• ই-পেপার

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফেনীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার দাবিতে বরিশালে ‘মার্চ টু শিক্ষা বোর্ড’ কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচির এক পর্যায়ে শিক্ষা বোর্ড সংলগ্ন সড়ক অবরোধ করলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ বিআরটিসি কাউন্টার এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন শ্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিন ধরে নানা অসংগতি, পরীক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা এবং শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া উপেক্ষা করা হচ্ছে। এসব সমস্যার সমাধান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন।

পরীক্ষা শেষে বিভিন্ন হল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে আরো শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে যোগ দিলে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

সড়ক অবরোধের কারণে রাস্তার দুই পাশে শত শত গণপরিবহন, দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পরে। এতে যাত্রী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, সাম্প্রতিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল ও অসংগতি থাকায় তারা কাঙ্ক্ষিত উত্তর দিতে পারেননি। এ সময় কয়েকজন পরীক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পরেন। কর্মসূচি চলাকালে আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন এবং শিক্ষাব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কারের আহ্বান করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।

এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরার আশ্বাস দিয়েছেন।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বিভিন্ন বিভাগে গিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, পরিবার ছেড়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছে। তবে তারা একা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিভাবকের মতো সব সময় তাদের পাশে থাকবে। মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।

বিভিন্ন বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অনুষদের ডিন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো ই-কার

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো ই-কার
ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে ২টি পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক কার (ই-কার) হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শেডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে ২টি ই-কার চাবি হস্তান্তর করেন।

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘নোবিপ্রবিতে পরিবেশবান্ধব ই-কার সংযোজন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ ই-কার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন সংযোজন, যা শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরো সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করে তুলবে।

তিনি আরো বলেন, ‘এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের সুযোগ পাবে। ফলে তাদের সময় ও শ্রম উভয়ই সাশ্রয় হবে।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিগগিরই শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ই-কার উন্মুক্ত করবে, যা ক্যাম্পাসে একটি কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ ই-কার সংযোজন করা হয়েছে। এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ই-কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান, পরিবহন পুলের প্রশাসক ড. মো. মফিজুর রহমান, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়েদুল হক, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবাবিল গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, ই-কার থেকে সম্পূর্ণ শূন্য (জিরো) কার্বন নিঃসরণ হয়। বর্তমানে এটি বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা এটিকে শিক্ষার্থীবান্ধব, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার ছাত্রদল আয়োজিত ‘গণ-অভ্যুত্থানের বাকবদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

প্রশাসনিক আদেশে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ না করে আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব অবৈধভাবে সরকার পরিচালনা করেছে এবং তাদের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তাই মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ‘গণ-অভ্যুত্থানের বাকবদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিচারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং বর্তমানে এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ব্যক্তি ও সংগঠন—উভয়েরই বিচার করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা চাই আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই ফ্যাসিবাদী সংগঠনের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক। প্রশাসনিক আদেশে কোনো দলকে নিষিদ্ধ করাকে আমরা সঠিক মনে করি না।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রায়ালে যেভাবে হিটলারের সংগঠন ও গেস্টাপো বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশেও তেমন একটি আইনগত প্রক্রিয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ ও শিশুদের হত্যার ঘটনা বিশ্বে বিরল।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক যে, এই গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। বরং তারা জুলাইয়ের যোদ্ধাদের জঙ্গিবাদী' হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের ইতিহাসকে গণতন্ত্র হত্যা, রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা হত্যা এবং একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার ইতিহাস হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে দেওয়া হবে না।’

ভবিষ্যতে যাতে কোনো স্বৈরাচারের উত্থান না ঘটে, সে লক্ষ্যে রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক সংগঠনের নয়, বরং এটি ছিল দেশের আপামর জনগণের আন্দোলন। ফ্যাসিবাদবিরোধী এই ঐক্য ধরে রেখে শহীদদের প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সরকার যেন ফ্যাসিবাদী আচরণ করতে না পারে, সে জন্য গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানান তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তরুণদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১-এর শহীদ এবং জুলাইয়ের শহীদরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব আমরা তরুণ প্রজন্মের হাতে রেখে যাচ্ছি। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান জিন্দাবাদ, জুলাই স্মৃতি আমাদের শক্তির উৎস হোক।’