‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’; কোনোভাবেই ভারত সরকারের এই নীতি থেকে যে বাংলায় বিজেপি সরকার সরে আসবে না, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সে পথেই হাঁটছে তামিলনাড়ুর জোসেফ বিজয়ের সরকার! অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক ৫০ বাংলাদেশি নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে তাদের উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল-হরিদাসপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
তামিলনাড়ু পুলিশের বরাত দিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃতি করে সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে আটক ৫০ জনকে সালেম জেলার আট্টুর মহকুমা কমপ্লেক্সের বিশেষ শিবিরে রাখা হয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ডিপোর্টের নির্দেশ জারি করা হয়। এরপরেই গত ৩ জুলাই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তিনটি বিশেষ পুলিশ ভ্যানে সড়কপথে তিরুচিরাপল্লি রেলস্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।
ওই সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তিরুচিরাপল্লি স্টেশন থেকে হাওড়া এক্সপ্রেসে তোলা হবে আটক ৫০ বাংলাদেশিকে। এরপর কড়া নিরাপত্তায় নির্ধারিত কোচে তাদেরকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হচ্ছে। জানা গেছে, আটক হওয়া এই ৫০ জনের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ এবং ৬ জন মহিলা রয়েছে।
তামিলনাড়ু পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছানোর পর আটক ব্যক্তিদের পেট্রাপোল-হরিদাসপুর সীমান্তে নিয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য, ভারতের রাজ্য সরকার নির্বাচনের পরেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে আটকদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরি করা হবে। সেই অনুযায়ী জেলায় জেলায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। সেখানেই আটক অনুপ্রবেশকারীদের রাখা হচ্ছে। এরপরেই তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।








