• ই-পেপার

তুরস্ককের কাছে ট্রাম্পের এফ-৩৫ বিক্রির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেন নেতানিয়াহু

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ‘শত শত কোটি ডলার’ মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ‘শত শত কোটি ডলার’ মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি : রয়টার্স

ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন, আংকারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো শত শত কোটি ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করছে।

প্রতিরক্ষা শিল্প ফোরামে বক্তব্য দিয়ে তিনি জানান, জোটের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে মিত্র দেশগুলো নতুন বড় প্রকল্প ঘোষণা করছে। তার মতে, এসব বিনিয়োগ নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনীতি শক্তিশালী করবে এবং লাখো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

ন্যাটো জানিয়েছে, তারা নর্থরপ গ্রুম্যান থেকে পাঁচটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দীর্ঘপাল্লার ড্রোন কিনবে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ড্রোন প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর জন্য বর্তমানে যত ড্রোন অপারেটর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তার পাঁচগুণ বেশি প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
 
ন্যাটো এক বিবৃতিতে বলেছে, ড্রোন আধুনিক যুদ্ধের ধরন বদলে দিয়েছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠেছে। তাই জোটের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এসব উদ্যোগ জরুরি।

জোটটি আরো জানিয়েছে, তাদের পুরোনো ই-৩ নজরদারি বিমানগুলো ধীরে ধীরে সুইডিশ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান সাব-এর তৈরি সর্বোচ্চ ১০টি গ্লোবালআই নজরদারি বিমান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হবে। এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও অংশ নেবে। এদিকে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এই কর্মসূচিকে সুইডেনের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন।

রুটে আরো বলেন, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল।
 

করাচির উপকূলে নিখোঁজ কার্গো বিমান, পাঁচ ক্রুর খোঁজে তল্লাশি চলছে

অনলাইন ডেস্ক
করাচির উপকূলে নিখোঁজ কার্গো বিমান, পাঁচ ক্রুর খোঁজে তল্লাশি চলছে
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের করাচি উপকূলের কাছে একটি কার্গো বিমান নিখোঁজ হয়েছে। বিমানটিতে পাঁচজন ক্রু ছিলেন। ঘটনার পর নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। তবে এখনো বিমানটির অবস্থান বা আরোহীদের সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত স্থানীয় সময় ৯টা ২১ মিনিটে বোয়িং ৭৩৭ কার্গো বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওই সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নামছিল। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে পাকিস্তানের করাচিতে যাচ্ছিল। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কয়েক মিনিট আগে বিমানটির পাইলট নেভিগেশন ব্যবস্থায় ত্রুটির কথা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জানিয়েছিলেন। এরপর বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই রাডারের বাইরে চলে যায়।

উড়োজাহাজের গতিপথ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্লাইটরাডার২৪-এর প্রাথমিক তথ্যেও দেখা গেছে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে বিমানটির উচ্চতায় অস্বাভাবিক ওঠানামা হচ্ছিল। এরপর সেটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। নিখোঁজ বিমানটি পরিচালনা করছিল করাচিভিত্তিক বেসরকারি কার্গো এয়ারলাইন কে–টু এয়ারওয়েজ। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে। বুধবার এক বিবৃতিতে কে–টু এয়ারওয়েজ জানায়, বিমানে থাকা পাঁচজন ক্রুর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তাদের পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, নিখোঁজ বিমান উদ্ধারে পাকিস্তান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের সবাই পাঁচজন ক্রুর নিরাপদে ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করছেন।

এদিকে পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে করাচি উপকূল ও আশপাশের সমুদ্র এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থা অংশ নিয়েছে। পাকিস্তানে সর্বশেষ বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা ঘটে ২০২০ সালে। সে সময় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ যাত্রীবাহী বিমান করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ৯৯ জনের মধ্যে ৯৭ জন নিহত হন। মাত্র দুজন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান।

কেন ইরাকে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ?

