• ই-পেপার

আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বিভিন্ন বিভাগে গিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, পরিবার ছেড়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছে। তবে তারা একা নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিভাবকের মতো সব সময় তাদের পাশে থাকবে। মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।

বিভিন্ন বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অনুষদের ডিন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো ই-কার

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো ই-কার
ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে ২টি পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক কার (ই-কার) হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শেডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে ২টি ই-কার চাবি হস্তান্তর করেন।

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘নোবিপ্রবিতে পরিবেশবান্ধব ই-কার সংযোজন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ ই-কার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন সংযোজন, যা শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরো সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করে তুলবে।

তিনি আরো বলেন, ‘এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের সুযোগ পাবে। ফলে তাদের সময় ও শ্রম উভয়ই সাশ্রয় হবে।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিগগিরই শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ই-কার উন্মুক্ত করবে, যা ক্যাম্পাসে একটি কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ ই-কার সংযোজন করা হয়েছে। এ ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ই-কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান, পরিবহন পুলের প্রশাসক ড. মো. মফিজুর রহমান, গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়েদুল হক, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবাবিল গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, ই-কার থেকে সম্পূর্ণ শূন্য (জিরো) কার্বন নিঃসরণ হয়। বর্তমানে এটি বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা এটিকে শিক্ষার্থীবান্ধব, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফেনীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

ফেনী প্রতিনিধি
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফেনীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফেনী শহরের শহীদ মিনার সংলগ্ন ট্রাংক রোডে অবস্থান নেন এইচএসসি ও সমসমান পরীক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফেনীতে সড়ক অবরোধ করেছেন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরের ফেনী শহরের শহিদ মিনার সংলগ্ন ট্রাংক রোডে অবস্থান নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

শহরের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের পরীক্ষা শেষে মিছিলসহকারে ফেনী সরকারি কলেজ, মহিপাল সরকারি কলেজ, সরকারি জিয়া মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারের সামনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন। সেখানে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার রুটিন নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিতর্কিত ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য এবং শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন।

এ সময় সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা এসে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেন।

আন্দোলনে নাম প্রকাশ না করে একজন পরীক্ষার্থী জানান, পরীক্ষার একটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রে নানা ভুল পাওয়া যায়। এ ছাড়া  বিভিন্ন স্থানে বন্যার কারণে শিক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেনি। ফলে আনেকের পরীক্ষা খারাপ হয়। তাই এ পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী ফৌজুল আজিম  জানান, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়ক ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।

বায়ুদূষণে বছরে ৮৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান : জাবির গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে বছরে ৮৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান : জাবির গবেষণা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর প্রায় ৮৮ হাজার ২৪০ জন মানুষের অকালমৃত্যু হচ্ছে, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ২৪২ জন। একই সঙ্গে কর্মক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা হ্রাসের ফলে বছরে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৫ শতাংশ। বিশেষ করে সূক্ষ্ম ধূলিকণা (পিএম২.৫) দূষণের কারণে এই প্রাণহানি ঘটে। 

বুধবার (১৫ জুলাই) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। এসব তথ্য তুলে ধরেন বিভাগের চেয়ারম্যান ও গবেষণা দলের প্রধান ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিভাগের (সি-টু-এ-এইচ-আর) পরিচালিত গবেষণায় দেশের ছয়টি প্রধান শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশালে বায়ুদূষণের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

যেখানে দেখা যায়, বায়ুদূষণজনিত মোট মৃত্যুর মধ্যে বছরে ৩৭ হাজার ৫৯১ জন হৃদ্‌রোগে, ৮ হাজার ৩৪৪ জন দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগে এবং ৮১১ জন ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা গেছেন। শহরভিত্তিক বিশ্লেষণে, সবচেয়ে বেশি অকালমৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, যেখানে বছরে প্রায় ৫৬ হাজার ৭৩৩ জন মানুষের মৃত্যু (পিএম২.৫) দূষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম (১১,২০২ জন), রাজশাহী (২,৮২৭ জন), খুলনা (২,৬২৫ জন), সিলেট (১,৪৮৪ জন) এবং বরিশাল (১,৩৬৯ জন)।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, গবেষণাটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Pollution জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে দেখানো হয়েছে, দেশে বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর প্রায় ৮৮ হাজার ২৪০ জন মানুষের অকালমৃত্যু হচ্ছে। একই সঙ্গে বছরে প্রায় ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে।

গবেষণায় আরো উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ছয়টি শহরেই বায়ুদূষণজনিত অকালমৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি ঢাকায়, যেখানে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩,৮৪৮ জন অতিরিক্ত মানুষের অকালমৃত্যু ঘটছে।

গবেষকদের মতে, এটি নগরাঞ্চলে বায়ুদূষণের দ্রুত অবনতিশীল পরিস্থিতি এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার জরুরি প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়।

গবেষণাদলের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রায়ই বায়ুদূষণকে শুধু পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখি। কিন্তু আমাদের গবেষণা বলছে, এর ফলে বছরে প্রায় ৮৮ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু এবং জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এটি নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি আরো বাড়বে।’

গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বায়ুমানের নির্দেশিকা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশে বায়ুদূষণজনিত অকালমৃত্যু ও অর্থনৈতিক ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এ জন্য কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন, বিভিন্ন উৎস থেকে পিএম২.৫ নিঃসরণ হ্রাস, নগরাঞ্চলে সমন্বিত বায়ুমান ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছেন গবেষকরা।

উল্লেখ্য, গবেষণাটির যৌথ প্রথম লেখক ছিলেন জাবির পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের ক্লাইমেট চেঞ্জ, এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড হেলথ রিসার্চ (সি-টু-এ-এইচ-আর) ইউনিটের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট সাইয়েদ মোহাম্মদ রাসেল এবং রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট আফসানা আক্তার। এছাড়া গবেষক দলে ছিলেন–একই ইউনিটের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট তারেকুল ইসলাম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মো. জিয়াউল হক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড হেলথ প্রমোশন ইউনিটের সাবেক পরিচালক ড. মো. ইকবাল কবির, হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. কুই গুও, যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ ইকোনমিকস ইউনিটের গবেষণা ফেলো ড. জেমস এ হল, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব জিওগ্রাফি, আর্থ অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুজান ই. বার্টিংটন, অধ্যাপক ড. জংবো শি এবং গবেষণার করেসপন্ডিং অথর ছিলেন জাবির পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান, সহযোগী অধ্যাপক ও সি-টু-এ-এইচ-আর ইউনিটের প্রধান ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, যিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (সিয়ারো) উপদেষ্টা দলের সদস্য।