্থা এএফপিকে সোদেবিজের বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগের প্রধান ক্যাসান্দ্রা হ্যাটন বলেন, বিশ্বের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ, যেখানে এ ধরনের জীবাশ্ম ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি বলেন, কোনো জমির মালিক যদি একটি জীবাশ্ম খুঁজে পান, তাহলে সেই জীবাশ্মের মালিকানাও তার হয়। তিনি চাইলে সেটি বিক্রি করতে পারেন। তাই ব্যক্তিগতভাবে ডাইনোসরের জীবাশ্ম কিনতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র জায়গা, যেখানে তা আইনগতভাবে সম্ভব। এর আগে জীবাশ্মের নিলামে সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ছিল ‘এপেক্স’ নামে একটি স্টেগোসরাসের কঙ্কালের। ২০২৪ সালে হেজ ফান্ডের ধনকুবের কেন গ্রিফিন এটি ৪ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলারে কিনেছিলেন। এবার ‘গাস’ সেই রেকর্ড ভেঙে নিলামে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে দামি ডাইনোসরের কঙ্কালে পরিণত হয়েছে।