অনলাইন ডেস্ক
কেন ইরাকে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ?
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন এখন ইরাকে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে খামেনির মরদেহবাহী বিমানটি পবিত্র নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিমানবন্দরে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি ও ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান যৌথভাবে মরদেহটি গ্রহণ করেন। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকেই নাজাফের রাস্তায় প্রয়াত এই নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো শিয়া মুসলমানের ঢল নামে।

কেন খামেনির কফিন ইরাকে নেওয়া হলো?
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দাফন ইরানে হওয়ার কথা থাকলেও তার কফিন বিশেষভাবে ইরাকে নিয়ে আসার পেছনে দুইটি বড় কারণ রয়েছে। শিয়া মুসলমানদের কাছে ইরাকের নাজাফ ও কারবালা সবচেয়ে পবিত্র তীর্থস্থান। নাজাফে ইসলামের চতুর্থ খলিফা ও ইমাম হযরত আলী (রা.) এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.)-এর মাজার শরিফ অবস্থিত। একজন শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরু হিসেবে খামেনিকে ইসলামের এই পুণ্যভূমিতে এনে সর্বোচ্চ ধর্মীয় শ্রদ্ধা ও বিদায় জানানো হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি খামেনি নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, তার বিপরীতে ইরান ও ইরাক নিজেদের অভিন্ন ‘আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক বন্ধন’ বিশ্বমঞ্চে প্রদর্শন করতে চায়। ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই যৌথ আয়োজন দুই মহান জাতির গভীর সম্পর্ককে প্রমাণ করে। কারবালার রাস্তায় খামেনির ছবির নিচে বড় ব্যানারে লেখা হয়েছে—‘যিনি আমেরিকাকে অপমান করেছেন।’

হাজার হাজার মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে ইরাকের কর্তৃপক্ষ নাজাফজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। শোকযাত্রার পুরো পথজুড়ে সাধারণ মানুষের জন্য খাবার ও পানীয়ের শত শত স্বেচ্ছাসেবী স্টল বসানো হয়েছে। নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কফিনটি বিমানযোগে ৬০ কিলোমিটার দূরে কারবালা শহরে নেওয়া হবে। সেখানে ইমাম হুসাইনের মাজারে আরেকটি ঐতিহাসিক শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

টানা ছয় দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক শোকযাত্রার অংশ হিসেবে খামেনির কফিনটি প্রথমে তেহরান ও কোম শহর ঘুরে ইরাকে আনা হয়। ইরাকের নাজাফ ও কারবালার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে এই সপ্তাহের শেষভাগে কফিনটি পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে এবং বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ যে, ১৯৮০-এর দশকে সাদ্দাম হোসেনের শাসনামলে ইরান ও ইরাকের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হলেও, ২০০৩ সালে সাদ্দামের পতনের পর ইরাকে শিয়া-প্রধান সরকার ক্ষমতায় আসলে দুই দেশ ঘনিষ্ঠ মিত্রে পরিণত হয়।

বাহরাইন ও কুয়েতে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা

অনলাইন ডেস্ক
বাহরাইন ও কুয়েতে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা
ছবি : রয়টার্স

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মার্কিন হামলার জবাবে ইরান বুধবার (৮ জুন) বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির দাবি, তাদের নৌবাহিনী ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে দুই দেশে থাকা ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। তারা একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করারও দাবি করেছে।

এর আগে, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলা শুরু করে এবং হরমুজ প্রণালিতে তিনটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনার পর ইরানের তেল বিক্রির একটি লাইসেন্স বাতিল করে। এতে আগে থেকেই নাজুক অবস্থায় থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তির ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।

এদিকে পবিত্র শহর কোমে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইয়ের স্মরণে বড় শোকসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ধারাবাহিক হামলায় ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের ওপর কঠোর মূল্য আরোপ করা।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর (আইআরজিসি) ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা।

এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, ‘ইরানি বাহিনীর এই অযৌক্তিক হামলা যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট ও বিপজ্জনক লঙ্ঘন। এটি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’

ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার ভোরে দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ, কেশম দ্বীপ এবং দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক ও বন্দর আব্বাস শহরে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, কোনো বেসামরিক নাগরিক নিহত হননি। তবে সিরিকের একটি বাণিজ্যিক জেটিতে আঘাত হানা একটি গোলার স্প্লিন্টারে কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া সিরিক ও বন্দর আব্বাসের মাছ ধরার জেটিতেও হামলা হয়েছে এবং কয়েকটি মাছ ধরার নৌকায় আগুন ধরে যায়।

প্রেস টিভি জানিয়েছে, খার্গ দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল খার্গ দ্বীপ দিয়ে রপ্তানি করা হয়। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের বিবৃতিতে খার্গ দ্বীপের কোনো উল্লেখ করেনি।

এদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স মার্কিন হামলাকে ‘প্রকাশ্য আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তারা ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় মার্কিন হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হামলায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এসব ঘটনা গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নতুন করে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল বিক্রির একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুমতি বা লাইসেন্স বাতিল করেছে। আগে এই লাইসেন্সের আওতায় ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রি করতে পারত।

লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে এ লাইসেন্সের আওতায় চলমান সব লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।